পদ্মার বালুমহাল দখল নিয়ে ফের সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ১
Why this classification
The article reports a recent (yesterday) shooting incident in Bangladesh where unknown armed persons opened fire over sandbank control, resulting in one death and one injury. This meets the criteria for violence and is classified as criminal violence.
Killed
1
Injured
1
Summary
পদ্মা নদীর রায়টা চর এলাকায় বালুমহাল নিয়ন্ত্রণের জন্য অজ্ঞাত অস্ত্রধারীরা গুলি চালায়, যার ফলে কাকন বাহিনীর গার্ড সাহাবুল ইসলাম নিহত হন এবং রবিউল ইসলাম আহত হন। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও নৌ পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
পদ্মার বালুমহাল দখল নিয়ে ফের সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ১
পদ্মার বালুমহাল দখল নিয়ে ফের সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ১ ঈশ্বরদী (পাবনা) ও লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬ | ০৮:২৪ | প্রিন্ট সংস্করণ পদ্মা নদীর বালুমহালের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আবারও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পাবনার ঈশ্বরদী, নাটোরের লালপুর ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা সীমান্তবর্তী পদ্মা নদীর রায়টা চর এলাকায় গুলিতে সাহাবুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় রবিউল ইসলাম (৩৭) নামে আরেক জেলে আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে পদ্মা নদীর রায়টা চর এলাকার একটি মাছধরা নৌকা থেকে সাহাবুলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ও নৌ পুলিশ। নিহত সাহাবুল ইসলাম পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়াগোপালপুর গ্রামের ইনু প্রামাণিকের ছেলে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি কাকন বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত বালু পয়েন্টের পাহারার দায়িত্বে ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার ভোরের মধ্যে নদীর তীরবর্তী চর এলাকায় অজ্ঞাত কয়েকজন অস্ত্রধারী এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। ওই সময় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত একটি মাছধরা নৌকায় থাকা সাহাবুল গুলিবিদ্ধ হন। গুলিতে তাঁর কাঁধ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সঙ্গে থাকা রবিউল ইসলাম আহত অবস্থায় প্রাণ বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ দেন। খবর পেয়ে লালপুর থানা পুলিশ ও লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সেলিম মিয়া জানান, প্রাথমিক সুরতহালে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর আলামত পাওয়া গেছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার শফিকুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি পাবনা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময়ে থাকার কারণে বিস্তারিত পরে জানাবেন বলে জানান। ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামাল উদ্দিন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। - বিষয় : - নিহত
এমপি প্রার্থী ভাইয়ের গুলিতে ছোট ভাই নিহত
এমপি প্রার্থী ভাইয়ের গুলিতে ছোট ভাই নিহত Advertisement ফরিদপুর ব্যুরো প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সংসদ-সদস্য (এমপি) প্রার্থী বড় ভাই ডা. গোলাম কবীরের ছোড়া শটগানের গুলিতে ছোট ভাই হুমায়ুন কবির মিন্টু নিহত হয়েছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বোয়ালমারী পৌর সদরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চতুল উত্তরপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত গোলাম কবীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করেছিলেন। তিনি জেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার চতুল উত্তরপাড়া গ্রামের কাওছার শেখের বাড়ির পাশে প্রায় ৪০ শতাংশ পৈতৃক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল গোলাম কবীর ও মিন্টুর মধ্যে। এর মধ্যে ৭ শতাংশ জমি তাদের ভাই কাওছার শেখের নামে লিখে দিলেও, বাকি জমিতে গাছ লাগান। ওই গাছ বড় ভাই ডা. গোলাম কবীর প্রায় ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। বুধবার সকালে গাছ কাটতে গেলে মিন্টু এতে বাধা দেন। এ সময় দুই ভাইয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে গোলাম কবীর শটগান এনে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। এতে গুলিবিদ্ধ হন মিন্টু। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শী বিলায়েত হোসেন মৃধা জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে এসে দেখি, গোলাম কবীর তার ছোট ভাইকে গুলি করে পালানোর চেষ্টা করছেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে ধাওয়া করে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। গোলাম কবীরের ভাই আলমগীর কবীর বলেন, আমার চোখের সামনে বড় ভাই, ছোট ভাইকে গুলি করে হত্যা করেছে। সামান্য গাছ নিয়ে এমন ঘটনা কখনো ভাবিনি। ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা সার্কেল) আজম খান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। অভিযুক্ত গোলাম কবীরকে আটক করা হয়েছে এবং ব্যবহৃত শটগানটি জব্দ করা হয়েছে।
