নরসিংদীতে বাড়িতে ঢুকে যুবকের মাথায় ও পায়ে গুলি করে হত্যা
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Narsingdi. Parties reported: Farid Group, Momen Chairman Group. Reported casualties: 1 killed and 3 injured. Reported by 4 sources.
Killed
1
Injured
3
Summary
২০২৬ সালের ২ আগস্ট রোববার সকালে নরসিংদীর রায়পুরায় বাড়িতে ঢুকে প্রতিপক্ষের গুলিতে মোমেন মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুলিবিদ্ধ ও আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
98% · severity 8
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
নরসিংদীতে বাড়িতে ঢুকে যুবকের মাথায় ও পায়ে গুলি করে হত্যা
সারাদেশ নরসিংদীতে বাড়িতে ঢুকে যুবকের মাথায় ও পায়ে গুলি করে হত্যা × ফাইল ছবি নরসিংদী প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:১০ - অ + নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে মাথায় ও পায়ে গুলি করে মোমেন মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। রোববার সকালে উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের সওদাগরকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোমেন মিয়া সওদাগরকান্দি গ্রামের মৃত ধন মিয়ার ছেলে। আহতরা হলেন- মোবারক (৬৫), নাজমুল হোসেন (৩০) ও রুহুল আমিন (৩৭)। তাঁদের রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানায়, এলাকায় ফরিদ গ্রুপ ও মোমেন চেয়ারম্যান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর আগে স্থানীয়ভাবে বিরোধ মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সম্প্রতি দুই পক্ষের মধ্যে আবার উত্তেজনা তৈরি হয়। স্বজনদের অভিযোগ, রোববার সকালে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মোমেন মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তাকে মাথা ও পায়ে গুলি করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. বিনিতা জানান, রক্তাক্ত অবস্থায় মোমেন মিয়া নামে একজনকে হাসপাতালে আনা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, হাসপাতালে আনার আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চাঁনপুরে সওদাগরকান্দি এলাকায় দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মোমেন মিয়া নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুলিবিদ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিষয় : গুলিবিদ্ধ নরসিংদী গুলি করে হত্যা আরও পড়ুন কাজ ছাড়াই ৬০ লাখ টাকার বিল উত্তোলনের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে মজুরির দাবিতে দেওড়াছড়া চা বাগানে শ্রমিকদের অবস্থান যুবলীগ নেতার স্ত্রীকে স্কুল কমিটিতে রাখতে ইউএনওর চাপ, প্রধান শিক্ষককে বান্দরবান বদলির হুমকি স্বর্ণকে পেস্ট বানিয়ে পাচারের চেষ্টা, শাহ আমানতে আটক যাত্রী সর্বশেষ গ্যাস সংকটে বিক্ষোভ জামায়াতের, পেট্রোবাংলা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি কাজ ছাড়াই ৬০ লাখ টাকার বিল উত্তোলনের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অঞ্চলকে সবুজ শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মজুরির দাবিতে দেওড়াছড়া চা বাগানে শ্রমিকদের অবস্থান ‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল’ নিয়ে অপপ্রচার চালালে কঠোর ব্যবস্থা: বিদ্যুৎ বিভাগ যুবলীগ নেতার স্ত্রীকে স্কুল কমিটিতে রাখতে ইউএনওর চাপ, প্রধান শিক্ষককে বান্দরবান বদলির হুমকি স্বর্ণকে পেস্ট বানিয়ে পাচারের চেষ্টা, শাহ আমানতে আটক যাত্রী এক ইলিশের দাম ১০ হাজার ৫৫০ টাকা আরও পড়ুন ×
পলাশে ছাত্রদল নেতা মাসুম হত্যা: প্রধান আসামিসহ কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার ৫
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম আল মাসুম হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ পাঁচজনকে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল-মামুন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, নরসিংদীর পুলিশ সুপারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর ঠাকুরপাড়া এলাকার আবাসিক হোটেল গ্রিন প্যালেসে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি সাফাদি মির্জা বিজয়সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে সিপিএসসি নরসিংদী ও র্যাব-১১ সহযোগিতা করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মামলার প্রধান আসামি সাফাদি মির্জা বিজয় (২৫), শাহ আলম ফকির (৩০), রিফাত ওরফে বাবু ফকির (২২), তুষার (২৫) ও মেহেদী (২০)। তাঁদের সবার বাড়ি পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের হাসানহাটা (ফকিরবাড়ী) গ্রামে।ওসি শাহেদ আল-মামুন জানান, গ্রেপ্তার আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২ আগস্ট রাত পৌনে ২টার দিকে ডাঙ্গা ইউনিয়নের হাসানহাটা (ফকিরবাড়ী) এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইব্রাহিম আল মাসুম ও তাঁর সহযোগীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। মামলার প্রধান আসামি সাফাদি মির্জা বিজয়সহ তাঁর সহযোগীরা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।এতে ডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইব্রাহিম আল মাসুম (৩৩) গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা জয়নাল মাস্টার, মামুন আহম্মেদ, আমজাদ, কাউছার, মামুন, আকাশ, রুবেল, ইমরানসহ আরও কয়েকজন আহত হন। পরে গুরুতর আহত মাসুমকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ১০ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।এ ঘটনায় ৪ আগস্ট নিহত মাসুমের শ্যালক হাসান মো. মহসিন বাদী হয়ে পলাশ থানায় মামলা করেন। মামলায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়। গ্রেপ্তার পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বাড়িতে ঢুকে কৃষককে গুলি করে হত্যা
নরসিংদীর রায়পুরায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে বাড়িতে ঢুকে মোমেন মিয়া (৫৫) নামে এক কৃষককে মাথায় ও পায়ে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। রোববার (২ আগস্ট) সকালে উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগরকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোমেন মিয়া ওই গ্রামের মৃত ধন মিয়ার ছেলে। আহতরা হলেন- মৃত খালেক মিয়ার ছেলে মোবারক (৬৫), শহীদ মিয়ার ছেলে নাজমুল হোসেন (৩০), কুদ্দুস মিয়ার ছেলে রুহুল আমিন (৩৭)। আহতরা রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ফরিদ গ্রুপ ও মোমেন চেয়ারম্যান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিল। স্থানীয় সংসদ সদস্য দুইপক্ষের বিরোধ মীমাংসাও করেছিলেন। এরপর আবারও তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে রোববার সকালে ফরিদ গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মোমেনের বাড়িতে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় মাথায় ও পায়ে গুলি করে মোমেনকে আহত করা হয়। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. বিনিতা জানান, রক্তাক্ত অবস্থায় মোমেন মিয়া নামে একজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরের পালস ও প্রেশার পাওয়া যাচ্ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে হাসপাতালে আনার আগেই রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। রায়পুরা থানার ওসি মুজিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চাঁনপুরে সওদাগরকান্দি এলাকায় দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মোমেন মিয়া নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুলিবিদ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নরসিংদীতে বাড়িতে ঢুকে একজনকে গুলি করে হত্যা
নরসিংদীর রায়পুরায় হত্যাকাণ্ডের শিকার মোমেন মিয়ার স্বজনদের আহাজারি। রোববার রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেছবি: সংগৃহীত নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চরাঞ্চলে পূর্ববিরোধের জেরে দলবল নিয়ে বাড়িতে ঢুকে মোমেন মিয়া (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় আরও কয়েকটি বাড়িতে হামলায় অন্তত ১০ জন আহত হন। আজ রোববার সকাল ৯টার দিকে চাঁনপুর ইউনিয়নের সওদাগরকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোমেন মিয়া (৫৫) সওদাগরকান্দি গ্রামের প্রয়াত ধন মিয়ার ছেলে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ওই গ্রামের মোবারক (৬৫), নাজমুল হোসেন (৩০) ও রুহুল আমিন (৩৭) রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। বাকিরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নিহত মোমেন মিয়ার স্বজন ও স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, স্থানীয় একটি বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয়টির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হতে চান বাংলাদেশ স্কাউটের একজন কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন। অন্যদিকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোমেন সরকারের অনুসারীরা বাধা দিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি বসে দুই পক্ষের বিরোধ মীমাংসা করে দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (নরসিংদী-৫) আশরাফ উদ্দিন বকুল। কিন্তু সেই মীমাংসা মেনে নেননি ফরিদ উদ্দিনের লোকজন। নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, আজ সকাল ৯টার দিকে পাশের উত্তরপাড়া ও পূর্বপাড়ার লোকজনসহ ফরিদ উদ্দিন দেশি অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে হামলা করেন। এ সময় আরও কয়েকটি বাড়িতে হামলা করে অন্তত ১০ জনকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে মোমেন মিয়ার বাড়িতে ঢুকে তাঁকে ঘরে একা পেয়ে গুলি করা হয়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ফরিদ উদ্দিনসহ হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। পরে আহত অবস্থায় তাঁকে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মোমেন মিয়াকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল বলে জানান রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জান্নাতুল নাইম। তিনি জানান, তাঁর মাথায় ও পায়ে গুলির আঘাতের চিহ্ন ছিল। চাঁনপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোমেন সরকারের ভাষ্য, হত্যাকাণ্ডের শিকার মোমেন মিয়া তাঁর চাচাতো ভাই। তাঁকে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করা হয়েছে। ফরিদ উদ্দিনকে ছয় মাসের জন্য অ্যাডহক কমিটির সভাপতি করা হয়েছিল। তিনি নানা ধরনের আর্থিক দুর্নীতি ও অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছিলেন। পরে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এখন তিনি মারামারি ও খুনোখুনি করে সভাপতি হতে চান বলে তাঁর অভিযোগ। অভিযুক্ত ফরিদ উদ্দিন বাংলাদেশ স্কাউটের (নোয়াখালী ও ফেনী অঞ্চলের) একজন সহকারী পরিচালক। মুঠোফোনে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি বর্তমানে কর্মস্থল নোয়াখালীতে আছি। তাহলে আমি গ্রামের হত্যাকাণ্ডে কীভাবে জড়িত থাকব? অভিযোগ তো যে কেউই করতে পারেন। যাচাই-বাছাই ও তদন্ত না করে তো এমন মিথ্যা অভিযোগ তোলা উচিত না।’ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়া মোমেন মিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান। তিনি জানান, ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিরা পলাতক। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন হামলারায়পুরাঢাকা বিভাগনরসিংদীহত্যা
