স্কুলছাত্রী নিশাত হত্যার রহস্য উদঘাটন

AI-classifiedconfidence 93%

Why this classification

A six-year-old girl was murdered by a neighbour who suffocated her with his vest after she objected to his sexual advances and threatened to tell her mother. The body was found in a sack on 17 April, and the accused was taken into custody on 18 April, so this is a recent, concrete killing in Brahmanbaria.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
15/04/26•মোহনপুর গ্রাম, সদর উপজেলা

Killed

1

Injured

0

Summary

১৫ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোহনপুর গ্রামে ৬ বছরের শিশু নিশাতের শরীরে অনৈতিক উদ্দেশ্যে হাত দেওয়ার চেষ্টার সময় বাধা পেয়ে প্রতিবেশী ইসহাক মিয়া গেঞ্জি দিয়ে মুখ চেপে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। ১৭ এপ্রিল বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের পর ১৮ এপ্রিল পিবিআই অভিযুক্ত ইসহাককে হেফাজতে নেয়।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

93% · severity 9

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Ishaq Mia (accused neighbour, auto-rickshaw driver)Nishat (6-year-old victim, nursery student)Sachin Chakma (Superintendent of Police, Brahmanbaria)Akhlima Akter (victim's mother, complainant)Abu Sadek Mia (victim's father, Saudi expatriate)PBI (Police Bureau of Investigation)

Tags

Sexual HarassmentMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 18/04/26open original ↗

স্কুলছাত্রী নিশাত হত্যার রহস্য উদঘাটন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্কুলছাত্রী নিশাত (৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অনৈতিক কাজে বাধা দেওয়ায় ইসহাক মিয়া নামে এক প্রতিবেশী শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে বলে জানিয়েছেন পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার সচীন চাকমা। অভিযুক্ত ইসহাককে শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার মোহনপুর গ্রাম থেকে হেফাজতে নিয়েছে পিবিআই। ইসহাক পেশায় একজন অটোরিকশাচালক। এর আগে, নিখোঁজের দুইদিন পর শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি খোলা জায়গা থেকে নিশাতের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পরে নিশাতের মা আকলিমা আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তার আগে ১৫ এপ্রিল দোকান থেকে চিপস কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় নিশাত। সে মোহনপুর গ্রামের সৌদিআরব প্রবাসী আবু সাদেক মিয়ার মেয়ে এবং স্থানীয় একটি স্কুলের নার্সারী বিভাগের ছাত্রী ছিল। পুলিশ সুপার সচীন চাকমা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইসহাক হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। ঘটনার দিন (১৫ এপ্রিল) দুপুরে মোহনপুর গ্রামের একটি স্কুলের সামনে নিশাতের সঙ্গে তার দেখা হয়। পরে সে ঘুরানোর কথা বলে নিশাতকে নিয়ে সদর উপজেলার রসুলপুর এলাকার একটি পার্কে যায়। সারাদিন ঘুরে রাত ১০টার দিকে নিশাতকে নিয়ে গ্রামে ফিরে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে তরপর নিশাতকে বাড়িতে যেতে বলে। ওইদিন বাড়িতে ইসহাক একাই ছিল বাড়িতে৷ তার স্ত্রী-সন্তান ছিল শ্বশুর বাড়িতে। তিনি আরও বলেন, ইসহাকের উদ্দেশ্য ছিল রাতে সে নিশাতের সঙ্গে অনৈতিক কাজ করবে। এ পর্যায়ে নিশাতের স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিলে বাড়িতে গিয়ে তার মাকে বলে দেবে বলে জানায়৷ এ ঘটনার পর জানাজানি হওয়ার ভয়ে ইসহাক তার গেঞ্জি দিয়ে নিশাতের মুখ চেপে ধরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এএমকে

Source 2: Jugantor · 19/04/26open original ↗

অনৈতিক কাজে বাধা দেওয়ায় শিশুকে হত্যা

অনৈতিক কাজে বাধা দেওয়ায় শিশুকে হত্যা দুদিন পর মিলল লাশ Advertisement ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর শুক্রবার নিশাত নামের ছয় বছর বয়সি শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে। অনৈতিক কাজে বাধা দেওয়ায় প্রতিবেশী ইসহাক মিয়া শিশুটিকে হত্যা করে জানিয়েছে পুলিশ। ওই আসামি পুলিশের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। নিশাত সদর উপজেলার মোহনপুর গ্রামের আবু সাদেক মিয়ার মেয়ে ও স্থানীয় একটি কিন্ডার গার্টেনের নার্সারি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার শিশুর লাশ দাফন করা হয়। এর আগে শুক্রবার দুপুরে বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি খোলা জায়গা থেকে বস্তাবন্দি লাশটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আসামিকে শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে আনে পুলিশ। তখন ঘটনার সঙ্গে ইসহাক জড়িত বলে নিশ্চিত হয় এলাকাবাসী। ক্ষোভে তারা ইসহাকের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়। শিশুটির পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, ১৫ এপ্রিল দুপুরে নিশাত চিপস কেনার কথা বলে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর থেকে তার খোঁজ মিলছিল না। এ ঘটনায় সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। শুক্রবার দুপুরে এক যুবক নিশাতের বাড়ির দূরে একটি বস্তার ভেতর লাশ দেখতে পায়। ওই শিশুর পরিবার কাপড় দেখে লাশ শনাক্ত করে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইসহাক হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে। ঘটনার দিন দুপুরে মোহনপুর গ্রামের একটি স্কুলের সামনে নিশাতের সঙ্গে তার দেখা হয়। সে ঘুরানোর কথা বলে নিশাতকে নিয়ে সদর উপজেলার রসুলপুর এলাকার একটি পার্কে যায়। সারা দিন ঘুরে রাত ১০টার দিকে গ্রামে ফিরে নিশাতকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে শিশুটির স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেয় সে। বাড়িতে গিয়ে মাকে বলে দেওয়ার কথা বললে ইসহাক তার গেঞ্জি দিয়ে নিশাতের মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। সে লাশ বস্তায় ভরে রাতে ঘরেই রাখে। একদিন পর লাশ এনে বাইরে ফেলে রেখে যায়। পিবিআই পুলিশ সুপার সচীন চাকমা বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে তার বাসায় গিয়ে শ্বাসরোধে ব্যবহার করা গেঞ্জিটি উদ্ধার করি। যে পার্কে ঘুরতে যায়, সেখানেও আসামিকে নেওয়া হয়। মনে হচ্ছে ইসহাক একাই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে। এরপরও অন্য কারও জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।