সাভারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

A young shopkeeper, Abu Kalam, was found dead in a pond in Savar with wounds to his neck and head, and police say he was abducted and killed overnight. The family links the killing to a dispute over money he had asked back for a job abroad, so this is a concrete, recent murder and counts as violence.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
15/03/26•Savar Bus Stand area, Majidpur (abandoned pond)

Killed

1

Injured

0

Summary

১৫ মার্চ ২০২৬ (রোববার) সকালে সাভারের মজিদপুর এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে মো. আবু কালাম (৩৪) নামের এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, বিদেশ পাঠানোর নামে নেওয়া টাকা ফেরত চাওয়ার জেরে তাকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে, এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

মো. আবু কালাম (নিহত, মুদি দোকানি)আবু সাঈদ (নিহতের বাবা)নুর মোহাম্মদ (পরিদর্শক (তদন্ত), সাভার মডেল থানা)আব্দুল্লাহ আল মাসুদ (এসআই, সাভার মডেল থানা)ইমরান আলি (ওসি, সাভার মডেল থানা)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 17/03/26open original ↗

রিকশাচালক ‘হত্যার’ গুজব ছড়িয়ে উত্তরায় শপিংমলে ভাঙচুর-লুট, গ্রেপ্তার ১২

রিকশাচালক ‘হত্যার’ গুজব ছড়িয়ে উত্তরায় শপিংমলে ভাঙচুর-লুট, গ্রেপ্তার ১২ উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ সড়কে অবস্থিত স্কয়ার শপিংমল। ছবি: সংগৃহীত সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬ | ২২:২৮ | আপডেট: ১৬ মার্চ ২০২৬ | ২২:৪০ ব্যাটারিচালিত রিকশাচালককে মারধর করে ‘হত্যার’ পর মার্কেটের ভেতর লুকিয়ে রাখা হয়েছে- এমন গুজব ছড়িয়ে রাজধানীর উত্তরার ‘উত্তরা স্কয়ার’ শপিংমলে ভাঙচুর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট চালিয়েছে একদল মানুষ। এ সময় ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গেও হামলাকারীদের সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সদস্যরা যোগ দেন। এ ঘটনায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাত ১১টার পর ওই সংঘর্ষ শুরু হয়ে চলে সোমবার ভোর পর্যন্ত। আজও রিকশাচালকসহ বিভিন্ন লোকজন জড়ো হয়ে মার্কেটে হামলার চেষ্টা চালায়।  ব্যবসায়ীদের দাবি, হামলাকারীরা শপিংমলে ঢুকে দোকান ভাঙচুরের পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্য ও ক্যাশ থেকে টাকা লুট করে নিয়ে গেছে।  পুলিশ ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের ওই শপিংমলে কোনো রিকশাচালককে মারধর করে আটক করে রাখা হয়নি। গুজব ছড়িয়ে কিছু দুষ্কৃতকারী মার্কেটে হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে। পুলিশ বলছে, ঘটনা তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশ, ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রোববার রাত ১১টার দিকে ওই শপিংমলের সামনে ব্যাটারিচালিত রিকশা পার্কিং করে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করেন একজন চালক। এ সময় মার্কেটটির একজন নিরাপত্তাকর্মী ওই চালককে রিকশা সরিয়ে নিতে বলেন। চালক সেখান থেকে সরতে রাজি না হওয়ায় নিরাপত্তাকর্মী রিকশার পেছনে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। তখন দুজনের বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় আরও কয়েকজন রিকশাচালক সেখানে জড়ো হয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এর কিছুক্ষণ পর গুজব ছড়ানো হয়, একজন রিকশাচালককে হত্যা করে মার্কেটের ভেতর লাশ লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এই গুজবে ওই এলাকার আরও রিকশাচালক সেখানে জড়ো হয়ে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা মার্কেটে ইটপাটকেল ছোড়ে। একপর্যায়ে তারা মার্কেটের নিচতলায় ঢুকে দোকানে ভাংচুর চালায়। এ সময় সুযোগসন্ধানী কিছু মানুষ মার্কেটে ঢুকে ভাঙচুরে অংশ নেয়। হামলার একপর্যায়ে নিচতলার বিভিন্ন দোকান থেকে পণ্য ও টাকা লুটপাট করা হয়। ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ বেধে যায়। খবর পেয়ে প্রথমে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ঢাকা-১৮ আসনের (উত্তরা এলাকা) সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনাস্থলে যান। শপিংমলের ভেতরে পরিদর্শন শেষে তিনি হামলকারীদের উদ্দেশে বলেন, কোনো রিকশাচালককে মার্কেটে মারধর বা আটকে রাখার ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু হামলাকারীরা এ কথা মানতে নারাজ। উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি কাজী মো. রফিক আহমেদ সমকালকে বলেন, গুজবে কান দিয়ে উত্তেজিত রিকশাচালক ও কিছু সুযোগসন্ধানী লোক মার্কেট ভাঙচুর ও দোকান থেকে লুটপাট করেছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা আছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ। এ পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Source 2: Jugantor · 15/03/26open original ↗

সাভারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার

সাভারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, ঢাকা উত্তর প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:০১ পিএম সাভার উপজেলার মজিদপুর এলাকায় এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত যুবকের নাম মো. আবু কালাম (৩৪)। তিনি স্থানীয়ভাবে একটি মুদি দোকান পরিচালনা করতেন বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকালে স্থানীয়রা হাসপাতালের পেছনের ডোবায় একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুর মোহাম্মদের তত্ত্বাবধানে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। নিহতের গলা ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের বাবা আবু সাঈদ যুগান্তরকে জানান, তার ছেলে মুদি দোকান করত এবং বিদেশে যাওয়ার জন্য জনৈক ব্যক্তিদের কাছে টাকা জমা দেয়। তবে বিদেশে না নিয়ে যাওয়ায় বিরোধ ছিল। এ বিষয়টি নিয়েই তার ছেলে টাকা ফেরত চাওয়ায় হত্যার শিকার হয়েছে। সাভার মডেল থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, রাতের কোনো এক সময় তাকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে। সকালে সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সাভার মডেল থানার ওসি ইমরান আলি যুগান্তরকে জানান, পুলিশ ইন্সপেক্টর নুর মোহাম্মদকে এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। দ্রুত আসামিদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করা হবে।