সুষ্ঠু ভোট নিয়ে সংশয়, ২৪৭টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

AI-classifiedconfidence 60%

Why this classification

The article reports one concrete incident: a cocktail bomb exploded at the house of a worker of the Jamaat-NCP alliance candidate in Saurail Union, Rajbari-2. No date is given, so it is treated as recent, and the attacker is not named. The rest of the article is general pre-election tension and mutual allegations, which were not counted as incidents.

Reported by:SamakalSingle source
10/02/26•Saurail Union

Killed

0

Injured

0

Summary

রাজবাড়ী-২ আসনের জামায়াত-এনসিপি জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিলের অভিযোগ অনুযায়ী, সাওরাইল ইউনিয়নে তাঁর এক কর্মীর বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে। ঘটনার নির্দিষ্ট সময় প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই, এবং প্রতিবেদনটি ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

60% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

JamaatNCP

Other actors

সাইয়েদ জামিল (জামায়াত-এনসিপি জোটের প্রার্থী, রাজবাড়ী-২)জামিলের এক কর্মী

Affected infrastructure

কর্মীর বাড়ি

Tags

Election Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Jamaat, NCP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 11/02/26open original ↗

সুষ্ঠু ভোট নিয়ে সংশয়, ২৪৭টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

রাজবাড়ী সুষ্ঠু ভোট নিয়ে সংশয়, ২৪৭টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ রাজবাড়ী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২০:১৫ রাজবাড়ীর দুটি আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ তুলছেন প্রার্থীরা। এদিকে অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়দের অনেকেই। মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রচারণা বন্ধ হলেও জেলার দুটি আসনেই টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। জেলার দুটি আসনের মোট ৩৫৪টি কেন্দ্রের ২৪৭টিকে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবশ্য বলছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য যত রকম পদক্ষেপ নেওয়া দরকার তা নেওয়া হয়েছে। বেশ জোর দিয়েই তারা বলেছেন, নির্বাচন শতভাগ নিরপেক্ষ হবে। রাজবাড়ী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী-১ আসনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৬, এর মধ্যে ১২০টিই ঝুঁকিপূর্ণ। রাজবাড়ী-২ আসনে ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৯৮, এর মধ্যে ১২৭টিই ঝুঁকিপূর্ণ। রাজবাড়ী-১ আসনে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও মূল দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ও জামায়াতে ইসলামীর নূরুল ইসলাম একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। রাজবাড়ী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম গত সোমবার এক নির্বাচনী সভায় জামায়াতকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, টাকা দিয়ে ভোট কেনার ষড়যন্ত্র চলছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের ব্যত্যয় ঘটলে এ এলাকার মানুষ বসে থাকবে না। জামায়াতের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, নানা জায়গা থেকে তাঁর কর্মীদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তারা আমাদের চাপের মুখে রাখার চেষ্টা করছে। তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন। ভোটের দিন তাদের পোলিং এজেন্টদের ওপর যেন কোনো হামলা বা কেন্দ্র দখলের মতো কোনো ঘটনা না ঘটে, সেটাই তিনি প্রত্যাশা করছেন। এদিকে রাজবাড়ী-২ আসনে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিএনপির হারুন-অর-রশিদ, দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী কলস প্রতীকের নাসিরুল হক সাবু ও এনসিপি-জামায়াত জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিল ও তাঁর সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধেই অপর দুই প্রার্থীর যত অভিযোগ। কলস প্রতীকের প্রার্থী নাসিরুল হক সাবুকে বেশ কয়েকবার ফোন দিয়েও যোগাযোগ করা যায়নি। তাঁর মেয়ে ফারজানা হক অনি জানান, নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি ভালো। তবে বিএনপির প্রার্থীর লোকজন তাদের কর্মীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এ বিষয়ে তারা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। জামায়াত-এনসিপি জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী জামিল হিজাযী ওরফে সাইয়েদ জামিল বলেন, রাজবাড়ী-২ আসনে বেশ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র তারা চিহ্নিত করেছেন। সেসব জায়গায় তাদের কর্মীরা ভয়ে আছেন। সাওরাইল ইউনিয়নে তাঁর এক কর্মীর বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী হারুন-অর-রশিদ বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ এখন পর্যন্ত ভালো। দুই প্রার্থীর অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, কখনও কারও বিরুদ্ধে কোনো মন্তব্য করেননি। প্রতিনিয়ত তারাই আমার বিরুদ্ধে বানোয়াট অভিযোগ করছে। তারা নিজেরাই মাইক ভেঙে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিচ্ছে। রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ জানান, কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে। প্রতি ১০টি কেন্দ্রের জন্য একটি করে মোবাইল পার্টি থাকবে। প্রতিটি থানায় দুটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। এ ছাড়া প্রতিটি থানায় সেনাবাহিনীর তিনটি করে টিম, বিজিবির এক প্লাটুন করে ফোর্স, রযাদ বের প্রত্যেক থানায় দুটি করে প্যাট্রোল থাকবে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার বলেন, নির্বাচন এলে পরস্পরের বিরুদ্ধে দোষারোপ– এটি একটি নির্বাচনী কালচার। ভোট কেনাবেচার কোনো সত্যতা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।