ঘরে স্ত্রী মরে পড়ে আছে কি না ফোন করে জানতে বলেন ইমাম

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

The incident involves the violent death of a woman inside her residence, meeting the criteria for a severe violent crime categorized under gender-based violence.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
06/07/26•Purba Baligaon

Killed

1

Injured

0

Summary

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় নিজ ভাড়া বাসা থেকে আসমা আক্তার নামের এক নারীর গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী মসজিদের ইমাম মুহসিন উদ্দিন শিশু কন্যাসহ পলাতক রয়েছেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

90% · severity 7

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

Muhসিন উদ্দিনআসমা আক্তারশামীম আহম্মেদ

Tags

Domestic ViolenceMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 06/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 07/07/26open original ↗

ঘরে স্ত্রী মরে পড়ে আছে কি না ফোন করে জানতে বলেন ইমাম

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার পূর্ব বালিগাও এলাকার ভাড়া বাসা থেকে আসমা আক্তার নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি পূর্ব বালিগাওঁ জামে মসজিদের ইমাম মুহসিন উদ্দিন এর স্ত্রী। মৃত্যুর পর থেকেই তার একমাত্র শিশু কন্যা সন্তানকে নিয়ে উধাও রয়েছেন তার স্বামী। গতকাল সোমবার (৬ জুলাই) রাত ৮ টার দিকে আসমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে ইমাম মুহসিন তার বাড়ির মালিককে ফোন করেন বলেন, তার স্ত্রী ঘরে মরে পড়ে আছে কি না সেটি গিয়ে যেন দেখেন। কুরবান আলি নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, “হুজুরের বাড়ি এই জেলায় না। তিনি বালিগাও গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম খানের বাড়িতে দুই বছর ধরে ভাড়া থেকে পূর্ব বালিগাও জামে মসজিদে ইমামতি করে আসছেন। মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ঢাকায় থাকেন।” তিনি আরও বলেছেন, আজ (সোমবার) বিকেল ৪টার দিকে ইমাম মুহসিন উদ্দীন ফোন করে বাড়ির মালিককে বলেন তার স্ত্রী হয়ত ঘরে মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে এলাকার লোকজন গিয়ে আসমাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পায়। এ ব্যাপারে টঙ্গিবাড়ী থানা ওসি শামীম আহম্মেদ বলেন, আমরা নিহতের ভাড়া বাসা হতে মরদেহ উদ্ধার করেছি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে বিস্তারিত বলতে পারব। নিহতের স্বামী পালিয়ে যাওয়ায় বিস্তারিত তথ্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ব.ম শামীম/এমটিআই

Source 2: Jugantor · 06/07/26open original ↗

১৩ বছরের কিশোরী ধর্ষণ, প্রধান অভিযুক্ত সাজিদ গ্রেফতার

১৩ বছরের কিশোরী ধর্ষণ, প্রধান অভিযুক্ত সাজিদ গ্রেফতার Advertisement গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম গজারিয়া থানা মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সাজিদকে (১৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (৬ জুলাই) ভোররাত ৩টার দিকে উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের পৈক্ষারপাড় নয়াকান্দি গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত সাজিদ একই গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে। এর আগে ভুক্তভোগী কিশোরীর বড় ভাই বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। গজারিয়া থানা সূত্রে জানা যায়, মামলা দায়েরের পরপরই তৎপর হয়ে ওঠে গজারিয়া থানা পুলিশ। আত্মগোপনে থাকা মূল অভিযুক্ত সাজিদকে ধরতে সোমবার গভীর রাতে অভিযান চালানো হয় এবং রাত ৩টার দিকে তাকে নিজ গ্রাম থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা হতদরিদ্র এবং মানসিক প্রতিবন্ধী। স্থানীয় বাজারে মানুষের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। ৭-৮ মাস আগে কিশোরীর মায়ের মৃত্যুর পর প্রতিবেশী মহিউদ্দিনের ছেলে সাজিদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বাবা মানসিক ভারসাম্যহীন এবং মা বেঁচে না থাকার সুযোগ নিয়ে সাজিদ কিশোরীকে ধর্ষণ করে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। সম্প্রতি কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে পরিবারের সদস্যদের মনে সন্দেহের দানা বাঁধে। একপর্যায়ে পরিবারের জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরী জানায় সে অন্তঃসত্ত্বা। এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। ভুক্তভোগী পরিবারটি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় কতিপয় মাতুব্বর ও প্রভাবশালী ব্যক্তি তাদের বাধা দেন। তারা আদালতের বাইরে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিচার ও ক্ষতিপূরণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখান। অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্তকে বাঁচাতে এবং ধর্ষণের আলামত নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ওই প্রভাবশালী মহলটি কৌশলে ঘটনাটি সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ ও দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীটির জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। ভুক্তভোগীর বড় ভাই বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে সাজিদ জড়িত। তবে সে নিজেকে বাঁচাতে তার কয়েকজন বন্ধুর নাম জড়িয়ে বিষয়টিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। স্থানীয় মাতুব্বররা আমাদের বিষয়টি মীমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় এবং আইনি পদক্ষেপ নিতে নিষেধ করায় এতদিন আমরা কিছু করিনি। কিন্তু তাদের ওপর আস্থা রাখতে না পেরে আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। অভিযুক্ত সাজিদের বক্তব্য জানতে তার বাসায় গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয়রা জানান, শনিবার বিকাল থেকেই সাজিদ আত্মগোপনে রয়েছেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য ফিরোজ প্রধান বলেন, বিষয়টা শুনেছি। ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয় হওয়ায় ভুক্তভোগীকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। গজারিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাব্বির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগীর ভাইয়ের দায়েরকৃত ধর্ষণ মামলায় সোমবার রাত ৩টার দিকে আমরা অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সাজিদকে গ্রেফতার করেছি। সকালে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।