সোনাইমুড়িতে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ১৪

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a single, concrete incident in Noakhali on 25–26 June 2026 in which a clash between Chhatra League and Chhatra Dal activists led to shootings, attacks, vandalism and looting. At least 14 people were shot and 20–25 injured, and two shops were looted, so it qualifies as relevant violence.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
25/06/26•নোয়াগাঁও গ্রাম, সোনাপুর ইউনিয়ন

Killed

0

Injured

20

Summary

সোনাইমুড়ি উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদল কর্মীদের জড়িত সংঘর্ষের জেরে ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৬ জুন (শুক্রবার) পর্যন্ত দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও গোলাগুলি হয়, যাতে ১৪ জন গুলিবিদ্ধ ও ২০-২৫ জন আহত হন এবং দুটি দোকানে লুটপাট হয়। পুলিশ, র্যাব ও ডিবি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 8

Perpetrator side

Awami LeagueBNP

Victim side

Awami LeagueBNP

Other actors

আশিক (ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, সোনাপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড)রেদওয়ান (ছাত্রলীগ কর্মী, বাবুল হোসেনের ছেলে)ওসি মো. কবির হোসেন (সোনাইমুড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)

Affected infrastructure

হালিম স্টোরআমিন স্টোর

Tags

Party ClashRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 20

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Awami League, BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League, BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 25/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 28/04/26open original ↗

নোয়াখালীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবদল কর্মী গুলিবিদ্ধ

নোয়াখালীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবদল কর্মী গুলিবিদ্ধ প্রতীকী ছবি নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ | ১৭:২৫ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শাকিল মাহমুদ (৩১) নামে এক যুবদল কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের তাহেরপুর গ্রামের বাহারের দোকান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ শাকিল উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের রামেশ্বরপুর গ্রামের পাটোয়ারি বাড়ির আলমগীরের ছেলে। তিনি একই ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি প্রার্থী। অপরদিকে আহতরা হলেন, মো. আলাউদ্দিন (৫০), মহর আলী (৫৯), তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৫০), ছেলে মাহফুজুর রহমান (২২), মেয়ে নাসরিন আক্তার (১৮), আলমগীর হোসেন (২৬) ও জহির (৫০)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ছয়ানী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি কর্মী মাসুদের ছেলে ইমনের (১৯) বিরুদ্ধে আরেক বিএনপি কর্মী মাহফুজকে মারধর করার অভিযোগ উঠে। সোমবার বিকেল ৫টার দিকে ইমন ছয়ানী বাজারে নবগঠিত কৃষকদলের একটি মিছিল শেষে মাহফুজ নিরবকে মারধর করে। মিছিল শেষে বিকেলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ছয়ানী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আলাউদ্দিন দলীয় লোকজন নিয়ে তাহেরপুর এলাকায় যান। একপর্যায়ে সেখানে দুই গ্রুপের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এতে দুই পক্ষের ৮ জন আহত হন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মাহফুজ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তবে তার বাবা মহর আলী জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি করেন। বিএনপির নেতাকর্মীদের একটি দল রাত সোয়া ৯টার দিকে মাহফুজের বাড়িতে হামলা চালায়। পরে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে যুবদল কর্মী শাকিল পাটোয়ারির বুকের বাম পাশে গুলিবিদ্ধ হন এবং আলাউদ্দিনের মাথা ফেটে যায়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা শাকিলকে উদ্ধার করে প্রথমে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। এসময় মহর আলীর ছয় অনুসারীও আহত হন। ছয়ানী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. আলাউদ্দিন অভিযোগ করেন, তিনি বিষয়টি মীমাংসা করতে গেলে মহর আলীসহ তার লোকজন তার ওপর হামলা চালায়। ওই সময় স্থানীয় রাকিব নামে এক যুবক তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে শাকিল গুলিবিদ্ধ হন। জানতে চাইলে রাকিব বলেন, তিনি পেশায় একজন পিকআপ ভ্যানচালক। তিনি কাউকে গুলি করেননি। অভিযোগটি ডাহা মিথ্যা। বিএনপি নেতা আলাউদ্দিনের গুলি মিসফায়ার হলে শাকিল গুলিবিদ্ধ হন। ছয়ানী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এখানে জামায়াত-বিএনপির কোনো সংঘর্ষ হয়নি। জামায়াতের লোকজন আমাদের মিছিলের ওপর হামলা করেছে। আমাদের দলীয় কোনো কোন্দলের বিষয় নেই এখানে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বোরহান উদ্দিন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, এটা বিএনপি-বিএনপি করেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে। তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। আমাদের দলের কোনো লোক এই হামলার সঙ্গে জড়িত নেই। বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - নোয়াখালী - বিএনপি - জামায়াতে ইসলামী - সংঘর্ষ

Source 2: Jugantor · 28/06/26open original ↗

সোনাইমুড়িতে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ১৪

সোনাইমুড়িতে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ১৪ Advertisement সোনাইমুড়ি (নোয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দার মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার দিন-রাত দফায় দফায় হামলা-ভাঙচুর-গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় সোনাপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আশিকসহ ১৪ জন গুলিবিদ্ধ হন এবং ২টি দোকানে ভাঙচুর-লুটপাট করা হয়েছে। সংঘর্ষে ২০-২৫ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ, র্যাব, ডিবি এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিস্থিতি এখনো থমথমে। সোনাইমুড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাত প্রায় দেড় শতাধিকসহ ১০ জনকে আসামি করে সোনাইমুড়ি থানায় মামলা হয়েছে। এখনো কেউ গ্রেফতার হয়নি। তবে অভিযান চলছে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে একটি দোকানের সামনে পালপাড়া গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী রেদওয়ানের সঙ্গে নোয়াগাঁওয়ের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আশিকের সংঘর্ষ হয়। আহতদের ঢাকাসহ জেলা, উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ, হালিম স্টোর, আমিন স্টোর থেকে নগদ অর্থসহ ৩ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট হয়েছে।