কুকুরকে লাথি দেওয়ার প্রতিবাদ করায় কৃষককে হত্যা
Why this classification
A farmer was killed in Debidwar, Comilla, on the evening of 2 April 2026 after he objected to a neighbour kicking a dog. The argument turned into a physical fight in which the attacker kicked him in the groin, and he died after reaching hospital. This is a single, recent, deliberate physical attack resulting in a death, so it qualifies as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার সুবিল ইউনিয়নের পূর্ব নারায়নপুর গ্রামে ২ এপ্রিল ২০২৬ সন্ধ্যায় কুকুরকে লাথি দেওয়ার প্রতিবাদ করায় কৃষক জুলুস মিয়াকে (৫৫) কামাল হোসেন অণ্ডকোষে লাথি মারেন, যার ফলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কুকুরকে লাথি দেওয়ার প্রতিবাদ করায় কৃষককে হত্যা
কুকুরকে লাথি দেওয়ার প্রতিবাদ করায় কৃষককে হত্যা Advertisement কুমিল্লা ব্যুরো প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৮ এএম কুমিল্লার দেবিদ্বারে কুকুরকে লাথি দেওয়ার প্রতিবাদ করায় জুলুস মিয়া নামের এক কৃষককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার সুবিল ইউনিয়নের পূর্ব নারায়নপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জুলুস মিয়া (৫৫) ওই গ্রামের মৃত সায়েদ আলীর ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ এবং স্থানীয়রা জানায়, বুধবার সন্ধ্যায় ওই গ্রামের সিদ্দিকের ছেলে কামাল হোসেন (৩৫) একটি কুকুরকে লাথি দিলে এর প্রতিবাদ করেন কৃষক জুলুস মিয়া। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি হয়। যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। একপর্যায়ে জুলুস মিয়ার অণ্ডকোষে কামাল লাথি মারলে তিনি ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। জুলুস মিয়ার নাতি মো. আকাশ বলেন, আমি বাড়ির পাশে একটি মাচায় বসেছিলাম। হঠাৎ চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি আমার দাদা মাটিতে পড়ে আছেন, আর বাকিরা দৌঁড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। এ সময় আনোয়ার নামে একজন দা নিয়ে আমার দিকে তেড়ে আসে। পরে স্থানীয়রা দাদাকে হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতাল থেকে জানতে পারি, তিনি মারা গেছেন। জুলুস মিয়ার ভাতিজা মো. রোমান বলেন, আমার চাচার ৫ ছেলে ও ২ মেয়ে রয়েছে। তিনি কৃষিকাজ করে পরিবার চালাতেন। এখন এই দরিদ্র পরিবারের ভবিষ্যৎ কী হবে বুঝতে পারছি না। জুলুস মিয়ার বড় ছেলে ইব্রাহিম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার বাবাকে যারা এভাবে হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
