চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ঘুমন্ত ব্যবসায়ীকে হত্যা করে স্ত্রী ও ছেলে
Why this classification
This is a single, specific incident in Natore district in which a man was stabbed to death in his sleep with a cleaver by his wife and son on 4 May 2026. The victim's throat was cut, and the police recovered the weapon and bloodstained clothes, so it qualifies as a murder.
Killed
1
Injured
0
Summary
নাটোরের সিংড়ায় সোমবার (৪ মে ২০২৬) সকালে মৎস্য ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে ঘুমন্ত অবস্থায় চাপাতি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন তাঁর স্ত্রী ও ছেলে। পারিবারিক অশান্তির জেরে এক সপ্তাহ আগে থেকে পরিকল্পনা করে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর অভিযোগে পুলিশ স্ত্রী ও ছেলেকে আটক করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
সিংড়ায় মৎস্য ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী ও ছেলে গ্রেফতার
সিংড়ায় মৎস্য ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী ও ছেলে গ্রেফতার ছবি: সংগৃহীত সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬ | ১৫:১২ নাটোরের সিংড়ায় রফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের এক মৎস্য ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী শিউলি বেগম ও ছেলে সাইফুদ্দিন সিদ্দিক ওরফে রয়েল (১৯) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে উপজেলার ইটালী ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামে ওই ব্যবসায়ীর নিজ শয়ন কক্ষ থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যবসায়ী একই গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে। পেশায় মৎস্য ব্যবসায়ী ছিলেন। সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, রফিকুল ইসলাম প্রতিদিনই মাদক সেবন করতেন। এ নিয়ে স্ত্রী ও ছেলের সাথে প্রতি রাতেই রাগারাগি হতো। মূলত সংসারে অশান্তি থেকেই মা ও ছেলে এক সপ্তাহ আগে থেকে পরিকল্পনা করেন এবং ধারালো দা দিয়ে ঘুমন্ত বাবাকে জবাই করে হত্যা করেন। পরে তারা বাঁচতে নাটক সাজান। কিন্তু প্রাথমিক জিজ্ঞাসায় সব কিছু স্বীকার করেছেন মা ও ছেলে। তাদের দেওয়া তথ্য মতেই পাশের পুকুর থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র এবং রক্তমাখা জামা কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। - বিষয় : - নাটোর - ব্যবসায়ীকে হত্যা - গ্রেফতার
বাকপ্রতিবন্ধী ছেলের হাতে প্রাণ গেল মায়ের
নাটোরে বাকপ্রতিবন্ধী ছেলের হাতে শহীদা বেগম (৫৫) নামের এক মায়ের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত প্রায় ১১টার দিকে শহরের মল্লিকহাটি ঘোষপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শহীদা বেগম ওই এলাকার মৃত স্টারের স্ত্রী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে আরিফকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শহীদা বেগমের বাকপ্রতিবন্ধী ছেলে আরিফ প্রায়ই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে বিরোধে জড়াতেন। এর আগেও সে কয়েকবার শহীদা বেগমের ওপর হামলা করেছে। রোববার রাতে বাড়িতে মা ও ছেলে আরিফ ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। রাতে কোনো বিষয় নিয়ে আরিফ মায়ের চড়াও হন। এক পর্যায়ে ঘরে থাকা শিলপাটার পাথরের শিল দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই শহীদা বেগমের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে নাটোর সদর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত আরিফকে আটক করে। নাটোর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনসুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত বাকপ্রতিবন্ধী ছেলে আরিফকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর জেলা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আশিকুর রহমান/ডিএ
চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ঘুমন্ত ব্যবসায়ীকে হত্যা করে স্ত্রী ও ছেলে
এক সপ্তাহ আগেই পরিকল্পনা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ঘুমন্ত ব্যবসায়ীকে হত্যা করে স্ত্রী ও ছেলে Advertisement সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ১০:১৮ পিএম কুপিয়ে ঘুমন্ত ব্যবসায়ীকে হত্যা করে স্ত্রী ও ছেলে নাটোরের সিংড়ায় রফিকুল ইসলাম ওরফে রুবেল (৪৫) নামের এক মৎস্য ব্যবসায়ীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাংস কাটার চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে হত্যা করেন নিজের স্ত্রী ও ছেলে। আর এ হত্যার পরিকল্পনা করেন এক সপ্তাহ আগেই। সোমবার সকালে উপজেলার ইটালী ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামে ওই ব্যবসায়ীর নিজ শয়ন কক্ষের মেঝে থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যবসায়ী একই গ্রামের পল্লী চিকিৎসক মৃত কেরামত আলীর ছেলে। লাশ উদ্ধারের পর দেখা যায় তার গলার সামনের অংশ সিংহভাগ কাটা ও ঘটনার সময় ধস্তাধস্তিতে দুই হাতেও ধারাল অস্ত্র দিয়ে কাটার দাগ রয়েছে। পরিবারের মধ্যে মনোমালিন্য থেকেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে গিয়ে নিহত ব্যবসায়ীর স্ত্রী শিউলি বেগম ও ছেলে সাইফুদ্দিন সিদ্দিক ওরফে রয়েলকে আটক করেছে পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া তথ্যে বাড়ির সামনের পুকুর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাপাতি ও স্ত্রী এবং ছেলের রক্তাক্ত কাপড় উদ্ধার করেছে পুলিশ। সিংড়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলার ইটালী গ্রামের মৎস্য ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে গলা কেটে হত্যার খবর পেয়ে লাশ উদ্ধারে যায় পুলিশ। নিহত ব্যক্তির পরিবারের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তার স্ত্রী ও ছেলের সঙ্গে রাগারাগি করে রাতে পাশের কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন ওই ব্যবসায়ী। সকালে তার শয়ন কক্ষের মেঝেতে গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়। ওসি আরও জানান, নিহতের স্বজনদের চোখে পানি থাকলেও স্ত্রী ও ছেলের মধ্যে কোনো অনুভূতি ও শোকের মাতম ছিল না। বিষয়টি সন্দেহ হলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার তথ্য বের হয়ে আসে। এ ঘটনায় স্ত্রী ও ছেলেকে আটক করা হয়েছে। মূলত সংসারে অশান্তি থেকেই মা ও ছেলে এক সপ্তাহ আগে থেকে পরিকল্পনা করেন। চাপাতি দিয়ে ঘুমন্ত বাবাকে তার মায়ের সামনেই জবাই করে হত্যা করে আপন ছেলে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, নিহত ব্যক্তি প্রতিনিয়তই গাঁজা সেবন এবং স্ত্রীকে মারধর করতেন। এ নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে পরিবারে অশান্তি বিরাজ করছিল।
