শেরপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় জামায়াত নেতার মৃত্যু, ছেলের মৃত্যুতে নির্বাক বাবা

AI-classifiedconfidence 93%

Why this classification

This article reports a specific violent clash on 28 January 2026 in Jhinaigati, Sherpur, between BNP and Jamaat supporters at an election event, which left more than fifty people injured. A Jamaat leader, Rezaul Karim, later died in hospital from his injuries, so the event meets the criteria for a violent incident.

Reported by:SamakalSingle source
28/01/26•ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম

Killed

1

Injured

50

Summary

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের ২৮ জানুয়ারি বুধবার ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়ামে চেয়ার নিয়ে বাকবিতণ্ডার পর বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, যাতে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন। আহত জামায়াতের শ্রীবরদী উপজেলা সেক্রেটারি রেজাউল করিম ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

93% · severity 8

Perpetrator side

BNPJamaat

Victim side

BNPJamaat

Other actors

রেজাউল করিম (জামায়াতে ইসলামীর শ্রীবরদী উপজেলা সেক্রেটারি)বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মী

Tags

Election ViolenceParty Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 50

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 30/01/26open original ↗

শেরপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় জামায়াত নেতার মৃত্যু, ছেলের মৃত্যুতে নির্বাক বাবা

শেরপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় জামায়াত নেতার মৃত্যু, ছেলের মৃত্যুতে নির্বাক বাবা শ্রীবরদী উপজেলা শাখার সেক্রেটারি রেজাউল করিম মারা যাওয়ার খবর পেয়ে বাড়িতে স্বজনদের ভিড়। ছবি: সমকাল শেরপুর ও নালিতাবাড়ী প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ | ০০:৫৬ | আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ | ০১:০০ শেরপুরে ঝিনাইগাতীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত জামায়াতে ইসলামীর শ্রীবরদী উপজেলা সেক্রেটারি রেজাউল করিমের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। রেজাউলের বৃদ্ধ বাবা মাওলানা আব্দুল আজিজ নির্বাক দৃষ্টিতে বাড়িতে আগত স্বজনদের দিকে তাকিয়ে আছেন। কোনো কথা বলছেন না তিনি। বাড়ির আঙিনায় ছেলের কবর খোঁড়া হয়েছে। ছেলের শোকে তার চোখের জলও যেন শুকিয়ে গেছে। রেজাউলের সংসারে এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। আট বছর বয়সী মেয়ে তার বাবা নেই কিছুটা বুঝতে পারলেও অবুঝ সন্তান এখনও বুঝতে পারেনি। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার গড়জরিপা ইউনিয়নের গোপালখিলা গ্রামের বাসিন্দা নিহত রেজাউলের বাড়িতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়। ৪২ বছর বয়সী রেজাউল ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার আরবি বিষয়ের প্রভাষক ছিলেন। রেজাউলের মৃত্যুর খবরে ভোর থেকে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীরা বাড়িতে ভিড় করছেন। কেউ কাঁদছেন, পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আহাজারি করছেন। তাদের আহাজারি ও বিলাপে চারিদিকে যেমন বাতাস ভারি হয়ে গেছে। কেউ কারও সঙ্গে কথা বলছেন না। বাড়ির ভেতর থেকে মহিলাদের কান্নার করুণ আওয়াজ ভেসে আসছিল। আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা বাড়িতে এসে রেজাউলের পরিবারের খোঁজ খবর নিচ্ছেন। রেজাউলের শ্বশুর কাকিলাকুড়ার বাসিন্দা হাফেজ মো. আবু বকর বলেন, ‘আমি হত্যাকারীদের দ্রুত ফাঁসি চাই। যারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে; তাদের বিচার চাই। তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে এখন কে দেখবে? প্রসঙ্গত, বুধবার বেলা ৩টার দিকে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আয়োজিত ‘নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে’ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাকবিতণ্ডায় জড়ান; এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অনুষ্ঠানটি ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় আহত শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। - বিষয় : - ঝিনাইগাতী