প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে রহস্যময় আগুন, ৮৩ ল্যাপটপ গায়েব

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A person in a burqa entered a storeroom in the Primary Education Directorate building in Mirpur, stole laptops, and set the room on fire before leaving, according to CCTV footage. The fire is a deliberate destructive act, and 83 laptops are still missing, so it qualifies as a violent incident.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
01/05/26•প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলা, মিরপুর

Killed

0

Injured

0

Summary

মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলার স্টোররুমে ১ মে ২০২৬ ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আগুন লাগে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, বোরকা পরা এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি কক্ষে ঢুকে ল্যাপটপ নিয়ে যাওয়ার সময় আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায় এবং ৮৩টি ল্যাপটপ পাওয়া যায়নি।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Other actors

অজ্ঞাতনামা বোরকা পরা ব্যক্তিসহকারী পরিচালক মো. সাজ্জাদ হোসেনদায়িত্বরত আনসার সদস্য আনোয়ারুলডাটা এন্ট্রি অপারেটর আইয়ুব আলীঅফিস সহকারী এমাম হোসেনমহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরউপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার

Affected infrastructure

দ্বিতীয় তলার অস্থায়ী স্টোররুমল্যাপটপ (১৪০টি সম্পূর্ণ পোড়া, ২৯টি অধিক ক্ষতিগ্রস্ত, ৩৩টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, ৮৩টি গায়েব)

Tags

Robbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 01/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 03/05/26open original ↗

পরিকল্পিত আগুনে ১৪০ ল্যাপটপ পুড়ে ছাই, হদিস নেই ৮৩টির

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পরিকল্পিত আগুনে ১৪০ ল্যাপটপ পুড়ে ছাই, হদিস নেই ৮৩টির ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে আগুন দেয় পরিচ্ছন্নতাকর্মী সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬ | ০৮:৪৭ | আপডেট: ০৩ মে ২০২৬ | ০৯:৪৪ | প্রিন্ট সংস্করণ পরিকল্পিতভাবে রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টোর রুমে আগুন দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোররাতে আসমাউল ইসলাম নামে একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিজের পরিচয় আড়াল করতে বোরকা পরে সেখানে আগুন দেয়। ওই আগুন দিতে তার সঙ্গে ৫ লাখ টাকার চুক্তির তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ। শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বিতীয় তলার যে স্টোর রুমে আগুন দেওয়া হয়, সেখানে ৭৩৫টি ল্যাপটপ ছিল। যেগুলো মাঠ পর্যায়ে বিতরণের জন্য রাখা হয়েছিল। আগুনে ১৪০টি ল্যাপটপ পুরোপুরি পুড়ে যায়। ২৯টির বেশির ভাগ অংশ এবং ৩৩টি ল্যাপটপ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ৪৫০টি ল্যাপটপ অক্ষত। হিসাব অনুযায়ী বাকি ৮৩টি ল্যাপটপের হদিস মেলেনি। অগ্নিসংযোগের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা কর্মকর্তা ও স্টোর ইনচার্জ জিন্নাত আলী বিশ্বাস ছাড়াও যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলেন অধিদপ্তরের পরিচ্ছন্নতাকর্মী আসমাউল ইসলাম ও স্টোর কিপার হুমায়ুন কবির খান। এদিকে আগুনের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে মিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ গোলাম আজমকে প্রত্যাহার করে ডিএমপির কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ সদরদপ্তর ও প্রশাসন বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে। গতকাল মিন্টো রোডে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মিরপুর বিভাগের ডিসি মোস্তাক সরকার বলেন, বোরকা পরিহিত অবস্থায় আগুন দিয়েছে আসমাউল। তার সঙ্গে সেখানে কর্মরত আরও অন্তত তিনজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। স্টোর রুমে রক্ষিত ল্যাপটপ ও মালপত্রের ক্ষতি করতে আগুন দেওয়া হয়েছিল। আগুনে ২-৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে জড়িত একজনকে চিহ্নিত করে পুলিশ। পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, মূল যে মোটিভ এবং পরিকল্পনায় তাদের বাইরে আর কেউ আছে কিনা, সেগুলো বের করতে কাজ করছি। তাদেরকে হেফাজতে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করব। তিনি বলেন, এ কাজের জন্য ৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল। এর মধ্যে নগদ ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে, যা দিয়ে সে বিভিন্ন জিনিস কিনেছে। এ তথ্যগুলো আছে। জিনিসগুলো উদ্ধারসহ অন্যান্য কাজ করতে একটু সময় লাগবে। ৮৩টি ল্যাপটপের হদিস না মিললেও সিসিটিভি ভিডিওতে সেখান থেকে কোনো কিছু সরানোর প্রমাণ পায়নি পুলিশ।  ল্যাপটপ কেনাকাটার দুর্নীতি, নাকি অডিটের তথ্য আড়াল করতে পরিকল্পিত আগুন– তা নিয়ে তদন্ত চলছে। মিরপুর-১ নম্বরের একটি দোকান থেকে বোরকা কেনা হয়। সেই বোরকা পরিহিত অবস্থায় আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।    অগ্নিসংযোগের ঘটনায় শুক্রবার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মিরপুর থানায় মামলা করেন। এজাহারে বলা হয়, আগুন লাগার খবরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্টোর রুমের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। কিছু সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে ক্ষতিগ্রস্ত কক্ষ পরিদর্শন করেন। সেখানে দেখা যায়, কক্ষের এসি, সংরক্ষিত ল্যাপটপ ও বিভিন্ন মালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ কর্মকর্তারা দেখতে পান, রাত আনুমানিক ২টা থেকে ভোর সাড়ে ৪টার মধ্যে বোরকা পরিহিত এক ব্যক্তি কৌশলে স্টোর রুমের তালা খুলে ভেতরে ঢোকে। সে মোট পাঁচবার কক্ষে প্রবেশ করে। শেষবার বের হওয়ার সময় কক্ষে আগুন লাগিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।  মামলার বাদী সাজ্জাদ হোসেন সমকালকে বলেন, পিটিআইতে সরবরাহ করার জন্য ল্যাপটপগুলো কিনে স্টোর রুমে রাখা হয়েছিল।  ওসি প্রত্যাহার  সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ গোলাম আজমের বিরুদ্ধে আগে থেকে বেশ কিছু অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগে তাঁকে সরিয়ে নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তাঁর দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি সামনে আসে। আগুন লাগার অনেক পর তিনি ঘটনাটি জানতে পারেন। এ ছাড়া শুক্রবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ঘটনাস্থলে গেলেও তিনি অনেক পর সে বিষয়ে অবগত হন।  ২৬ এপ্রিল মিরপুরের উত্তর বিশিলের সামসাদ আরা সাথী নামে এক নারী  ডিএমপির কমিশনারের কাছে ওসির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগে বলেন, মিরপুরে স্বাধীন বাংলা মার্কেটে চাঁদাবাজি ও অবৈধ দখল নিয়ে ঝামেলা চলছিল। প্রতিপক্ষরা তাদের লোকজনের ওপর কয়েকবার হামলা করে। এ ঘটনায় ওই নারী মিরপুর থানায় মামলা করতে যান। মামলার খরচ হিসাবে দুই দফায় তিনি ওসিকে পাঁচ লাখ টাকা দেন। সামসাদ আরা সাথী সমকালকে বলেন, ‘টাকা দিলেও ওসি কোনো সহযোগিতা করেননি।’   - বিষয় : - প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

Source 2: Jugantor · 02/05/26open original ↗

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে রহস্যময় আগুন, ৮৩ ল্যাপটপ গায়েব

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে রহস্যময় আগুন, ৮৩ ল্যাপটপ গায়েব Advertisement মিরপুর (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম ফাইল ছবি রাজধানীর মিরপুরের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৮৩টি ল্যাপটপ গায়েব হয়েছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার (১ মে) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শনিবার (২ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন মিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা বোরকা পরা এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দায়িত্বরত আনসার সদস্য আনোয়ারুল হঠাৎ নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুনের ধোঁয়া দেখে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আইয়ুব আলীকে খবর দেন। আইয়ুব আলী ঘটনাটি মোবাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখার অফিস সহকারী এমাম হোসেনকে জানালে তিনি ৯৯৯ এ ফোন করে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এক পর্যায়ে শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ অন্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন। তারা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখেন ঘটনার দিন রাত ২টার দিকে বোরকা পরা এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ওই ভবনের দ্বিতীয় তলার অস্থায়ী স্টোররুমের তালা কৌশলে খুলে কিছু মালামাল ও ল্যাপটপ নিয়ে যাচ্ছে। অজ্ঞাতনামা ওই ব্যক্তি ৫ বার ওই কক্ষটিতে প্রবেশ করে। যাওয়ার সময় তিনি কক্ষটিতে আগুন ধরিয়ে সটকে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করে দেখা যায়, ৭৩৫টি ল্যাপটপের মধ্যে ৪৫০টি ভালো অবস্থায়, ৩৩টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, ২৯টি অধিক মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত এবং ১৪০টি সম্পূর্ণ পোড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। বাকি ৮৩টি ল্যাপটপ পাওয়া যায়নি।   ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে, আটকও আছে। এ বিষয়ে আজ রাতে প্রেস ব্রিফিং হবে।