ভাঙ্গায় স্বতন্ত্র প্রার্থীকে দুই দফায় লাঞ্ছনা বিএনপি কর্মীদের

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

BNP workers allegedly grabbed the independent candidate by the collar, threatened him to withdraw from the election, and beat his supporters in Bhanga on Saturday, 17 January 2026. This is a specific physical attack within the 14-day window, so it counts as violence.

Reported by:SamakalSingle source
17/01/26•ভাঙ্গা কোর্টপাড় বটতলা ও খন্দকার টাওয়ারের সামনে

Killed

0

Injured

2

Summary

১৭ জানুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এম হোসাইনকে ভাঙ্গা উপজেলা সদরে দুই দফায় লাঞ্ছিত করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়, যার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় তাঁর সমর্থকসহ একাধিক ব্যক্তি মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

BNP

Victim side

Independent Candidate Supporters

Other actors

এম এম হোসাইনকুতুবউদ্দিন স্মরণখন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিমএনায়েত মুন্সীহাসান মাতুব্বরআইয়ুব আলী মোল্লামিজানুর রহমান মোল্লাভাঙ্গা থানার ওসি মো. আব্দুল আলিম

Tags

Election ViolenceParty Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Independent Candidate Supporters

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 17/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 18/01/26open original ↗

ভাঙ্গায় স্বতন্ত্র প্রার্থীকে দুই দফায় লাঞ্ছনা বিএনপি কর্মীদের

ভাঙ্গায় স্বতন্ত্র প্রার্থীকে দুই দফায় লাঞ্ছনা বিএনপি কর্মীদের এম এম হোসাইন ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৭:৪৮ | প্রিন্ট সংস্করণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন ও সদরপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এম হোসাইনকে দুই দফায় লাঞ্ছিত করেছেন বিএনপির কর্মীরা। তারা তাঁকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতেও হুমকি-ধমকি দিয়েছেন। গতকাল শনিবার দুপুরে ভাঙ্গা উপজেলা সদরে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় তাঁর এক সমর্থককেও বেধড়ক পেটানো হয়। এ বিষয়ে থানা ও সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এম এম হোসাইনের ভাষ্য, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নেতাকর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভাঙ্গা কোর্টপাড় এলাকায় অনিল দাসের দোকান থেকে মিষ্টি কিনতে যাচ্ছিলেন। এ সময় কোর্টপাড়ের বটতলায় হঠাৎ করেই উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কুতুবউদ্দিন স্মরণ ও তাঁর ১৫-২০ জন সহযোগী তাদের ঘিরে ফেলেন। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা এম এম হোসাইনের জামার কলার ধরে টানাহেঁচড়া শুরু করে। পরে তারা আগামী সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা বলে হুমকি দেয়। পাশাপাশি ওই এলাকায় ভোট চাইতে নিষেধ করা হয় এম এম হোসাইনকে। এর প্রতিবাদ করলে তিনি ও তাঁর সমর্থকদের মারধর করা হয়।  এম এম হোসাইনের সমর্থক হাসান মাতুব্বর জানান, ‘কোর্টপাড়ে লাঞ্ছিত হওয়ার পর আমরা পৌরসভার দিকে রওনা হই। আধা ঘণ্টার মধ্যেই উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিমের বাসভবন খন্দকার টাওয়ারের সামনে তাদের আরেক কর্মী এনায়েত মুন্সীকে বেধড়ক মারধর করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আমরা নিরাপদ জায়গায় চলে যাই।’ এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কুতুবউদ্দিন স্মরণের দাবি, ‘স্থানীয় জমি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এনায়েত মুন্সীর সঙ্গে বিরোধ চলছে। সেই জেরে তাদের সঙ্গে সামান্য কথাকাটাকাটি হয়েছে।’ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী মোল্লা মনে করেন, ‘ঘটনাটি সামান্য ভুল বোঝাবুঝি মাত্র। নির্বাচনের সময় তো, অনেকেই বিষয়টিতে রং মাখানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।’ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ওপর হামলার নিন্দা জানান ফরিদপুর-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের সমর্থিত প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা মিজানুর রহমান মোল্লা। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির কাছে তারা কেউই নিরাপদ নয়। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। ভাঙ্গা থানার ওসি মো. আব্দুল আলিম বলেন, এনায়েত মুন্সী এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আবু জাহের বলেন, হামলার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। - বিষয় : - বিএনপি