বাড়িওয়ালার হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে বাড়ি দখল
Why this classification
This incident was classified as criminal violence because it involves extortion, threats, and illegal occupation of property by a tenant against a landlord, with no political motives or party affiliations involved.
Killed
0
Injured
0
Summary
নাটোরের বড়াইগ্রামে ভাড়াটিয়া কর্তৃক বাড়ির মালিককে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া এবং পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ছেলে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাত-পা বেঁধে জুট মিলে দুর্ধর্ষ ডাকাতি
নাটোরের লালপুরে একটি জুট মিলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা মিলের কর্মীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিলের গুদাম ও বিভিন্ন কক্ষে লুটপাট চালায়। লুটকৃত মালামালের দাম ৮৩ লাখ টাকা বলে দাবি মিল কর্তৃপক্ষের। শনিবার (৩০ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার অর্জুনপুর বরমহাটি ইউনিয়নের শ্রীরামগাড়ী এলাকায় অবস্থিত 'সাজিদ জুট মিলস'-এ এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাত দল প্রায় চার ঘণ্টা ধরে মিলের ভেতর তাণ্ডব চালিয়ে ট্রাকে করে মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। রোববার (৩১ মে) মিলের স্বত্বাধিকারী সাজিদ মল্লিক বাদী হয়ে ৩৫-৪০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে লালপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। থানা-পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুখে মাস্ক, হাফ প্যান্ট ও গেঞ্জি পরিহিত ৩৫-৪০ জনের একটি সশস্ত্র দল জুট মিলের ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা জুট মিলে কর্মরত কর্মীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। এরপর পুরুষ ও নারীদের আলাদা কক্ষে হাত-পা বেঁধে তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত ডাকাতরা মিলের গুদাম ও বিভিন্ন কক্ষে লুটপাট চালায়। তারা মিলের একটি ৬৩০ কেভিএ ট্রান্সফর্মার (আনুমানিক মূল্য ১৪ লাখ টাকা), সাব-স্টেশনের যন্ত্রাংশ (১৫ লাখ টাকা), প্রায় ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের বৈদ্যুতিক তার, ৪টি ব্যাটারি (১ লাখ ৬০ হাজার টাকা), ১৫টি ২৫ হর্স পাওয়ারের মোটর (১০ লাখ টাকা) এবং প্রায় ৬ লাখ টাকার খুচরা যন্ত্রাংশ লুট করে। এ ছাড়া, কর্মীদের কাছ থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ প্রায় ২ লাখ টাকাও ছিনিয়ে নেয় তারা। ভোর ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে ডাকাতরা লুট করা মালামাল একটি ট্রাকে তুলে পালিয়ে যায়। জুট মিলের মালিক সাজিদ মল্লিক বলেন, কর্মচারীদের হাত-পায়ের বাঁধন খুলে দেওয়ার পর তারা আমাকে বিষয়টি জানান। এই ঘটনায় আমরা সবাই আতঙ্কিত। আমি প্রশাসনের কাছে দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তার ও আমাদের সর্বস্ব ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে জানান, বাদীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে একটি ডাকাতির মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং সারা দেশের থানাগুলোতে বার্তা পাঠানো হয়েছে। আসামিদের শনাক্তকরণ ও মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত। আশিকুর রহমান/এএমকে
বাড়িওয়ালার হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে বাড়ি দখল
বড়াইগ্রামে ভাড়াটিয়ার কাণ্ড বাড়িওয়ালার হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে বাড়ি দখল Advertisement বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বড়াইগ্রামে ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে বাড়ির মালিককে জিম্মি করে ফাঁকা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে বাড়ি দখল চেষ্টা ও পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে ভুক্তভোগীর ছেলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লালপুরের নাওদাড়ার সাজদার রহমানের (৬৫) একটি বাড়ি রয়েছে। পাঁচ মাস ধরে বড়াইগ্রামের আটুয়ার জহুরুল ইসলাম বাড়ির একটি ইউনিট ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি তিনি বাড়ির মালিককে না জানিয়েই বাড়ির আরও দুটি ইউনিট দুজনকে ভাড়া দেন। বিষয়টি জানতে পেরে সাজদার রহমান অনুমতি ছাড়া বাসা ভাড়া দেওয়ার কারণ জানতে চান এবং সবার কাছ থেকে ভাড়া চান। এতে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৯ আগস্ট সাজদার রহমানের হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে ছয়টি ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোর করে সই করিয়ে নেন। একই সঙ্গে তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে তারা। এ টাকা না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ভবিষ্যতে ওই বাড়িতে যেতে নিষেধ করে। অভিযুক্ত জহুরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ওই বাসায় থাকতাম, তবে বাড়িওয়ালা ভাড়া দিতে হবে না বলেছিল, সেজন্য আমি ভাড়া দিইনি। আর হাত-পা বাঁধা বা জোর করে স্ট্যাম্পে সই নেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
