খুলনায় হঠাৎ মোটরসাইকেলে এসে সাংবাদিকদের আড্ডাস্থলে গুলি

AI-classifiedconfidence 98%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Khulna. Parties reported: Unidentified attackers, Journalists, BNP. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 4 sources.

Reported by:Prothom AloSamakalAjker PatrikaJugantorDhaka PostCorroborated · 5 sources
14/07/26•জাতিসংঘ শিশুপার্কের পশ্চিম পাশ, খুলনা নগর

Killed

0

Injured

1

Summary

২০২৬ সালের ১৪ জুলাই রাতে খুলনা নগরের জাতিসংঘ শিশুপার্কের পাশে সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা গুলি ছোড়ে। এতে স্প্লিন্টারের আঘাতে আওয়াল শেখ নামের এক সাংবাদিক সামান্য আহত হন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

98% · severity 4

Parties involved

Unidentified attackersJournalistsBNP

Tags

Gang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (6 sources)

Source 1: Samakal · 16/07/26open original ↗

এক্সক্যাভেটর নিয়ে এসে কৃষকের ঘের দখল

সারাদেশ এক্সক্যাভেটর নিয়ে এসে কৃষকের ঘের দখল × ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬ | ০৮:৪০ | প্রিন্ট সংস্করণ - অ + খুলনার ডুমুরিয়ায় আদালতের স্থিতাবস্থার নির্দেশ অমান্য করে এক কৃষকের ২ বিঘা ১৫ শতক জমিতে গড়ে তোলা মাছের ঘের দখলের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের মৌলভীপাড়া গ্রামের বিলে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীপাড়া গ্রামের বিলে কৃষক আব্দুল কাদের শেখের ২ বিঘা ১৫ শতাংশ জমি রয়েছে। সেখানে তিনি ঘের তৈরি করে মাছ ও পাড়ে সবজির চাষ করে আসছিলেন। ওই জমি নিজেদের দাবি করে আসছিলেন শোভনা ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নজরুল শেখ ওরফে নজু, সদস্য হযরত দফাদার, সালাম শেখ, হামিদ শেখ, বিশ্বজিৎ পরামানিক ও কৃষ্ণ পরামানিক। ২০২৪ সালের নভেম্বরে তারা জমিটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। এ ঘটনায় জমিমালিক কাদের শেখের ছেলে আনিজ শেখ বাদী হয়ে ওই ৬ জনের বিরুদ্ধে (৭২৯-২০২৫ নং) খুলনা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। এই পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ২০ অক্টোবর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দখলীয় জমিতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনা অমান্য করে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নজরুল শেখ ওরফে নজু, হযরত দফাদার, সালাম শেখ, হামিদ শেখ, বিশ্বজিৎ পরামানিক ও কৃষ্ণ পরামানিকের নেতৃত্বে একদল লোক এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাঁধ কেটে মাছের ঘেরটি দখল নেয়। এতে কাদের শেখের মাছ, সবজিসহ দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়। আব্দুল কাদের শেখের ভাষ্য, জমি তাঁর দখলে, মামলাও চলমান। আদালতের স্থিতাবস্থার নির্দেশও রয়েছে। এরই মধ্যে মাছ ও সবজি নষ্ট করে জোর করে তারা জমি দখল নিয়েছে। এ ঘটনায় তিনি কোথাও নালিশ করলে তাঁর অন্যান্য জমিও দখলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে হামলাকারীরা। এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নজরুল শেখ বলেন, ‘ভাগ্য ভালো, কাদের শেখ ও তাঁর ছেলেকে পায়ের নিচে ফেলে মারা হয়নি! যা করেছি, লিগ্যাল করেছি। যা বোঝার তা আদালতে গিয়ে বুঝবো।’ অপর দখলদার বিশ্বজিৎ পরামানিকের দাবি, ইউএনও-ওসির সঙ্গে কথা বলেই তারা জমি দখল নিতে গিয়েছিলেন। তবে এসব অস্বীকার করেন ইউএনও নমিতা সরকার এবং ওসি খন্দকার হাফিজুর রহমান। বিষয় : দখল আরও পড়ুন বাগেরহাটে নিজ ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার রায়পুরায় পানিতে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে চাই: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মসজিদের পাশে মুয়াজ্জিনকে গলাকেটে হত্যাচেষ্টা সর্বশেষ বাগেরহাটে নিজ ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার রায়পুরায় পানিতে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু বর্ষাকালে তেজপাতার পানি পানে যেসব সুফল মিলবে ‘কেউ আমাদের সুবিধা দেয়নি, আমরা সেরা বলেই ফাইনালে’ সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন আটক আবু সাঈদের চেতনা নতুন প্রজন্মকে জাগিয়ে তুলছে: শিবির সভাপতি সাদ্দাম গোল করে ইংল্যান্ড কেন খোলসে ঢুকে গিয়েছিল, জানালেন টুখেল ‎৬৬০০ এমএফএস অ্যাকাউন্ট-সংবলিত সিম জব্দ, গ্রেপ্তার ৬ আরও পড়ুন ×

Source 2: Ajker Patrika · 16/07/26open original ↗

সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ: অজ্ঞাত দুজনের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

খুলনা মহানগরীর জাতিসংঘ শিশুপার্ক এলাকায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ এবং একজন সাংবাদিককে আহত করার ঘটনায় খুলনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। দণ্ডবিধির ৩২৬ ও ৩০৭ ধারায় অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তিকে আসামি করে এ মামলা করা হয়।থানা সূত্রে জানা গেছে, খুলনা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তানজির রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলামের নির্দেশে গতকাল রাত ৯টার দিকে মামলাটি রুজু করা হয়। খুলনায় গভীর রাতে সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৪ জুলাই দিবাগত রাতে এসআই তানজির রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে খুলনা সদর থানা এলাকায় রাত্রিকালীন মোবাইল টহল ডিউটিতে ছিলেন। রাত ১২টা ১৫ মিনিটে ওয়্যারলেস বার্তার মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, সদর থানাধীন জাতিসংঘ শিশুপার্কের পশ্চিম পাশে আবদুল জলিল শেখের পানের দোকানের সামনে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উপস্থিত সাংবাদিক ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারে, রাত আনুমানিক ১২টা ৫ মিনিট থেকে ১২টা ১০ মিনিটের মধ্যে ওই চায়ের দোকানের সামনে সাংবাদিক আওয়াল শেখ, সৈয়দ হুমায়ুন কবির রানা, রকিবুল ইসলাম মতি, রফিউল ইসলাম টুটুল এবং খুলনা সদর থানা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক লেলিন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে করে আসা অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তি সাতরাস্তার মোড়ের দিক থেকে এসে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ছোড়া গুলিটি সাংবাদিক রকিবুল ইসলাম মতির বসে থাকা টুলে আঘাত করে। পরে সেটি সাংবাদিক আওয়াল শেখের বুকের ডান পাশ স্পর্শ করে বেরিয়ে যায়। এতে তিনি বুকের ডান পাশে আহত হন।গুলিবর্ষণের পর হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে দ্রুত শান্তিধাম মোড়ের দিকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন আহত সাংবাদিক আওয়াল শেখকে নগরীর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনি সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। এজাহারে এসআই তানজির রহমান উল্লেখ করেন, আকস্মিক এই হামলায় ভুক্তভোগী ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে মামলা করতে কিছুটা অনীহা থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া গুলির খোসা এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলায় জড়িত অজ্ঞাত দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Source 3: Dhaka Post · 15/07/26open original ↗

খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি

খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর জাতিসংঘ শিশুপার্কের পশ্চিম পাশে জলিলের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রতিদিন রাতে জলিলের দোকানের পাশে চেয়ার নিয়ে কয়েকজন সাংবাদিক কাজ শেষে আড্ডা দেন। আজও তারা এখানে বসে ৬ জন সাংবাদিক গল্প করছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে আসা দুজন যুবক তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। একটি গুলি প্লাস্টিকের চেয়ারে বিদ্ধ হয়। এসএ টিভির সাংবাদিক রকিবুল ইসলাম মতি বলেন, রাতে আমরা কয়েকজন সাংবাদিক এখানে আড্ডা দিচ্ছিলাম। দুজন যুবক তাদের লক্ষ্য করে পর গুলি ছোড়ে। একটি গুলি চেয়ারে বিদ্ধ হয়। পরপরই খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে দ্রুত পুলিশ আসে। সাংবাদিক সৈয়দ রানা কবির বলেন, দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলিটি চেয়ারে বিদ্ধ হয়। এর একটি স্প্রিন্টার সাংবাদিক আওয়ালের বুকে লেগে কিছু অংশ ছিলে যায়। তিনি সুস্থ আছেন। খুলনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ফায়ার্ডকৃত বুলেটের অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। কোনো হতাহতের খবর আমার জানা নেই। কি কারণে এখানে গুলির ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মোহাম্মদ মিলন/ডিএ

Source 4: Jugantor · 17/07/26open original ↗

সাংবাদিকদেরকে গুলি গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় আঘাত

টিআইবির উদ্বেগ সাংবাদিকদেরকে গুলি গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় আঘাত Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ খুলনায় পেশাগত দায়িত্ব শেষে মঙ্গলবার রাতে একসঙ্গে বসে থাকা সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনাকে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও উন্মুক্ত গণমাধ্যমের ওপর আঘাত হিসাবে উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়, মামলা করতে দ্বিধা সাংবাদিকদের মধ্যে থাকা ভীতির সংস্কৃতি ও আস্থার সংকটের প্রতিফলন। এ ঘটনার দ্রুত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হামলার সঙ্গে জড়িত সবাইকে চিহ্নিত করে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে টিআইবি। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, হামলাটি কোনো নির্দিষ্ট সাংবাদিককে লক্ষ্য করে বা কোনো বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে সংঘটিত হয়েছে কি-না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সাংবাদিকদের ওপর এই সশস্ত্র হামলা সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর আঘাত-এ বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। কোনো ধরনের প্রভাবের বশবর্তী না হয়ে বা কালক্ষেপণ না করে ঘটনার নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের মাধ্যমে হামলাকারী, পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতাদের শনাক্ত করে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তিনি আরও বলেন, তাছাড়া, শুধু মামলা দায়ের করাই যথেষ্ট নয়। হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী, হামলাকারীরা কারা, কার নির্দেশে হামলাটি সংঘটিত হয়েছে এবং সাংবাদিকদের পেশাগত কাজের সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি-না-এসব প্রশ্নের বিশ্বাসযোগ্য উত্তর নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, অতীতের মতো বিভিন্ন সময়ের মতো এ ঘটনাও বিচারহীনতার তালিকায় যুক্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে। ‘সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলিতে উদ্বিগ্ন নগরবাসী’: খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনায় নগরবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে সন্ত্রাসীরা জানিয়ে দিতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে কলম ধরা যাবে না। কিন্তু খুলনার সাহসী সাংবাদিকরা ঘটনার পর থেকেই রাজপথে কর্মসূচি পালন করছেন। সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে তারা ঐক্যবদ্ধ। আমরাও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার ঘাটতি এবং গুলিবর্ষণের ঘটনায় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ও উদ্বিগ্ন। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে সাংবাদিকদের কর্মসূচির প্রতি আমি একাত্মতা প্রকাশ করছি। গুলির ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন বলে জানিয়েছে যুগান্তরের খুলনা ব্যুরো। খুলনা প্রেস ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার। প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক বেল্লাল হোসেন সজলের পরিচালনায় বক্তব্য দেন ক্লাবের সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন, কোষাধ্যক্ষ বিমল সাহা, কার্যনির্বাহী সদস্য কেএম জিয়াউস সাদাত, ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা প্রমুখ।

Source 5: Prothom Alo · 15/07/26open original ↗

খুলনায় হঠাৎ মোটরসাইকেলে এসে সাংবাদিকদের আড্ডাস্থলে গুলি

খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি করলে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলি লাগে প্লাস্টিকের টুলে। গতকাল রাতে খুলনা নগরে জাতিসংঘ পার্কের পাশেছবি: সংগৃহীত খুলনা নগরে গতকাল মঙ্গলবার রাতে সাংবাদিকদের নিয়মিত আড্ডাস্থলে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সেখানে চার সাংবাদিক ও বিএনপির স্থানীয় এক নেতা ছিলেন। গুলির স্প্লিন্টারের আঘাতে এক সাংবাদিক সামান্য আহত হয়েছেন। গতকাল রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে খুলনা নগরের জাতিসংঘ শিশুপার্কের পশ্চিম পাশে জলিলের চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আরও পড়ুন খুলনা নগরে ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি, কারণ খুঁজছে পুলিশ ২৯ জুন ২০২৬ ঘটনাস্থলে ছিলেন দৈনিক আমাদের সময়–এর খুলনা প্রতিনিধি সৈয়দ হুমায়ুন কবির, এসএ টিভির খুলনা প্রতিনিধি রকিবুল ইসলাম, স্টার নিউজের প্রতিনিধি রফিউল ইসলাম, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড–এর প্রতিনিধি আওয়াল শেখ এবং খুলনা সদর থানা বিএনপির নেতা মোফাশ্বের আলম। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে কয়েকজন সাংবাদিক চায়ের দোকানটির সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় সাত রাস্তার দিক থেকে শান্তিধামের দিকে যাওয়া একটি মোটরসাইকেলে দুই যুবক এসে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এরপর হেলমেট পরা ওই যুবকেরা সেখান থেকে চলে যায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ বুধবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাব চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন। ঘটনাটিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে সাংবাদিক সৈয়দ হুমায়ুন কবির প্রথম আলোকে বলেন, গুলির একটি স্প্লিন্টার সাংবাদিক আওয়াল শেখের শরীরে লেগেছে। তাঁর সামান্য ছুলে গেছে, তিনি এখন সুস্থ আছেন। কেন তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে, তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না। ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিক রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা চার-পাঁচজন বসে কথা বলছিলাম। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে করে দুই দুর্বৃত্ত এসে গুলি চালায়। একটি গুলি গিয়ে আমার বসার টুলে লাগে। গুলি ছুড়ে তারা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।’ আরও পড়ুন তারা প্রকাশ্যে খুন করে, প্রচারণা চালায়, দোয়া চায় ফেসবুকে ০৫ জুন ২০২৬ এদিকে ঘটনাটিকে পরিকল্পিত এবং সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের কেউ একজন লক্ষ্যবস্তু ছিলেন বলে দাবি করেছেন সাংবাদিক রফিউল ইসলাম। ঘটনাস্থল থেকে একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (খুলনা জোন) শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, রাতের ঘটনায় আশপাশের সব সিসিটিভি ফুটেজ তাৎক্ষণিকভাবে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। একটি ফুটেজ পাওয়া গেছে, তবে সেটি অস্পষ্ট। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ বুধবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাব চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন। আরও পড়ুন খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে তরুণ আহত, বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ ০২ জুলাই ২০২৬ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন সাংবাদিকখুলনাঅপরাধখুলনা সিটিখুলনা বিভাগগুলি

Source 6: Prothom Alo · 16/07/26open original ↗

খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি টিআইবির

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনাকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আঘাত বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংগঠনটি ঘটনার দ্রুত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান এ দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, হামলাটি কোনো নির্দিষ্ট সাংবাদিক বা কোনো বিশেষ প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের সশস্ত্র হামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর আঘাত—এ বিষয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। তিনি বলেন, কোনো ধরনের প্রভাব বা কালক্ষেপণ ছাড়াই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হামলাকারী, পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, শুধু মামলা দায়ের করাই যথেষ্ট নয়। হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং সাংবাদিকদের পেশাগত কাজের সঙ্গে ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় অতীতের অনেক ঘটনার মতো এটিও বিচারহীনতার তালিকায় যুক্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকবে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের বরাত দিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হামলার শিকার সাংবাদিকেরা প্রথমে মামলা করতে অনাগ্রহী ছিলেন। বিষয়টিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা, নিরাপত্তাহীনতা এবং সাংবাদিক সমাজে বিরাজমান ভয়ের সংস্কৃতির কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, যে পরিবেশে হামলার শিকার ব্যক্তিরাই ন্যায়বিচার চাইতে ভয় পান, সেখানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকতে পারে না। তাই সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিটি হামলার বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন গণমাধ্যমগণমাধ্যমের স্বাধীনতা