চাঁদা না দেওয়ায় যুবদল নেতার হামলা, বৃদ্ধের মৃত্যু
Why this classification
This is a specific physical attack on a specific date in Noakhali, in which a group led by a Jubo Dal leader beat Abdul Hai and threw him into a canal over a land dispute and an extortion demand. Abdul Hai later died in hospital, and the incident falls within the 14-day window.
Killed
1
Injured
3
Summary
নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের ইসলামগঞ্জ মধ্যবাজারে ৭ এপ্রিল ২০২৬ (মঙ্গলবার) জমি নিয়ে বিরোধ ও সাড়ে ৩ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ার জেরে নোয়ান্নই ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক লিটন চৌধুরীর নেতৃত্বে একদল লোক আবদুল হাই (৭৫) ও তার ছেলেদের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর আহত আবদুল হাইকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) মৃত্যু হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
93% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
চাঁদা না দেওয়ায় যুবদল নেতার হামলা, বৃদ্ধের মৃত্যু
চাঁদা না দেওয়ায় যুবদল নেতার হামলা, বৃদ্ধের মৃত্যু Advertisement নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নইতে চাঁদা না দেওয়ায় যুবদল নেতার হামলায় আহত বৃদ্ধ মো. আবদুল হাই (৭৫) মারা গেছেন। বৃদ্ধের পরিবার ও সুধারাম থানা সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় নোয়ান্নই ইউনিয়নের ইসলামগঞ্জ মধ্যবাজারে হামলায় আবদুল হাইসহ তিনজন আহত হন। বৃদ্ধার ছোট ছেলে মো. সুমন তার বাবার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, বছরখানেক আগে তার বাবা ইসলামগঞ্জ মধ্যবাজার এলাকায় স্থানীয় রেজাউল হকের কাছ থেকে ১ দশমিক ৩৮ শতক জমি কিনে ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি তারা ওই জমিতে দোকানঘর নির্মাণ করতে গেলে নোয়ান্নই ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক লিটন চৌধুরী বাধা দেন এবং জমিটি তার মামার বলে দাবি করেন। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে লিটন চৌধুরীকে জমির সপক্ষে কাগজপত্র দেখাতে বলা হলেও তিনি তা উপস্থাপন করতে পারেননি। পরে তাকে দুই মাস সময় দেওয়া হয়। এর মধ্যে সুমনরা জমিতে কাজ করতে গেলে লিটন চৌধুরী সাড়ে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু আবদুল হাই লিটনকে চাঁদা দিতে অস্বীকার করেন। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর মঙ্গলবার সকালে তারা জমিতে নির্মাণকাজ শুরু করলে লিটনের নেতৃত্বে তার ভাই ইসমাইল ও সাদ্দামসহ ৮-১০ জনের একটি দল আবদুল হাইসহ তার ছেলেদের ওপর হামলা চালায়। তারা আবদুল হাইকে মারধর করে খালে ফেলে দেয়। হামলায় তার দুই ছেলেও আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে মঙ্গলবার রাতে গুরুতর অবস্থায় আবদুল হাইকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বুধবার ভোররাতে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় মারা যান আবদুল হাই। অভিযোগের বিষয়ে জানতে লিটন চৌধুরীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও ফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে নোয়াখালী সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবদুর রহিম রিজভী জানান, আমাদের দলের পক্ষ থেকে সব ধরনের সালিশ বাণিজ্য ও চাঁদা দাবির বিষয়ে কঠিন হুঁশিয়ারি রয়েছে। লিটন চৌধুরীর বিরুদ্ধে যদি চাঁদা দাবির অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম আবদুল হাইয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
