কাউখালীতে সামাজিক বনায়নের লক্ষাধিক টাকার গাছ উধাও

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

ঘটনাটি একটি চলমান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ, যেখানে একটি চক্র সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে বিক্রি করছে। সর্বশেষ ঘটনাটি বুধবার (২০২৬-০৬-২৩) ঘটেছে, যা ১৪ দিনের মধ্যে। এলাকাবাসী বাধা দেওয়ায় সংঘর্ষ হয়নি, তবে এটি একটি ধ্বংসাত্মক কাজ (Vandalism) হিসেবে গণ্য হয়েছে।

Reported by:JugantorSingle source
23/06/26•সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন, উত্তর হোগলা

Killed

0

Injured

0

Summary

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক বনায়নের মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রি করে আসছে। সর্বশেষ বুধবার উত্তর হোগলায় তিনটি বেলশিশু গাছ কাটার চেষ্টা হলে এলাকাবাসী বাধা দেয় এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 3

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

ফারুক হোসেনকালাম কবিরাজআসাদুজ্জামান মন্টুমোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন

Affected infrastructure

সামাজিক বনায়নের গাছ

Tags

Land DisputeVandalism

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 23/06/26open original ↗

কাউখালীতে সামাজিক বনায়নের লক্ষাধিক টাকার গাছ উধাও

কাউখালীতে সামাজিক বনায়নের লক্ষাধিক টাকার গাছ উধাও এলাকাবাসীর অভিযোগে তদন্তে প্রশাসন Advertisement কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কাউখালী উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নে সামাজিক বনায়নের লক্ষাধিক টাকার মূল্যবান গাছ কেটে লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে বিক্রি করে আসছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় প্রশাসন ও বন বিভাগের উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। জানা যায়, বন বিভাগের সহযোগিতায় প্রায় ২০ থেকে ৩০ বছর আগে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় বেল, শিশু, আকাশমনি, মেহগনি, রেইন্ট্রি ও বাবলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান গাছ রোপণ করা হয়। বর্তমানে এসব গাছের অনেকগুলোই পরিপক্ব হয়ে উল্লেখযোগ্য অর্থমূল্যের সম্পদে পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দুই বছর আগে বন্যায় কিছু গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হলে একটি চক্র সেগুলো কেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সে সময় স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদের প্রতিবাদের মুখে বন বিভাগ ও প্রশাসন কিছু গাছ উদ্ধার করে এবং পরে টেন্ডারের মাধ্যমে সেগুলো বিক্রি করা হয়। তবে এরপর বন বিভাগ সামাজিক বনায়নের গাছগুলোর তদারকিতে কার্যকর ভূমিকা রাখেনি। স্থানীয়দের দাবি, বেতকা থেকে উত্তর হোগলা পর্যন্ত এবং কালিগঙ্গা নদীর তীর থেকে উত্তর হোগলা নদীর পাড় পর্যন্ত রাস্তা ও নদীর তীরে থাকা শত শত মূল্যবান গাছ ধীরে ধীরে কেটে ফেলা হয়েছে। প্রতিনিয়ত এক-দুটি করে গাছ কেটে গোড়াসহ অপসারণ করায় বর্তমানে অনেক স্থানই গাছশূন্য হয়ে পড়েছে। এ ঘটনার সর্বশেষ উদাহরণ হিসাবে বুধবার উত্তর হোগলার আব্দুল জলিলের ছেলে জাহিদুল ইসলামের বাড়ির সামনের রাস্তার পাশ থেকে তিনটি সামাজিক বনায়নের বেলশিশু গাছ কাটার অভিযোগ ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, গাছ ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন ও কালাম কবিরাজ গাছগুলো সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসীর বাধার মুখে তা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় শরিফুল, লেমন, রাজু ও জাহিদসহ অনেকে অভিযোগ করে বলেন, ফারুক ও কালাম কবিরাজের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ফারুক হোসেন ও কালাম কবিরাজ বলেন, ‘তারা গাছ চুরির সঙ্গে জড়িত নন। মাঝে মধ্যে দিনমজুর হিসাবে গাছ কাটার কাজ করেছেন মাত্র।’ তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা হয়েছে। এদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, সামাজিক বনায়নের কিছু গাছ স্থানীয়ভাবে জড়ো করে বিক্রির ঘটনাও ঘটেছে। এসব গাছ বিক্রিতে ফারুক ও কালাম মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে বলেও দাবি করেন তারা। এ বিষয়ে সামাজিক বনায়ন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মন্টু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কোনো গাছ বিক্রি করিনি এবং কাউকে গাছ কাটার নির্দেশও দিইনি।’ ইউএনও ও বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়রা কাউখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। কাউখালী থানার ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘অভিযোগের কপি এখনো আমার হাতে পৌঁছেনি। বিষয়টি জানতে পেরে তদন্তের জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’