স্ট্রোক করা জামালকে ভ্যান চোর সন্দেহে গাছে বেঁধে নির্যাতন
Why this classification
This is a single, concrete incident dated 6 April 2026 in which villagers in Mahespur, Jhenaidah tied a man to a tree and beat him with sticks over a suspected van theft. He was hospitalised with serious injuries, so it qualifies as a severe physical attack.
Killed
0
Injured
1
Summary
৬ এপ্রিল ২০২৬ (সোমবার) সকালে ঝিনাইদহের মহেশপুরের কাকিলাদাড়ি গ্রামে ভ্যান চোর সন্দেহে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত ভ্যানচালক জামাল হোসেন (৪৫)-কে গাছের সঙ্গে বেঁধে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তিনি মহেশপুর হাসপাতালে ভর্তি আছেন, তাঁর কোমরের নিচ থেকে পা পর্যন্ত ফুলে গেছে ও শরীরে রক্ত জমাট বেঁধেছে।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
95% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
স্ট্রোক করা জামালকে ভ্যান চোর সন্দেহে গাছে বেঁধে নির্যাতন
স্ট্রোক করা জামালকে ভ্যান চোর সন্দেহে গাছে বেঁধে নির্যাতন Advertisement মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম মহেশপুরে ভ্যান চোর সন্দেহে ব্রেন স্ট্রোক করা জামাল হোসেন (৪৫) নামে ভ্যানচালককে গাছের সঙ্গে বেঁধে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার এসবিকে ইউনিয়নের কাকিলাদাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে নির্যাতনের শিকার হওয়া ওই ব্যক্তিকে মহেশপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জামাল হোসেন মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়নের মির্জাপুর কুমিল্লাপাড়ার আব্দুস শহীদের ছেলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে এ ব্যাপারে জনমনে তীব্র ক্ষোতে সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, সকালে নিজ ভ্যানে যাত্রী নিয়ে কোঁটচাদপুরে যান জামাল হোসেন। গন্তব্যস্থলে যাত্রী নামিয়ে ফেরার পথে কাকিলাদাড়ি গ্রামের লোকজন তাকে ভ্যান চোর সন্দেহে আটক করেন। কিছু দিন আগে ওই গ্রামে একটি ভ্যান চুরি হয়। যে কারণে তারা সন্দেহবশত জামাল হোসেনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ব্যাপক শারীরিক নির্যাতন চালান। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে মহেশপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন। নির্যাতনের ফলে জামাল হোসেনের কোমরের নিচ থেকে পা পর্যন্ত ফুলে গেছে ও সারা শরীরে রক্ত জমাট বেঁধেছে। প্রতিবেশী নুর আলম বলেন, এর আগে ব্রেন স্ট্রোক করায় স্বাভাবিকভাবে কথা বলা ও হাঁটাচলা করতে পারেন না জামাল হোসেন। স্ট্রোক করার পর আমাদের সাহায্যে চিকিৎসা নিয়ে তিনি কিছুটা সুস্থ হয়েছেন। ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হলে চোর সন্দেহে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ব্যাপক নির্যাতন করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর স্ত্রী আঞ্জুয়ারা বলেন, আমরা খুবই গরিব মানুষ। আমার স্বামীকে এমনভাবে মারপিট করা হয়েছে তিনি আর কখনো খেটে খেতে পারবেন না। এমনকি আমার পক্ষে এই চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব না। প্রশাসনের কাছে আমি এর বিচার চাই। মহেশপুর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. নয়ন বলেন, কোমরের নিচ থেকে পা পর্যন্ত লাঠি দিয়ে আঘাত করা রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছে। আমরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি। মহেশপুর থানা ওসি মেহেদী হাসান বলেন, এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
