৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ, ১২ দিন আটকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
Why this classification
This is a specific, recent incident in Bangladesh in which an 11-year-old girl was allegedly lured away, forced into a marriage, raped and held captive for 12 days, with a police case filed. Sexual assault and confinement are physical violence against a person, so it qualifies even though no deaths or weapons are reported.
Killed
0
Injured
0
Summary
গত ২৬ এপ্রিল গৌরনদীর ১১ বছর বয়সী এক পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ফুসলিয়ে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে নিয়ে জোরপূর্বক বিয়ে দিয়ে ১২ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং আসামিরা এখনো গ্রেফতার হয়নি।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
85% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ, ১২ দিন আটকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ, ১২ দিন আটকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা Advertisement গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৬, ১০:৫১ পিএম বরিশালের গৌরনদীতে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১১) অপহরণ করে ১২ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করার অভিযোগে ৪ জনকে আসামি করে গৌরনদী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মাগুরা গ্রামের ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন- গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড়ের খালকুলা গ্রামের ভগরত ঢালী, মেঘা বাড়ৈ ও তার স্বামী রাজু ঢালী, গৌরনদীর দক্ষিণ মাগুরা গ্রামের কমল বাড়ৈ। ভিকটিম জানায়, একই বাড়ির চাচাতো বোন মেঘা বাড়ৈ ফুসলিয়ে তাকে গত ২৬ এপ্রিল তার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে বিবাহিত ভগরত ঢালীর সঙ্গে তাকে (স্কুলছাত্রী) জোরপূর্বক বিয়ে দেয় মেঘা ও তার স্বামী রাজু ঢালী। পরবর্তীতে ভগরত ঢালী তার (ছাত্রী) ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ১২ দিন আটকে রেখে নির্যাতনের পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছে ভগরত ঢালী। ভিকটিমের বাবা অভিযোগ করে বলেন, গত ২৬ এপ্রিল রাতে আমার মেয়ে ৫ম শ্রেণির ছাত্রী নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ২৭ এপ্রিল গৌরনদী থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। বুধবার (৬ মে) জানতে পারি আমার মেয়েকে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড়ের খালকুলা এলাকায় আটকে রাখা হয়েছে। বিষয়টি থানা পুলিশকে অবগত করে মেয়েকে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নিয়ে এসেছি। মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর জানতে পারি, একই বাড়ির কমল বাড়ৈর কন্যা মেঘা বাড়ৈ আমার শিশু মেয়েকে ফুসলিয়ে মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড়ের খালকুলার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমাদের পরিবারের কাউকে না জানিয়ে আমার মেয়েকে ভগরতের (৩৮) সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দেয় মেঘা ও তার স্বামী রাজু ঢালী। তিনি আরও বলেন, আমার মেয়েকে ১২ দিন আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মেঘা বাড়ৈ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই স্কুলছাত্রীকে আমরা বিয়ে দেইনি। সে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছে। এ বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গৌরনদী থানার এসআই মো. জহিরুল হক বলেন, ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১১) অপহরণ করে ১২ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করার অভিযোগে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার রাতে গৌরনদী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে শুক্রবার সকালে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
