করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রীকে গাছে বেঁধে পেটালেন স্বামী

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a valid violence incident: on Tuesday 14 April 2026, a husband in Rowmari, Kurigram tied his wife to a tree and beat her with a stick after she was caught allegedly stealing bitter gourd from a field. The event is recent, took place in Bangladesh, and involved a physical beating.

Reported by:Dhaka PostJugantorSamakalCorroborated · 3 sources
14/04/26•বংশিপাড়া, দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন, রৌমারী

Killed

0

Injured

1

Summary

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়ায় ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (মঙ্গলবার) সকাল ৯টার দিকে জমি থেকে করলা চুরির অভিযোগে বদিয়া মিয়া তাঁর স্ত্রী ছালেহা বেগমকে (৪০) গাছে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটান। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

90% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

বদিয়া মিয়া (স্বামী, অভিযুক্ত)ছালেহা বেগম (৪০, ভুক্তভোগী)ফরহাদ হোসেন (জমির মালিক)আবুল হোসেন (দাঁতভাঙ্গা ইউপি সদস্য)

Tags

Domestic ViolenceThief Caught

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 16/04/26open original ↗

সবজি চুরির অভিযোগে নারীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

সবজি চুরির অভিযোগে নারীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ | ২১:০৮ | আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ | ১৯:৪৬ কুড়িগ্রামের রৌমারীতে করলা চুরির অভিযোগে এক নারীকে গাছে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরদিন বুধবার বিকেলে নির্যাতনের শিকার ওই নারী থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। স্থানীয়রা বলেন, দাঁতভাঙ্গা এলাকার কৃষক ফরহাদ হোসেন তার জমিতে করলা চাষ করেন। মঙ্গলবার সকালে খেত থেকে করলা তোলার সময় ছালেহা খাতুন (৪৫) নামের এক নারীকে আটক করা হয়। পরে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে মারধর করা হয়। ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করে বলেন, ফরহাদ হোসেনসহ কয়েকজন তাকে রশি দিয়ে গাছে বেঁধে রাখেন এবং তার স্বামীকে খবর দেন। এ সময় আশপাশের লোকজন জড়ো করে তাকে চোর আখ্যা দেওয়া হয়। তার স্বামী ঘটনাস্থলে এলে তাকেও মারধর করতে বলা হয়। তিনি দাবি করেন, স্বামীকে বাধ্য করা হয় তাকে মারধর করতে এবং এতে তাদের মানহানি হয়েছে। নারীর স্বামী বদিউজ্জামান বলেন, তাকে জোর করে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন, তার স্ত্রীকে গাছে বেঁধে মারধর করা হচ্ছে। তাকেও মারধর করা হয় এবং স্ত্রীকে মারতে বলা হয়। তিনি অস্বীকৃতি জানালে তাকেও শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়। পরে নিরুপায় হয়ে স্ত্রীকে আঘাত করতে বাধ্য হয়। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে খেতের মালিক ফরহাদ হোসেন বলেন, ওই নারী প্রতিনিয়ত এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটান। মঙ্গলবার আমার খেত থেকে করলা (সবজি) চুরির সময় হাতেনাতে তাকে আটক করা হয়। পরে দাঁতভাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পের সামনে থেকে ডেকে নিয়ে আসা হয় তার স্বামীকে। এ সময় বলা হয়, তুই এখন তোর বউয়ের বিচার করে নিয়ে যা। পরে ওই নারীর স্বামী তাকে মারধর করে নিয়ে যান। রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওছার আলী জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Source 2: Dhaka Post · 15/04/26open original ↗

করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রীকে গাছে বেঁধে পেটালেন স্বামী

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় জমি থেকে করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রী ছালেহা বেগমকে (৪০) গাছে বেঁধে পিটিয়েছেন স্বামী। এমন ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভু্ক্তভোগী ছালেহা বেগম একই ইউনিয়নের ছোটধনতোলা এলাকার বদিয়া মিয়ার স্ত্রী। তাদের নামে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকার ফরহাদ হোসেনের জমি থেকে করলা চুরি করে ছালেহা বেগম। এসময় জমির মালিকসহ এলাকাবাসী করলাসহ হাতেনাতে তাকে আটক করে। পরে ছালেহার পরিবারকে জানালে তার স্বামী বদিয়া মিয়া সকাল ৯টার দিকে এসে তাকে গাছে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটান। এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জমির মালিক ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘জমি থেকে প্রায়ই করলা চুরি হয়। পরে গোপনে থেকে ছালেহা নামের নারীকে এক বস্তা করলাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে বিষয়টি তার স্বামীকে জানালে, তিনি এসে গাছে বেঁধে তাকে পিটিয়েছেন।’ এ ঘটনায় দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য আবুল হোসেন বলেন, হাতেনাতে করলাসহ এক নারীকে আটক করে জমির মালিক। পরে ওই নারীর স্বামী এসে তাকে শাসন করে বাড়ি নিয়ে গেছেন। রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত (কর্মকর্তা) ওসি কাওসার আলী বলেন, করলা চুরির অভিযোগ স্বামী স্ত্রীকে পিটিয়েছে এমনটি শুনেছি। তবে এ বিষয় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মমিনুল ইসলাম/আরকে

Source 3: Jugantor · 15/04/26open original ↗

করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল Advertisement কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৬ পিএম করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন কুড়িগ্রামের রৌমারীতে করলা চুরির অভিযোগে এক নারীকে গাছে বেঁধে লাঠিপেটার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বংশীপাড়া গ্রামের কৃষক ফরহাদ হোসেনের জমি থেকে করলা তোলার সময় এক নারীকে (৪১) হাতেনাতে আটক করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তার কাছ থেকে বস্তাভর্তি করলা উদ্ধার করা হয়। পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানানো হলে সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তার স্বামী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। ভিডিওতে দেখা যায়, গরুর দড়ি দিয়ে দুজন মহিলা তাকে গাছের সঙ্গে শক্ত করে বাঁধছেন। আরও একাধিক পুরুষ লাঠি হাতে চারদিকে ঘিরে আছেন। কেউ কেউ ভিডিও করছেন। স্বামী লাঠি দিয়ে একের পর এক তার স্ত্রীকে প্রহার করছেন। আর নির্যাতনের কারণে গৃহবধূ চিৎকার করছেন। কেউ বাঁচাতে এগিয়ে না এলেও সবাই এ দৃশ্য দেখে মজা নিচ্ছিল। এ বিষয়ে জমির মালিক ফরহাদ হোসেন বলেন, আমার জমি থেকে প্রায়ই করলা চুরি হয়। তাই আগে থেকেই নজর রাখছিলাম। সকালে তাকে এক বস্তা করলাসহ ধরে ফেলি। পরে তার স্বামীকে খবর দিলে তিনি এসে মারধর করেন। দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবুল হোসেন বলেন, এক নারীকে করলাসহ আটক করা হয়েছিল। পরে তার স্বামী এসে তাকে শাসন করে বাড়িতে নিয়ে যান। তবে মারধরের বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত। রৌমারী থানার ওসি কাওছার আলী বলেন, ঘটনার ভিডিও দেখেছি। এভাবে কাউকে গাছে বেঁধে মারধর করা সম্পূর্ণ বেআইনি। কেউ অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।