সহকর্মীকে অফিস কক্ষে পেটালেন শিক্ষিকা
Why this classification
Classified as violence because a teacher physically beat another teacher with a cane inside a school office, resulting in injuries, as verified by direct witness and participant accounts.
Killed
0
Injured
1
Summary
পিরোজপুরের জিয়ানগরে ইন্দুরকানী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলার জার্সি খুঁজে না পাওয়ার জেরে সহকারী শিক্ষিকা আসমা আক্তার অপর শিক্ষিকা হালিমা সুলতানাকে বেত দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সহকর্মীকে অফিস কক্ষে পেটালেন শিক্ষিকা
ইন্দুরকানী মডেল বিদ্যালয় সহকর্মীকে অফিস কক্ষে পেটালেন শিক্ষিকা Advertisement পিরোজপুর ও জিয়ানগর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ জিয়ানগরে একটি স্কুলে ক্লাস চলাকালীন এক শিক্ষিকাকে পিটিয়ে আহত করেছেন আরেক শিক্ষিকা। রোববার উপজেলা সদরের ইন্দুরকানী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী এক শিক্ষক জানান, রোববার বেলা ১টার দিকে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে বসে ছেলেদের খেলার জার্সি খুঁজে না পাওয়ায় সহকারী শিক্ষিকা আসমা আক্তার ও হালিমা সুলতানার মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আসমা আক্তার উত্তেজিত হয়ে বেত দিয়ে হালিমা সুলতানাকে সজোরে ৪-৫টি আঘাত করেন। এসময় অফিসকক্ষে অন্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাড়াও বেশ কয়েকজন অভিভাবক এবং শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষিকা আসমা আক্তার এর আগেও বিদ্যালয়ের অন্য এক শিক্ষককে জুতা নিয়ে মারতে উদ্যত হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি প্রায়ই অন্য শিক্ষিকাদের বকাঝকা করেন। অভিযুক্ত শিক্ষিকা আসমা আক্তার গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, ‘কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হালিমা সুলতানা আমাকে মারতে এলে আমি তাকে দু-তিনটি পিটানি দিয়েছি।’ প্রধান শিক্ষক সেকান্দার আলী খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার বলেন, ‘আমি মৌখিকভাবে বিষয়টি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
