স্কুলছাত্রীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a single, specific incident on 21 April 2026, reported in a primary news report. A local man allegedly tied up three primary school children with rope, raped one, and sexually harassed two others, which is a physical sexual assault within the scope of violence.

Reported by:SamakalSingle source
21/04/26•শাহজাদপুর পৌর এলাকা

Killed

0

Injured

0

Summary

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর এলাকায় ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে এক যুবক দড়ি দিয়ে চতুর্থ শ্রেণির তিন শিশুর হাত-পা বেঁধে তাদের একজনকে ধর্ষণ এবং অন্য দুজনকে যৌন হয়রানি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মামলার পর অভিযুক্ত সজীব পলাতক রয়েছে, এবং অভিযোগ অস্বীকার করে তার বাবা ষড়যন্ত্রের দাবি করেছেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

85% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

সজীব (আব্দুল হাইয়ের ছেলে, একমাত্র আসামি)আব্দুল হাই (অভিযুক্তের বাবা)ভুক্তভোগী শিশুর মাশাহজাদপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম

Tags

RapeSexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 21/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 28/04/26open original ↗

স্কুলছাত্রীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ স্কুলছাত্রীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রতীকী ছবি শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | ২২:৩০ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর এলাকায় এক যুবকের বিরুদ্ধে হাত-পা বেঁধে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ এবং দুই শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। গত ২১ এপ্রিল এ ঘটনা ঘটে। তবে মামলা হয়েছে গতকাল রোববার। মামলার একমাত্র আসামি আব্দুল হাইয়ের ছেলে সজীব। পুলিশ, ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২১ এপ্রিল দুপুরে আম দেওয়ার কথা বলে চতুর্থ শ্রেণির তিন শিক্ষার্থীকে বাড়িতে ডেকে নেয় সজীব। সে সময় বাড়িতে তার স্ত্রী ও বাড়ির লোকজন কেউ ছিল না। এই সুযোগে কৌশলে তাদের ঘরে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয় সজীব। সে দড়ি দিয়ে তিন শিশুর হাত-পা বেঁধে বিবস্ত্র করে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করে। পরে দুজনের সামনে এক শিশুকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর তিনজনকে ১০০ করে টাকা দিয়ে কাউকে কিছু না বলতে ভয় দেখায় সজীব। তিন শিশু টাকা না নিয়ে দৌড়ে বাড়ি ফিরে স্বজনদের বিষয়টি জানায়। ভুক্তভোগী শিশুটির অভিভাবকরা এলাকার মুরুব্বিদের কাছে গিয়ে ঘটনা জানান এবং বিচার দাবি করেন। গতকাল রোববার সালিশ বৈঠকে বসার দিন ধার্য করেন স্থানীয় মাতববররা। কিন্তু সজীব, কিংবা তার পরিবারের কেউ আসেনি। এতে ক্ষুব্ধ হয় এলাকাবাসী। খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। এরপর রাতে শাহজাদপুর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন ভুক্তভোগী শিশুর মা। ঘটনার পর থেকে সজীব পলাতক। এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে সজীবের বাবা আব্দুল হাই বলেন, ‘আমার ছেলে ঢাকায় পড়াশোনা করে। সে বাড়িতে থাকেই না। তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে এলাকার প্রধানরা টাকা দাবি করেছে। এই টাকা না দেওয়ায় সম্মানহানি করার জন্য আমার ছেলেকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানো হচ্ছে।’ শাহজাদপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, সোমবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য ভুক্তভোগী শিশুকে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।