পরিবারকে গ্রামছাড়ার হুমকি বাড়িতে হামলা-মারধর

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A group of local men attacked a family's house in Urkhuliya village, beat three residents who were injured, and threatened the family with forced eviction from the village. The article reports this as a concrete incident, so it is a valid violent event, not just a complaint or statement.

Reported by:SamakalSingle source
28/03/26•উরখুলিয়া গ্রাম, বিদ্যাকুট ইউনিয়ন, নবীনগর

Killed

0

Injured

3

Summary

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার উরখুলিয়া গ্রামে (২৮ মার্চ ২০২৬) জমির রাস্তা ও পূর্বশত্রুতার জেরে একটি পরিবারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তিনজনকে মারধর করা হয় এবং গ্রামছাড়ার হুমকি দেওয়া হয়। অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আউয়াল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, আর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

মো. আব্দুল্লাহ আউয়ালরফিকুল ইসলাম ওরফে মনা মেম্বারফিরোজতাজুলরুবেলসামছু মিয়াসিদ্দিক মিয়াআবুল কালামজাহাঙ্গীর আলম সরকার (ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য)মিজানুর রহমান (আহত)জিয়াউর রহমান (আহত)আক্তার হোসেন (আহত)

Affected infrastructure

বাড়ি

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 30/03/26open original ↗

পরিবারকে গ্রামছাড়ার হুমকি বাড়িতে হামলা-মারধর

পরিবারকে গ্রামছাড়ার হুমকি বাড়িতে হামলা-মারধর নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬ | ০৭:২৬ নবীনগর উপজেলায় গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে এলাকার একটি পরিবারকে গ্রামছাড়ার হুমকি এবং বাড়িতে হামলা চালিয়ে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার উপজেলার বিদ্যাকুট ইউনিয়নের উরখুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরিবারটিকে গ্রামছাড়ার হুমকি ও হামলার ঘটনায় উরখুলিয়া গ্রামের রাজ্জাক মিয়ার ছেলে মো. আব্দুল্লাহ আউয়ালের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তাঁর নির্দেশে স্থানীয় রফিকুল ইসলাম ওরফে মনা মেম্বারের লোকজন বাড়িতে হামলা ও হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় শনিবার থানায় লিখিত অভিযোগ ও গতকাল রোববার সকাল ১০টায় নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মরহুম লাল মিয়া মাস্টারের পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে লাল মিয়া মাস্টারের ছেলে প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলম সরকার জানান, তারা কেউ গ্রামের বাড়িতে থাকেন না। ঈদ উপলক্ষে গত ২৬ মার্চ তিনি ও তাঁর ভাইয়েরা গ্রামের বাড়িতে আসেন। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে আব্দুল্লাহ আউয়ালের ইন্ধনে তাদের গ্রামছাড়া করার হুমকি দিয়েছেন গ্রামের প্রভাবশালীরা। বর্তমানে তাঁর পরিবার চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গ্রামে এসে হুমকি পেয়ে তিনি নবীনগর থানায় মৌখিক অভিযোগ করেছিলেন। এ ঘটনার জেরে শনিবার বিকেলে মনা মেম্বার ও আউয়ালের সহযোগী ফিরোজ, তাজুল, রুবেল, সামছু মিয়া, সিদ্দিক মিয়া ও আবুল কালাম তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। ঘটনার সময় তিনি ও তাঁর ভাইয়েরা বাড়িতে ছিলেন না। হামলাকারীরা তাদে বাড়ির মিজানুর রহমান (৪০), জিয়াউর রহমান (৪৫) ও আক্তার হোসেনকে (৪০) মারধর করে। আহতরা স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রভাবশালী আউয়াল মিয়া রাস্তা নেওয়ার জন্য জমির আইল বাদ রেখে জোরপূর্বক জাহাঙ্গীর আলমদের বাড়ির ভেতর দিয়ে সরকারি রাস্তা নেওয়ার চেষ্টা করলে বিরোধের সূত্রপাত হয়। উরখুলিয়া গ্রাম কমিটির সভাপতি ও বিএনপির ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, পূর্ব বিরোধ এবং বাড়ির ভেতর দিয়ে রাস্তার নির্মাণের বিষয় নিয়েই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল্লাহ আউয়াল বলেন, তাদের গ্রামে ১১টি খুন হয়েছে। সর্বশেষ খুনটি হয় ২০০৯ সালে। তারপর থেকে গ্রামবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করে গ্রামের উন্নয়ন ও এলাকাকে দাঙ্গামুক্ত রেখেছেন। গ্রামের কাউকে গ্রামছাড়া করার হুমকি দেননি তিনি। এ ছাড়া কারও বাড়িতে হামলার ঘটনার সঙ্গেও জড়িত নন তিনি। তাঁর নাম ব্যবহার করে কেউ হামলা ও হুমকি দিলে তদন্ত করে বিচারের দাবি জানান। রফিকুল ইসলাম মনা মেম্বার বলেন, জাহাঙ্গীর আলম ও তাঁর ভাইয়েরা মাঝেমধ্যে গ্রামে এসে দলাদলি ও বিরোধ সৃষ্টি করে। এতে গ্রামবাসী উত্তেজিত হয়ে উঠে। গ্রামকে শান্ত রাখার স্বার্থে তিনি জাহাঙ্গীর আলম সরকারের বাড়িতে গিয়ে তাদের সতর্ক করেছেন মাত্র। - বিষয় : - নবীনগর