সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, সিবিএমসিবিতে ছাত্রদল সভাপতির সিট বাতিল

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This incident was classified as political violence in Mymensingh. It involved BNP, Locals against Locals. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 1 source.

Reported by:Dhaka PostSingle source
18/08/26•Community Based Medical College (CBMCB)

Killed

0

Injured

1

Summary

২০২৬ সালের ১৮ আগস্ট ময়মনসিংহের সিবিএমসিবি-তে এক শিক্ষার্থী ছুরিকাঘাতের শিকার হন। ছাত্রদল সভাপতি মাহির ইবনের নেতৃত্বে বহিরাগতরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 4

Perpetrator side

BNPLocals

Victim side

Locals

Other actors

মাহির ইবন (কলেজ শাখা ছাত্রদল সভাপতি)

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP, Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 18/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 23/08/26open original ↗

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, সিবিএমসিবিতে ছাত্রদল সভাপতির সিট বাতিল

ময়মনসিংহের কমিউনিটি বেজড মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশে (সিবিএমসিবি) সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মাহির ইবনের হোস্টেলের সিট বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। সাধারণ শিক্ষার্থীদের তীব্র প্রতিবাদ ও আন্দোলনের মুখে জরুরি সভা ডেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ছাত্রাবাস ও ছাত্রীনিবাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কলেজ প্রশাসনের এক জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কলেজ ও শিক্ষার্থী সূত্রে জানা গেছে, হোস্টেলের সিট বাতিল হওয়া শিক্ষার্থী মাহির ইবন ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের (সিবি-২৭ ব্যাচ) পঞ্চম বর্ষের ছাত্র। তিনি বর্তমানে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ছাত্রদল মাহির ইবনকে সভাপতি এবং ফারহান ইশরাককে সাধারণ সম্পাদক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি অনুমোদন দেয়। শিক্ষার্থীরা জানান, গত ১৮ আগস্ট সিবিএমসিবির ৩১ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘সিবিএমসিবি ডে’ উদযাপন করা হয়। ওই দিন রাতে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বা কনসার্টের সময় ঝামেলা হয়। পরে কলেজের এক শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত করা হয়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ছাত্রদল সভাপতি মাহির ইবনের নেতৃত্বে একদল বহিরাগত এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ২০ আগস্ট সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে একটি যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, গত ১৭ ও ১৮ আগস্ট ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে মাহির ইবনকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বয়কট করা হলো। একই সঙ্গে তার সঠিক বিচার না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস ও পরীক্ষাসহ সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হোস্টেল প্রাঙ্গণে মাহিরকে পুনরায় দেখা গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০ আগস্ট সকালে কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মোর্শেদ আলমের সভাপতিত্বে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে অধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাহির ইবনের (মেডিকেল রোল-৫৪) বরাদ্দকৃত সিট সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া তার হোস্টেল প্রাঙ্গণে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ছাত্রাবাস ও ছাত্রীনিবাসে বহিরাগতদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রদল সভাপতি মাহির ইবন বলেন, কনসার্টে মেয়েদের ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে বহিরাগত কিছু ছেলে ও মেডিকেলের কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একজন শিক্ষার্থী আহত হন। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন তিনি। মাহির ইবন বলেন, যে শিক্ষার্থী আহত হয়েছে, সে নিজেও বলেছে তাকে কারা আঘাত করেছে তা সে জানে না এবং ঘটনার সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। এরপরও আমাকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করেছে। তদন্তের স্বার্থেই তাকে সাময়িকভাবে হোস্টেলে না থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এটি কোনো স্থায়ী বহিষ্কার নয়। তদন্তে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। মাহির ইবন অভিযোগ করেন, একটি রাজনৈতিক পক্ষ তাকে উদ্দেশ্য করে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। তার দাবি, ঘটনার আগে বা পরে কোনোভাবেই তিনি সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। এ বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাখাওয়াত সুমন/আরকে