এক ভাই খুন, আরেক ভাই আটক, বাবার লাশ রেললাইনের পাশে

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a real, recent incident in Tongi, Gazipur, where a 17-year-old was killed and his body was found cut in specific places, and his 55-year-old father's body was found on a nearby railway line. Police are investigating whether the father was murdered or died by suicide, and his surviving son has been detained for questioning.

Reported by:JugantorSingle source
26/04/26•উত্তর বনমালা, টঙ্গী

Killed

2

Injured

0

Summary

২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল (রোববার) ভোরে গাজীপুরের টঙ্গীর উত্তর বনমালায় মাদকাসক্ত বাবা সোহেল হোসেন দর্জি (৫৫) এবং তাঁর ছেলে সাকিব হোসেন দর্জি (১৭) মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়; সাকিবের লাশ ঘরের ভেতরে এবং সোহেলের লাশ পাশের রেললাইনে পড়ে ছিল। পুলিশ সাকিবের বড় ভাই সোহান দর্জিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং সাকিবের হত্যাকাণ্ডকে পূর্বপরিকল্পিত হিসেবে সন্দেহ করছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 9

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

সোহেল হোসেন দর্জি (৫৫) - নিহত বাবাসাকিব হোসেন দর্জি (১৭) - নিহত ছেলেসোহান দর্জি (৩০) - আটক বড় ভাইমহিউদ্দিন আহমেদ, উপ-কমিশনার, জিএমপি অপরাধ (দক্ষিণ বিভাগ)

Affected infrastructure

বসতঘরের কক্ষ

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 26/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 26/04/26open original ↗

এক ভাই খুন, আরেক ভাই আটক, বাবার লাশ রেললাইনের পাশে

এক ভাই খুন, আরেক ভাই আটক, বাবার লাশ রেললাইনের পাশে Advertisement টঙ্গী পূর্ব ও শিল্পাঞ্চল (গাজীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১২ পিএম ছবি: যুগান্তর গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই ছেলেকে নিয়ে এক রুমে ঘুমিয়ে থাকা বাবার পরিবারে আকাশ ভেঙে পড়েছে। এক ছেলেকে খুন করা হয়েছে আর বাবার লাশ পড়ে আছে রেললাইনের পাশে। এ ঘটনায় পুলিশ অক্ষত ছেলেকে আটক করে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) ভোরে টঙ্গীর উত্তর বনমালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাবা সোহেল হোসেন দর্জি (৫৫) উত্তর বনমালা গ্রামের মোস্তফা দর্জির ছেলে। নিহত ছেলে সাকিব হোসেন দর্জি (১৭) ঢাকার উত্তরা আনোয়ারা মডেল ডিগ্রি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। আটক সোহান দার্জি (৩০) সোহেলের ছেলে ও সাকিবের বড় ভাই। সোহেলের স্ত্রী এক বছর আগে মারা গেছেন। পুলিশ জানায়, সোহেল তার দুই ছেলে সাকিব ও সোহানকে নিয়ে একই ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। ভোরে চিৎকার চেচামেচি শুনে আশপাশের মানুষ বের হয়। এরপর রুমের ভেতরে সাকিবের লাশ ও পাশের রেললাইনে বাবা সোহেলের লাশ পাওয়া যায়। সাকিবের লাশের বিভিন্ন অংশ কাটা ছিল। তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সোহেল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মাদকসেবন নিয়ে পরিবারের অভ্যন্তরে দীর্ঘ কলহ ছিল। ঘটনার রাতে সোহেল তার দুই ছেলে—সাকিব ও সোহানের সঙ্গে একই ঘরে অবস্থান করেন। তদন্তকালে সাকিবের লাশ জখমের যে ধরণ পাওয়া গেছে, তা সাধারণ পারিবারিক কলহ থেকে ভিন্ন। সাকিবের মাথার পেছনে গভীর জখম, ডান হাতের কব্জি এবং বাম পায়ের গোড়ালির উপরের অংশ অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও নিখুঁতভাবে কাটা হয়েছে। এ ধরনের জখম সাধারণত কোনো পেশাদার অপরাধী বা ঠান্ডা মাথার পরিকল্পনাকারীর কাজ বলে ‘পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে। সাকিবের লাশ উদ্ধারের পর পার্শ্ববর্তী রেললাইন থেকে সোহেলের লাশ উদ্ধার করা হয়। এটি অনুশোচনা থেকে আত্মহত্যা নাকি হত্যার পর রেললাইনে ফেলে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে তা নিয়ে পুলিশি তদন্ত চলছে। একই ঘরে অবস্থান করা সত্ত্বেও সোহানের অক্ষত থাকা এবং দেওয়া বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকায় তার ভূমিকা নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে। এছাড়া মাদকাসক্ত বাবাকে ব্যবহার করে অন্য কেউ বা সোহান নিজে এ নৃশংসতায় জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অপরাধ (দক্ষিণ বিভাগ) উপ-কমিশনার মহিউদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, বাবা-ছেলে খুনের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জীবিত সোহানকে আটক করে জিজ্ঞাস্যবাদ করা হচ্ছে। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।