বিএনপি নেতা ও তার বৃদ্ধ শাশুড়িকে কুপিয়ে জখম
Why this classification
This is a specific violent incident on 11 April 2026 in which a group armed with iron rods, machetes and hammers attacked BNP leader Saifur Islam Shimul and his elderly mother-in-law, leaving both injured and hospitalised. The attack followed a dispute over a local madrasa and Eidgah committee, and it happened within the recent reporting window.
Killed
0
Injured
2
Summary
ঢাকার নবাবগঞ্জে ১১ এপ্রিল ২০২৬ (শনিবার) সকালে মাদ্রাসা ও ঈদগাহ কমিটির বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম শিমুল ও তার শাশুড়ি রমেলা বেগমকে একদল লোক কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। অভিযোগ রয়েছে, আজিজ মাষ্টারের ছেলে সিফাতের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়, যদিও অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বিএনপি নেতা ও তার বৃদ্ধ শাশুড়িকে কুপিয়ে জখম
বিএনপি নেতা ও তার বৃদ্ধ শাশুড়িকে কুপিয়ে জখম Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৯ এএম ঢাকার নবাবগঞ্জে মাদ্রাসা ও ঈদগাহ কমিটিকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম শিমুল (৪৭) ও তার শাশুড়ি রমেলা বেগম (৬০)-কে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে দূবৃর্ত্তরা। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে নবাবগঞ্জ-সিংগাইর উপজেলার সীমান্তবর্তী দক্ষিণ জামসা গাজী চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাইফুল ইসলাম শিমুল উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের দুধঘাটা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মাষ্টারের ছেলে। তিনি শোল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তবে আহতের স্ত্রী মৌসুমি আক্তারের দাবি, আমার স্বামীকে যারা কুপিয়ে আহত করেছে তাদের বাসাও নবাবগঞ্জ আমাদের বাসাও নবাবগঞ্জ, কিন্তু এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানার ওসি কোনো মামলা নিচ্ছে না। স্থানীয় সূত্রে ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগে জানা যায়, দুধঘাটা-জামসা-সুকানিপাড়া মাদ্রাসা ও ঈদগাহ'র কমিটি নিয়ে স্থানীয় আজিজ মাষ্টার, ইউনুস সুকানি, হাতেম আলী, শহীদুল্লাহ কাজীদের সঙ্গে শোল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শিমুলসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার স্থানীয় প্রশাসনসহ দু’পক্ষ মাঠে বসা হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় এক পর্যায়ে বিষয়টি ঈদুল আজহার পর মিমাংসার প্রস্তুাবনায় ছিল। এ সময় কাজী শহিদুল্লাহ বিএনপি নেতা শিমুলকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগে বলা হয়। আহত বিএনপি নেতা শিমুল জানান, শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে দুধঘাটার বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল করে জামসা বাজারের যাচ্ছিলেন। শাশুড়ি বাড়ি যাবেন, তাই গাড়িতে তুলে দিতে সঙ্গে নেন। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় আজিজ মাষ্টারকে দেখেন শিমুল। জামসা বাজার যাওয়ার সময় দক্ষিণ জামসা গাজী চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়ে লোহার রড, চাপাতি, হাতুড়ি নিয়ে ৮-১০ জন লোক আগে থেকে অবস্থান করছিল। সেখানে শিমু আসামাত্র পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাস্তার তিনদিক থেকে এসে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তারা। পরে আজিজ মাষ্টারের ছেলে সিফাতের নেতৃত্বে বিএনপি নেতা শিমুলের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারী সিফাত শিমুলের মাথায় আঘাত করে গাড়ি থেকে ফেলে দেয়। পরে সিফাতসহ অন্যরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে তাকে গুরুত্বর আহত করে। এসময় শিমুলের শাশুড়ি জামাইকে বাঁচাতে গেলে তাকেও কুপিয়ে আহত করে হামলাকারীরা। পাশের জমিতে কাজ করা শ্রমিকরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় সকাল সাড়ে ৯টা দিকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করেন তাদের। অভিযুক্ত আজিজ মাষ্টার ও কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, আমাদের নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট ভিত্তিহীন। মারামারির বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না বলে দাবী করেন। খবর পেয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খন্দকারসহ নেতাকর্মীরা হাসপাতালে ছুটে আসেন। খন্দকার আবুল কালাম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে আমি হাসপাতালে ছুটে এসেছি। ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য দলের পক্ষ থেকে আহতের পরিবারের পাশে সবসময় থাকব। শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। অপরাধী যেই হোক তাকে আইনগতভাবে ছাড় দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে আহতের স্ত্রী মৌসুমি আক্তার বলেন, আমার স্বামীকে ওরা চিরতরে মেরে ফেলার জন্য এ হামলা চালিয়েছিল। আমি এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিচার চাই। তবে নবাবগঞ্জ থানার ওসি এ ঘটনায় মামলা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম খান জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে এসেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে সরেজমিনে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কেউ মামলা করতে আসেনি। আসলে আমি আইনগতভাবে সকল সহযোগিতা করব।
