কামরাঙ্গীরচরে ভায়রা ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
Why this classification
A 27-year-old man was beaten by a group of about 10 to 12 people and then stabbed in the back by his brother-in-law on the night of Monday, 15 June 2026, in Kamrangirchar, Dhaka. He died in hospital, so this is a fatal stabbing attack within the recent window.
Killed
1
Injured
0
Summary
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ২০২৬ সালের ১৫ জুন (সোমবার) রাতে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভায়রা ভাই কাওসারের ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ (২৭) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কামরাঙ্গীরচরে ভায়রা ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
কামরাঙ্গীরচরে ভায়রা ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভায়রা ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ (২৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি পেশায় একটি লাড্ডুর দোকানের কর্মচারী ছিলেন। সোমবার রাত সোয়া ৮টায় কামরাঙ্গীরচর থানার ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বড় বোন শারমিন বেগম জানান, শুক্রবার মোহাম্মদের স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। এ সময় মোহাম্মদ বাসায় অন্য এক নারীকে নিয়েছিলেন বলে তার সৎ ভায়রা ভাই কাওসার মোহাম্মদের স্ত্রী শ্যামলী ও স্বজনদের কাছে অভিযোগ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে সোমবার রাতে কাওসার, তার স্ত্রী সোনিয়া, মুজাহিদসহ ১০-১২ জন মোহাম্মদকে মারধর করেন। একপর্যায়ে কাওসার তার পিঠে ছুরিকাঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে। নিহত মোহাম্মদ মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বিক্রমপুর এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে। তিনি কামরাঙ্গীরচরের ঈদগাহ মাঠ এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
