যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূর মাথা ন্যাড়া, স্বামী-ননদ গ্রেপ্তার
Why this classification
The article reports a single concrete incident on the night of 28 May 2026 in which a husband and sister-in-law physically beat a housewife and shaved her head over a dowry demand. The couple was arrested after the wife filed a written complaint with the police.
Killed
0
Injured
0
Summary
পাবনার ঈশ্বরদীতে যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় স্বামী ও ননদ ২০২৬ সালের ২৮ মে রাতে গৃহবধূকে নির্যাতন করে তার মাথা ন্যাড়া করে দেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বাবুলচারা এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূর মাথা ন্যাড়া, স্বামী-ননদ গ্রেপ্তার
যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূর মাথা ন্যাড়া, স্বামী-ননদ গ্রেপ্তার গ্রেপ্তার দুজন ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৬ | ১৫:১০ পাবনার ঈশ্বরদীতে যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে মাথা ন্যাড়া করে দিয়েছেন তার স্বামী ও ননদ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। পরে থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের পর থেকে প্রায়ই গৃহবধূর কাছে যৌতুক দাবি করতেন তার স্বামী। দিতে না পারলে নানা নির্যাতন করা হতো। গৃহবধূ এর আগেও বাবার বাড়ি থেকে দেড় লাখ টাকা এনে দিয়েছেন। কিছুদিন যাওয়ার পর আবার টাকা চান তার স্বামী। দিতে না পারায় আবার নির্যাতন করেন। গৃহবধূ বলেন, ‘আমার স্বামী প্রায়ই যৌতুক দাবি করেন। দিতে না পারলে নির্যাতন করতেন। ২৪ মে–ও মারধর করেন। ঈদুল আজহার দিন (বৃহস্পতিবার) রাতে আবারও বাবার বাড়ি থেকে দেড় লাখ টাকা এনে দেওয়ার জন্য স্বামী ও তার বোন চাপ দেন। আমি রাজি না হওয়ায় নির্যাতন করেন। পরে দুজন মিলে আমার মাথা ন্যাড়া করে দেন।’ খবর পেয়ে গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা গিয়ে তাকে ঈশ্বরদী থানায় নিয়ে যান। ঈশ্বরদী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় নির্যাতিত গৃহবধূ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার স্বামী ও ননদের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। পরে বাবুলচারা এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কোরবানির মাংস কোথায় ভাগ হবে—বিতর্কে ঈদের নামাজ বাদ দিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২৮
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পবিত্র ঈদুল আজহার মাংস মসজিদে ভাগ হবে নাকি যার যার বাড়িতে ভাগ হবে— এই নিয়ে দ্বন্দ্বে ঈদের নামাজ আদায় করেনি ওই গ্রামের বাসিন্দারা। পরে তারা সংঘর্ষে জড়ায়। এতে দুই পক্ষের অন্তত ২৮ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে চার-পাঁচটি বাড়িঘরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের পূর্ব আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ঈদগাহ ময়দানে এ ঘটনা ঘটে। পরে ঈদের নামাজ ও পশু কোরবানি বাদ দিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব আড়ুয়াকান্দী গ্রামের বাসিন্দারা মোল্লা ও মাতুব্বর— দুই ভাগে বিভক্ত। মোল্লা পক্ষের নেতৃত্ব দেন কামরুজ্জামান মোল্লা এবং মাতুব্বর পক্ষের নেতৃত্ব দেন জাহাঙ্গীর মাতুব্বর। সেখানে কোরবানির তিনটি ভাগের যে অংশ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে বিতরণ করা হয়, সেই অংশ গ্রামের সব মাংস এক জায়গায় করে বিতরণ করা হয়ে থাকে। এবার সেই মাংস মসজিদ থেকে বিতরণ করা হবে নাকি যার যার বাড়ি থেকে বিতরণ করা হবে, এ নিয়ে ঈদের নামাজের শুরুতেই কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এ নিয়ে গ্রামের ‘মোল্লা পক্ষ’ ও ‘মাতুব্বর পক্ষ’-এর মধ্যে কথা-কাটাকাটি চরম উত্তেজনায় পৌঁছে যায়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং উভয় পক্ষের লোকজন ঈদের নামাজ পড়া বাদ দিয়ে রামদা, ছ্যানদা, ঢাল-সরকি ও ইট-পাটকেলসহ নানা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের সময় গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। এতে অন্তত ২৮ জন আহত হন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অনেকে ওই হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। আলগী ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মজিবর মোল্লা বলেন,ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ঈদের আনন্দের দিনে সামান্য মাংস বণ্টনের বিষয় নিয়ে এমন মারামারি কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাছাড়া ঈদের নামাজ বা পশু জবাইও তখন হয়নি। তার আগেই মাংস বণ্টনের পদ্ধতি নিয়ে দুই দল সংঘর্ষে জড়ায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। জহির হোসেন/এসএইচএ
কুরবানির মাংস রাখা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৩০
কুরবানির মাংস রাখা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৩০ Advertisement ফরিদপুর ব্যুরো প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৬, ০৬:১০ পিএম কুরবানির মাংস রাখা নিয়ে সংঘর্ষ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহার দিন কুরবানির মাংস মসজিদে রাখা হবে নাকি বাড়িতে নেওয়া হবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের পূর্ব আড়ুয়াকান্দী গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের জামাত শেষে কুরবানির গোস্ত সংরক্ষণ নিয়ে গ্রামের দুইপক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এতে এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন আবু বকর মুন্সী এবং অপর পক্ষের নেতৃত্ব দেন কামরুজ্জামান সম্রাট। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের নারী-পুরুষসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ঘটনার পর পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, সকালে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। মাংস রাখাকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। দুইপক্ষকে ডাকা হয়েছে, বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
