দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়ার আগমুহূর্তে উপস্থিত প্রথম স্ত্রী, অতঃপর...
Why this classification
This is a valid violent incident dated today, 18 April 2026, in Chandpur's Faridganj upazila. Members of the first wife's family attacked the groom's house during a physical clash, leaving at least 4 to 5 people injured on both sides.
Killed
0
Injured
5
Summary
ফরিদগঞ্জে (চাঁদপুর) ১৮ এপ্রিল ২০২৬ দুপুরে গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চরমথুরা গ্রামে রুবেলের দ্বিতীয় বিয়ের প্রস্তুতির সময় তালাকপ্রাপ্ত প্রথম স্ত্রী রিমা আক্তার ও তার পরিবারের সদস্যরা তার বাড়িতে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৪-৫ জন আহত হন এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
88% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 5
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
স্ত্রীকে তালাক দিয়ে নতুন বিয়ের প্রস্তুতি, দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৭
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে নতুন করে বিয়ের প্রস্তুতিকালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৭ জন আহত হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চরমথুরা গ্রামের গাজী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, উপজেলার চরমথুরা গ্রামের রফিকুল ইসলাম গাজীর ছেলে মহিম উদ্দিন রুবেলের সাথে দক্ষিণ চরবড়ালি গ্রামের আবদুস ছোবহানের মেয়ে রিমা আক্তারের ২০২৪ সালে ১৪ আগস্ট ইসলামী শরিরাহ মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের পর রুবেল প্রবাসে চলে যান। গত কয়েকমাস পূর্বে দেশে ফিরে আসেন এবং এক পর্যায়ে স্ত্রী রিমা আক্তারের শারীরিক অক্ষমতার কথা উল্লেখ করে ৩মার্চ নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তালাক দেন। এরই মধ্যে শনিবার (১৮ এপ্রিল) রুবেল পুনরায় বিয়ের দিন ধার্য্য করে তার পরিবার। এই সংবাদ পেয়ে রুবেলের আগের স্ত্রী রিমা আক্তার ও তার পরিবারের সদস্যরা বর রুবেলের বাড়িতে উপস্থিত হলে দুই পক্ষের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে মারামারি বাধে। এতে উভয়পক্ষের লোকজন মারামারিতে জড়িয়ে পড়লে অন্তত ৭ জন আহত হয়। আহতের মধ্যে রিমা আত্তার, তার মা কোহিনুর বেগম, ভাই সাইফুল ইসলাম, খালাত ভাই রাব্বি ও খালা সাহিনুর বেগম। এর মধ্যে গুরুতর আহত সাইফুল ইসলামকে প্রথমে ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা রেফার করা হয়। এছাড়া রুবেলের পরিবারের কয়েকজন আহত হয়। রিমা আক্তার জানান, রুবেল প্রায় ৪ বছর পূর্বে দেশে ফিরে আমাকে তাদের বাড়ি নিয়ে আসে। কয়েকদিন পূর্বে আমাকে বাবার বাড়িতে রেখে এসে আর খোঁজখবর নেয়নি। শুনেছি সে আমাকে কোর্টের মাধ্যমে তালাক দিয়েছে, যা সঠিক নয়। আজ (শনিবার ) সে আমাকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য প্রস্তুতি নেয়। আমি আমার পরিবারেরর সদস্যরা এলে তারা আমাদের ওপর হামলা করে। আমাদের বেশ কয়েকজনকে বেদম পিটিয়ে আহত করেছে। অন্যদিকে মহিম উদ্দিন রুবেল জানান, রিমা শারীরিকভাবে অক্ষম। তাই গত ৩ মার্চ নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তালাক দিয়েছি। আজ আমি আবার বিয়ের করতে রওনা হওয়ার মুহূর্তে আমাদের বাড়িতে তারা প্রবেশ করে হামলা করে। আমাদের পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হয়। এদিকে সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করে। ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি আমার জেনেছি। তবে এই বিষয়ে কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ দেয়নি। আনোয়ারুল হক/এসএইচএ
দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়ার আগমুহূর্তে উপস্থিত প্রথম স্ত্রী, অতঃপর...
দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়ার আগমুহূর্তে উপস্থিত প্রথম স্ত্রী, অতঃপর... Advertisement ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম ফাইল ছবি। গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়ার আগমুহূর্তে প্রথম স্ত্রী ও তার লোকজন বরের বাড়িতে উপস্থিত হলে দুপক্ষের মধ্যে সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৪-৫ জন আহত হন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চরমথুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট চরমথুরা গ্রামের রফিকুল ইসলাম গাজীর ছেলে মহিম উদ্দিন রুবেলের সঙ্গে দক্ষিণ চরবড়ালি গ্রামের আবদুস ছোবহানের মেয়ে রিমা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর রুবেল প্রবাসে চলে যান। কয়েক মাস পূর্বে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং একপর্যায়ে স্ত্রী রিমা আক্তারের শারীরিক অক্ষমতার কথা উল্লেখ করে গত ৩ মার্চ নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাকে তালাক দেন। এরপর শনিবার (১৮ এপ্রিল) রুবেলের পুনরায় বিয়ের দিন ধার্য করে তার পরিবার। এ সংবাদ পেয়ে রুবেলের আগের স্ত্রী রিমা আক্তার ও তার পরিবারের সদস্যরা রুবেলের বাড়িতে উপস্থিত হলে দুপক্ষের মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৪-৫ জন আহত হন। রিমা আক্তার বলেন, রুবেল দেশে ফিরে আমাকে তাদের বাড়ি নিয়ে আসে। গত তিন মাস পূর্বে আমাকে বাবার বাড়িতে রেখে এসে আর খোঁজখবর নেয়নি। শুনেছি তিনি আমাকে কোর্টের মাধ্যমে তালাক দিয়েছেন, যা সঠিক নয়। আজ শনিবার তিনি আমাকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য প্রস্তুতি নেয়। এরপর আমি ও আমার পরিবারেরর সদস্যরা এলে তারা আমাদের ওপর হামলা করে। এ সময় আমাদের বেশ কয়েকজনকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। মহিম উদ্দিন রুবেল বলেন, রিমা শারীরিকভাবে অক্ষম। তাই আমি গত ৩ মার্চ নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাকে তালাক দিয়েছি। আজকে পুনরায় বিয়ে করতে রওনা হওয়ার আগমুহূর্তে তারা আমাদের বাড়িতে এসে হামলা করে। এতে আমাদের কয়েকজন সদস্য আহত হন। এদিকে সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করেন।
