লোডশেডিংয়ে নাহি খেদ, বেশি বিদ্যুতে বাড়ে রেট!

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This incident was classified as political violence in Chapainawabganj. It involved BNP against the victim side. Reported by 1 source.

Reported by:SamakalDhaka PostJugantorCorroborated · 3 sources
09/08/26•District and Sessions Judge Court

Killed

0

Injured

0

Summary

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এজলাস কক্ষ এবং যুগ্ম জেলা জজের খাসকামরা ভাঙচুর করেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 4

Perpetrator side

BNP

Other actors

Joint District Judge Md. Ujjwal Mahmud

Affected infrastructure

court hearing roomjudge's private chamber

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 09/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 14/08/26open original ↗

লোডশেডিংয়ে নাহি খেদ, বেশি বিদ্যুতে বাড়ে রেট!

সমকালীন প্রসঙ্গ লোডশেডিংয়ে নাহি খেদ, বেশি বিদ্যুতে বাড়ে রেট! মোশতাক আহমেদ মোশতাক আহমেদ প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬ | ০৮:৩৫ | আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০২৬ | ১২:৫২ | প্রিন্ট সংস্করণ সমকালসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর, চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক যুবদল নেতার জামিন আবেদনকে কেন্দ্র করে আদালতের এজলাস ও বিচারকের খাসকামরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা বিচারককে ‘ফ্যাসিস্টদের দোসর’ আখ্যায়িত করে দাবি করেছেন, তিনি বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করায় নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষোভ করেছেন। গত রোববার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এজলাস কক্ষ এবং যুগ্ম জেলা জজ মো. উজ্জ্বল মাহমুদের খাসকামরায় এ ঘটনা ঘটে (৯ আগস্ট ২০২৬)। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়ের করা একটি মামলায় হাজিরা দিতে দলের নেতাকর্মীরা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে যান। সে সময়ে আদালতে বিদ্যুৎ ছিল না। দুই ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থেকে ঘেমে নেয়ে উঠছিলেন সবাই। এই অবস্থায় আদালতের শুনানি শেষে বিচারক বলেছিলেন, ‘দুই ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ নেই। আগেই তো ভালো ছিল’। ব্যস, আর যায় কোথায়! বিএনপি নেতাকর্মী বিক্ষোভ শুরু করেন এবং বিচারককে প্রত্যাহারের দাবি জানান। জজ সাহেবের অপরাধটা নিঃসন্দেহে গুরুতর! এক পীরের দরগায় গিয়ে অন্য পীরের নাম নিতে নেই। এমনকি আকার-ইঙ্গিতেও না। কথাটা বোধ করি তিনি জানতেন না। বিশ্বাস করি, তিনি আইনশাস্ত্রে পণ্ডিত। না হয় তো জজ হওয়ারই কথা না। কিন্তু দর্শনশাস্ত্রের ‘স্থান ও কাল’ বিষয়ে তাঁর আরও জানাশোনা প্রয়োজন। অন্যথায় তিনি কীভাবে বলেন– ‘আগেই তো ভালো ছিল’! জজ সাহেব হয়তো ভুলে গিয়েছিলেন, এই দেশে আমরা শুধু বিশেষ সময়ে ভালো থাকি– তার আগেও না, পরেও না। ভালো থাকার সহি ও শুদ্ধ বিবরণ লেখা থাকে ইতিহাসের পাতায়। এই দেশের ইতিহাসে আমরা ‘আগে’ কখনোই ভালো ছিলাম না। বিদ্যুতের কথা বললে অবশ্য মানতেই হবে, হারিকেন আর কুপি বাতির আমলে কোনো লোডশেডিং ছিল না। গরমে ঘেমে উঠলে বাতাস করার জন্য বাঁশের কিংবা তালপাতার পাখা তো ছিলই। এটি ছিল খুবই স্বাস্থ্যসম্মত। নিয়মিত বিরতিতে হাতের ব্যায়াম হতো; শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ত। মাঝখানে গ্রামে গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ ক্ষতিই করেছে। এখন মানুষ হাত নাড়াতে চায় না। অন্যদিকে, রাস্তাঘাট হওয়ার ফলে মানুষ এখন আর হাঁটতেও চায় না। আধা কিলোমিটার দূরে যেতে হলে আধাঘণ্টা অপেক্ষা করে রিকশার জন্য। তাই এ কথা বলার কোনো কারণ নেই– আমরা আগে ভালো ছিলাম। জানি না, চাঁপাইনবাবগঞ্জের জজ সাহেব বিদ্যুৎ নিয়ে যে কথাটা বলেছিলেন, তা শুধু ওই জেলার অবস্থা দেখে, নাকি সারাদেশের অবস্থা দেখে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সারাদেশ থেকেই লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া যাচ্ছে। গত ১০ আগস্ট দেশে সাম্প্রতিক সময়ের সর্বোচ্চ লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়েছে, ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট। কোথাও কোথাও বিদ্যুতের দাবিতে মানুষ বিক্ষোভও করেছে। কিছুদিন আগেই টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার ও মির্জাপুর উপজেলায় বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। এ ছাড়াও বরগুনা, ঢাকা জেলার দোহারসহ দেশের আরও অনেক জায়গা থেকেই বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়।  সমস্যা এতটাই প্রকট আর প্রকাশ্য যে, এটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তবে এও মানতে হবে, লোডশেডিং আধুনিক জীবনেরই অংশ। তাই বলতে হবে, ভালো আছি। কিছুতেই বলা যাবে না– আগেই ভালো ছিলাম। কারণ সেই ‘টাইম অ্যান্ড স্পেস’। কিছুদিন আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী বলেছিলেন, গ্রামে প্রকৃত অর্থে কোনো লোডশেডিং নেই। পল্লী বিদ্যুতের লাইন অনেক দীর্ঘ হওয়ায় কোথাও ত্রুটি দেখা দিলে তা শনাক্ত করতে সময় লাগে। এ কারণে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। তবে লাইন ঠিক হলে আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যায় (বিডিনিউজ, ৫ মে ২০২৬)। মন্ত্রীর বক্তব্য শুনে সত্যি খুব আশান্বিত হয়েছিলাম। কারণ আমাকে কিছুদিন পরপরই গ্রামে যেতে হয়। কিন্তু অনেক সময়ই বিদ্যুতের দেখা পাই না। ভাবলাম, মন্ত্রী মহোদয় যখন বলেছেন, অবস্থার নিশ্চয় উন্নতি হয়েছে। এই তো গত সপ্তাহে নেত্রকোনার বারহাট্টায় গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তিন দিন ছিলাম। ৭২ ঘণ্টায় সাকল্যে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুতের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। অবস্থাটা এমনই, বাড়িতে আমার একটা আইপিএস আছে, সেটিও চার্জের অভাবে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। তবে একটা কাজ ভালো হয়েছে। বাড়িতে পুরোনো দিনের একটা বাঁশের বেত দিয়ে তৈরি হাতপাখা ছিল। অনেক দিন পর সেটি ব্যবহার করলাম। ভালোই লাগল। কখন যে হাতপাখার ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দে ঘুমিয়ে পড়লাম, টেরও পেলাম না। নিশ্চয় ভালো আছি। নাহলে তো ঘুমুতেই পারতাম না। আসলেই আমরা আগের তুলনায় ভালো আছি। কিন্তু নানাবিধ মানসিক কারণে আমরা বুঝতে পারি না, আমরা ভালো আছি। এই যেমন আজ সকালে গিয়েছিলাম কাঁচাবাজারে। গিন্নির শখ হয়েছে, শোল মাছ দিয়ে লাউ রান্না করবেন। বাজার থেকে ধনেপাতা আনতে বললেন। ভাবলাম, একটা তরকারিতে কতটুকুই বা ধনেপাতা লাগবে! বেশি আনলে ঘরে থেকে নষ্ট হয়ে যায়। তাই দোকানিকে বললাম ১০ টাকার ধনেপাতা দিতে। তিনি সরাসরি জানিয়ে দিলেন, ১০ টাকার ধনেপাতা বিক্রি হয় না। কী আর করা! ২০ টাকার পাতা নিয়ে এলাম। কাঁচামরিচের একই অবস্থা। ৪০ টাকা দিয়ে ১০০ গ্রাম নিয়ে বাসায় ফিরলাম। গুনে দেখলাম, ৪০টার বেশি হবে না। তারপরও বলব, ভালো আছি। কারণ এই যে জিনিসপত্রের নাম বাড়ছে, তাতে তো মানুষের ভালোই হচ্ছে। আগে শুধু শুধু বেশি জিনিস কিনে ফ্রিজ ভরে রাখত। এখন মানুষ মিতব্যয়ী হওয়া শিখছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিষয়টি স্বাস্থ্য সহায়কও বটে। এই যেমন ধরুন, মাংসের দাম বাড়ছে। এটি খুবই ভালো খবর। কারণ বেশি মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর; কোলেস্টেরল বাড়ে।  আসলে সেই যে সত্যজিৎ রায় অনেক আগে সিনেমায় বলে গিয়েছিলেন– ‘অনাহারে নাহি খেদ, বেশি খেলে বাড়ে মেদ’! এখন হয়তো বলা যায়– ‘লোডশেডিংয়ে নাহি খেদ, বেশি বিদ্যুতে বাড়ে রেট’! কিছু মানুষ অবশ্য এতকিছু বুঝতেই চায় না। বলে কিনা, আগেই ভালো ছিলাম। চাঁপাইনবাবগঞ্জের জজ সাহেব কি তাদের দলে? মোশতাক আহমেদ: কলাম লেখক, সাবেক জাতিসংঘ কর্মকর্তা - বিষয় : - মোশতাক আহমেদ

Source 2: Dhaka Post · 10/08/26open original ↗

এজলাসে হামলার বিচার চাইলেন এমপি বুলবুল

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের সমালোচনা করার অভিযোগ তুলে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আদালতের বিচারকের খাস কামরায় ও এজলাসে স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের হামলায় ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালত-২ এর ভবন পরিদর্শন করেন তিনি। এই সময় তিনি স্টাফদের খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট বিচারকের সাথে মুঠোফোনে কথা বলেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, যুগ্ম জেলা জজ উজ্জল মাহমুদের চেম্বারে ও খাস কামরায় নজিরবিহীনভাবে গতকালকে হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। আমি গতকালকে ঢাকায় ছিলাম, সেখান থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এটি আমি দেখেছি এবং খোঁজখবর নিয়েছি। আজকে আমি চাঁপাইনবাবগঞ্জ এসেই আদালতে পরিদর্শনের জন্য এসেছি। এটি দেখার জন্য, আসলে কি ঘটনা ঘটেছিল। সরজমিনে পরিদর্শনে এসে স্টাফদের সাথে কথা বলেছি এবং ক্ষতচিহ্নগুলো দেখিছি। তিনি বলেন, এখানে এজলাসে ভাঙচুর করা হয়েছে, কাঁচগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। জেলা জজের বিচারক খাস কামরাও ভাঙচুর করা হয়েছে এবং তার উপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। এখানকার স্টাফদের উপরেও হামলা করা হয়েছে। এটি আসলে নজিরবিহীন ন্যাকারজনক ঘটনা। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এই ধরনের হামলা স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ এবং স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা ব্যাহত হবে যদি এই ধরনের ঘটনার সঠিক বিচার না হয় এবং তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা না নেওয়া হয়। এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুল আরও বলেন, বিচারকের এজলাসে, খাসকামরায় হামলা পরিচালনা করা আসলেই নজিরবিহীন। এ ধরনের আচরণ ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি এবং ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি। তাই সরকারের এই ব্যাপারে আরও সজাগ হওয়া ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। যারা এই ধরনের ঘৃণ্য ঘটনা সংগঠিত করেছে, তিনবার এসেছে সংশ্লিষ্ট জাজের উপরে হামলা করার জন্য এটা তো আসলে মগের মুল্লুক হয়ে গেল নাকি? এখানে আদালতেও বিচারকেরা নিরাপদ থাকবে না, আদালতের স্টাফ, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা নিরাপদ থাকবে না। তাহলে সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা কোথায়? এটি আজকে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন এসে দাঁড়িয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ টেনে নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, আমরা বলেছিলাম যে বিচার বিভাগকে স্বাধীন করতে হবে। এজন্য আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সার্বিকভাবে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের যে লক্ষ্য ছিল, সেই লক্ষ্য অর্জন করার জন্য সরকারের হাতে যে সুযোগ ছিল, সেই সুযোগটি তারা কাজে লাগাইনি। বরং সচিবালয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হওয়ার পরেও সেই সিদ্ধান্তটিকে আবারও স্থগিত করে। বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়ার যে দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন সেই স্বপ্নটাকেও শেষ করে দেওয়া হয়েছে। আসলে সরকার কী চাইছে তা আমরা জানি না। আমরা অবিলম্বে যারা এই হামলা ভাঙচুর ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেছে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে এসে অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক, আমরা সেই দাবি জানাই। এদিকে ঘটনাস্থলে এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুলকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পরেন সংশ্লিষ্ট আদালতের স্টাফরা। এই সময় প্রেসকার রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা তাদেরকে আকুতি মিনতি করে বলেছি, আমরা আপনাদের জেলার লোক। এভাবে হামলা করবেন না। তবুও তারা শুনেনি। আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে। আমরা ভয়ে দিন পার করছি। আজকে আমাদের নিরাপত্তা কোথায়? এই সময় নুরুল ইসলাম বুলবুল সুষ্ঠু বিচার ও তদন্তের আশ্বস্ত করেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এই সময় আরওও উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা জামায়াতের আমির হাফেজ আব্দুল আলীম, অ্যাড মাশির আলী, অ্যাড নূরে আলম সিদ্দিকি আসাদ, অ্যাড শফিক এনায়েতুল্লাহ, অ্যাড গোলাম মোস্তফাসহ প্রমুখ। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় চার আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন শুনানির সময় আদালতে বিদ্যুৎ ছিল না। বিদ্যুৎ না থাকায় আদালতের আইনজীবী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবাই কষ্টে আছেন বলে মন্তব্য করেন বিচারক। এ সময় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। পরে বিচারককে নিয়ে অপ্রীতিকর মন্তব্য করে এজলাস কক্ষে বিক্ষোভ শুরু হয়। একপর্যায়ে বিচারক এজলাস ছেড়ে খাস কামরায় চলে যান। পরে আদালতের এজলাসে ঢুকে সরঞ্জামাদি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মো. আশিক আলী/এসএইচএ

Source 3: Jugantor · 10/08/26open original ↗

যুবদল নেতার জামিন না হওয়ায় আদালতে হামলা

যুবদল নেতার জামিন না হওয়ায় আদালতে হামলা Advertisement চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আদালতের এজলাস কক্ষ ও বিচারকের খাস কামরার দরজা ও জানালা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও দলটির সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। রোববার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এ হামলা হয়। এ সময় যুগ্ম জেলা জজ মো. উজ্জল মাহমুদের খাস কামরা ভাঙচুর করে হামলাকারীরা। জানা যায়, একটি রাজনৈতিক মামলায় যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন তুফানকে শনিবার রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। গতকাল সেই মামলার শুনানি হয়। চার আসামির জামিন মঞ্জুর হলেও তুফানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেননি আদালত। এরপরই আদালতে হামলা করে তার অনুসারীরা। তুফান চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর যুবদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক। আদালত সূত্রে জানা গেছে, শুনানির সময় এজলাস কক্ষের ভিডিও ধারণ করছিলেন নেতাকর্মীরা। বিচারক নিষেধ করলে ক্ষিপ্ত হন তারা। এ সময় এজলাস হামলা শুরু হলে বিচারক খাস কামরায় চলে যান। পরে সেখানকার দরজা-জানালাও ভাঙচুর করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতাকর্মীরা বলেন, যুবদল নেতা তুফানের জামিনের বিষয়টি উপস্থাপন করা হলেও টালবাহানা করেন বিচারক। এমনকি বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য করেন। তাদের দাবি, বিচারক ‘বিগত সরকারের সময়েই বিদ্যুতের অবস্থা ভালো ছিল’ বলার পরই নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনার পর আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করেন বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা বিচারক উজ্জল মাহমুদকে ফ্যাসিস্টদের দোসর উল্লেখ করে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার অপসারণের আলটিমেটাম দেন। দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। মামলার আসামি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব বাবর আলী রুমন ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মিম ফজলে আজিমের দাবি, বিচারক সরকার নিয়ে বিদ্রূপ মন্তব্য করেছেন। এ সময় তাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি নিজেকে গোপালগঞ্জের লোক বলেও জানান। তিনি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তোলেন তারা। আসামিপক্ষের আইনজীবী ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম টিপু বলেন, আদালতে বিদ্যুৎ না থাকায় বিচারক বাজে মন্তব্য করায় উপস্থিত নেতাকমীদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় কেউ কেউ ভিডিও ধারণ করতে গেলে বিচারক নিষেধ করেন। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাসিব জানান, ৫ আগস্টের পর মব কালচারের সৃষ্টি হয়েছে। এটি সেই ধারাবাহিকতার অংশ। এ ঘটনা বিচার বিভাগের জন্য হুমকিমূলক। হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল ওদুদের দাবি, হামলা ও ভাঙচুর বহিরাগতদের কাজ। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, তাৎক্ষণিক পুলিশ উপস্থিত হয়ে অবস্থানকারীদের সরিয়ে দেয়। আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।