চাঁদা না পেয়ে চাঁদনপুরা ডিডিএন-এ সশস্ত্র লুট

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The attack was motivated by a loan demand and involved looting and vandalism of a private internet service provider, with no political party or election motive mentioned, so it is not classified as political violence.

Reported by:JugantorSingle source
13/07/26•Chandhanpura Access Road

Killed

0

Injured

0

Summary

১৩ জুলাই চাঁদনপুরা এক্সেস রোডে ডিজিটাল ডটনেটের অফিসে সশস্ত্র হামলা, ভাঙচুর ও ৩৫ লাখ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। অপরাধীরা বিদেশি পিস্তল, রামদা ও ছোরা ব্যবহার করে কম্পিউটার ও ল্যাপটপ নষ্ট করেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

আদিল বিন মামুনডেভিড ইমনমো. শামশুদ্দোহা মিনহাজসিএমপি সিনিয়র সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশীদ যুগান্তর

Affected infrastructure

computerslaptopsoffice premises

Tags

RobberyExtortionVandalism

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 14/07/26open original ↗

চট্টগ্রামে হুমকির পর প্রকাশ্যে হামলা-ভাঙচুর ও লুট, ভিডিও ভাইরাল

চট্টগ্রামে হুমকির পর প্রকাশ্যে হামলা-ভাঙচুর ও লুট, ভিডিও ভাইরাল Advertisement চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:০১ এএম ভিডিও থেকে নেওয়া চট্টগ্রাম মহানগরে চাঁদা না পেয়ে একটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা, ভাঙচুর ও টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে নগরের চকবাজার থানার চন্দনপুরা এক্সেস রোড এলাকায় অবস্থিত ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ডটনেট (ডিডিএন)-এর কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, চট্টগ্রামে ইন্টারনেট ব্যবসায়ী আদিল বিন মামুনের কাছে ২ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে না পেয়ে তার প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগী পরিচয় দিয়ে ‘ডেভিড ইমন’ নামের এক ব্যক্তি টেলিফোনে এই চাঁদা দাবি করে দুই দিনের আলটিমেটাম দেন। বলেন, ‘দুই কোটি টাকা দেন, নইলে ব্যবসা গুটিয়ে ফেলেন।’ সময় শেষ হওয়ার পর সোমবার দুপুরে চন্দনপুরায় ডিজিটাল ডট নেট (ডিডিএন) নামের ওই প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে হামলা-ভাঙচুর চালিয়ে ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীদের একটি দল। এ ঘটনায় চকবাজার থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। হামলার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ডিডিএন নামে ওই প্রতিষ্ঠানে হামলা করে সন্ত্রাসীরা। চকবাজার থানার চন্দনপুরা এক্সেসরোড এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র অবস্থায় ঢোকে ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সি ৩০-৪০ জনের সন্ত্রাসী দল। তারা একের পর এক বিভিন্ন কম্পিউটার-ল্যাপটপ ভাঙচুর করে। বেশির ভাগ সন্ত্রাসীর মুখে মাস্ক ছিল। কয়েকজনের হাতে বিদেশি পিস্তল দেখা গেছে। কারও কারও হাতে ছিল রামদা, শাবল ও ধারালো ছোরা। এ সময় ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেশ আতঙ্কিত দেখা যায়। তবে সন্ত্রাসীরা কর্মীদের ওপর কোনো হামলা করেনি। এ ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মো. শামশুদ্দোহা মিনহাজ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। ডিডিএন-এর কর্ণধার আদিল বিন মামুন যুগান্তরকে বলেন, আমার কাছে এককালীন ২ কোটি টাকা এবং প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিল। আমি দিইনি। এ কারণে দিনদুপুরে প্রকাশ্যে প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। সিএমপির সিনিয়র সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশীদ যুগান্তরকে বলেন, পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদিলকে কথিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের হুমকি দেওয়ার একটি ফোনকল রেকর্ডও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে ওই সন্ত্রাসীকে বলতে শোনা যায়, ‘পুলিশ কমিশনারের কাছে আমার পরিচয় জেনে নিয়েন।’ ওই কথোপকথনে আরও যা রয়েছে- ডেভিড ইমন : আমি ডেভিড ইমন বলতেছি। আপনি আমার ডিটেইলস পুলিশ কমিশনার থেকে জিজ্ঞেস করেন, আমার নম্বরটা দেখেন। আপনি চিনেও না চিনার ভান করতেছেন। আমি আপনাকে বলতেছি যে ব্যবসা আমরাই এখন থেকে করব, আপনারা ব্যবসা-বাণিজ্য কইরেন না। ব্যবসা-বাণিজ্য যদি করেন, স্মার্ট গ্রুপের মুজিব্যার ঘরে কী হয়ছে তো দেখছেন। স্মার্ট গ্রুপের মুজিবের কাছে গিয়ে আমার কথা জিজ্ঞেস কইরেন। আপনাকে আমি দুইদিন টাইম দিছি। দুইদিনের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য গোছাই ফেলবেন। আমাদের পোলাপান ব্যবসা করবে। ১৭/১৮ বছর ব্যবসা করছেন। আর কত করবেন। আদিল : আমি বলতেছি যে চিটাংশহরে (চট্টগ্রাম শহরে) তো অনেকগুলো কোম্পানি বিজনেস করে। ডেভিড ইমন : সবাই আমাদের সাথে সমন্বয় করে ব্যবসা করতেছে। আপনি খবর নিয়ে দেখেন। অক্সিজেন বলেন, হাটাহাজারী বলেন-সবাই আমাদের সাথে সমন্বয় করে ব্যবসা করতেছে। মুরাদপুর বলেন-সবাই। আপনারা ছাড়া। আপনি আর ব্যবসা করিয়েন না, আপনাকে আমি দুই দিন টাইম দিছি, দুই দিনের ভিতর আপনার ব্যবসা গুটাই ফেলবেন। আমার পোলাপাইনরা ব্যবসা করবে। আমরা তো চাঁদাবাজি করতে পারব না। ব্যবসা করে তো পোলাপাইন চালাইতে হবে। আদিল : বলেন না কী করতে হবে। আমি তো ভাবছি শুধু আমার ওপর ক্ষোভ। ডেভিড ইমন : আমি শুধু আপনাকে কল দিইনি। আমরা পুরো চিটাগাং শহরে ব্যবসা করতেছি। গার্মেন্টস বলেন, নেটের ব্যবসা বলেন। সবকিছু তো পোলাপাইন করতেছে। আমরা চাঁদাবাজি করতেছি না। কাউকে মেরে টাকা নিচ্ছি না। ব্যবসা করে টাকা নিচ্ছি। আদিল : আমরা আপনাদের কীভাবে সহযোগিতা করতে পারি বলেন। ডেভিড ইমন : কথা হচ্ছে আপানারা কি সহযোগিতা করবেন। আমার পোলাপাইন এতবার কল দিতেছে। আপানারা কল তুলছেন না। আদিল : কই আমাকে কেউ কল দেয়নি। ডেভিড ইমন : এখন পোলাপাইন গিয়ে যদি তারমার কেটে দেয়। এইগুলো কি আপনাদের ভালো লাগবে? আমি দুই দিনের টাইম দিছি। দুই দিনের ভেতরে সবকিছু গোছাই নিবেন। দুইদিন পর যদি দেখি আপনার ব্যবসা আপনি চালিয়ে যাচ্ছেন। তাহলে দুই দিন পর সময় হলে বুঝে নিয়েন। আদিল : আপনি থ্রেট দিয়ে কথা বলতেছেন কেন, সেটা বুঝতেছি না। ডেভিড ইমন : থ্রেট দিয়ে কথা বললে কি হয়েছে। আপনি এস আলমের ভাগিনা বলে আপনাকে থ্রেট দিতে পারব না? আপনাকে থ্রেট দিলে কী হয়েছে। আপনি স্মার্ট গ্রুপের মুজিব্যা থেকে বড় হয়ে গেছেন। আদিল : ভাই, আমি এস আলমের ভাগিনা, এটা আপনাকে বলছে কে? ডেভিড ইমন : আপনার কাছ থেকে কি টাকা চাইছি। ১৭-১৮ বছর ব্যবসা করছেন। এখন আর কইরেন না। এখন আমার পোলাপাইন আছে। তারা করবে। আদিল : ওরা ব্যবসা করুক না। ডেভিড ইমন : যারা ব্যবসা করতেছে তারা সবাই সমন্বয় করে করতেছে। যারা সমন্বয় করবে না। তারারটা তারা বুঝে নিবে। সবারটা আপনার সাথে মিলাইলে হবে না। সময় হলে বুঝবে। আদিল : প্রথম পরিচয়েই যদি বলেন ব্যবসা করতে পারব না, তাহলে আপনার সঙ্গে কীভাবে ইয়া করব, বলেন। ডেভিড ইমন : যদি ব্যবসা করেন তাহলে ২ কোটি টাকা রেডি রাখবেন। প্রতিমাসে ১০ লাখ টাকা করে দিবেন। তাহলে ব্যবসা করেন। না হলে ব্যবসা কইরেন না।