ঢাকা মেডিকেলে দুই সংগঠনের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article reports a physical clash between two political groups, Notun Dhara Bangladesh and Rashtra Sanglap Forum, which resulted in multiple injuries.

Reported by:Dhaka PostSingle source
04/08/26•Dhaka Medical College Hospital and Press Club

Killed

0

Injured

10

Summary

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় প্রেসক্লাব ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নতুন ধারা বাংলাদেশ ও রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও হামলা হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী রক্তাক্ত ও আহত হয়েছেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

Rashtra Sanglap ForumNotun Dhara Bangladesh

Victim side

Notun Dhara BangladeshRashtra Sanglap Forum

Other actors

Shanta FarzanaMomin MehediAyasFahim FarukiBrigadier General Md. Asaduzzaman

Affected infrastructure

Dhaka Medical College Hospital Emergency Department

Tags

Party ClashRally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 10

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Rashtra Sanglap Forum, Notun Dhara Bangladesh

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Notun Dhara Bangladesh, Rashtra Sanglap Forum

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 04/08/26open original ↗

ঢামেকের জরুরি বিভাগে ২ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, চিকিৎসা সেবা সাময়িক বন্ধ

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নতুন ধারা বাংলাদেশ ও রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দেড় ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা বন্ধ থাকার পর ফের চালু হয়, এরপর আবারও হামলায় চিকিৎসা সেবা বন্ধ হয়ে যায়। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রেসক্লাবের সামনে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে উভয়পক্ষ আহত অবস্থায় চিকিৎসা নিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে আসার পর আবারও দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন– নতুন ধরা বাংলাদেশের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, ভাইস চেয়ারম্যান ড. নুরজাহান নীরা যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আতাপ মন্ডল ও হরিদাস সরকার। এদিকে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্য সচিব আয়াসসহ আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়। আহত শান্তা ফারজানা জানান, সন্ধ্যায় আমরা প্রেসক্লাবের সামনে মশাল মিছিল ও প্রতিবাদ মিছিল করছিলাম। এই সময়ে বক্তব্য চলাকালে হঠাৎ আয়াসের নেতৃত্বে আমাদের উপরে হামলা চালায়। এতে আমাদের চেয়ারম্যানসহ ৬ জন রক্তাক্ত-আহত হই। পরে আমরা ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসলে ২০ থেকে ২৫ জন আমাদের উপরে হামলা চালায়। দফায় দফায় তারা আমাদের উপর হামলা চালায়। এখনো আমরা জরুরি বিভাগের ভেতরে আটকা রয়েছি, বের হতে পারছি না, চিকিৎসা নিতে পারছি না। আমি সহ আমার কয়েকজন নেতাকর্মী গুরুতর রক্তাক্ত এবং আমার জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলেছে। আহত সান্তা ফারজানা অভিযোগ করে আরো বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রেসক্লাবে মশাল মিছিল প্রতিবাদসহ অবস্থান করছিলাম। তারা প্রেসক্লাবে এসে আমাদের উপরে হামলা চালায়। আবার যখন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছি তখনো তারা আমাদের উপরে হামলা চালিয়েছে। এদিকে আহত রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের (এসডিএফ) সদস্যসচিব আয়াস জানান, তারা শহীদ আবু সাঈদকে জুলাই জঙ্গি বলছে এবং ধর্ম নিয়ে অবমাননা করায় তার প্রতিবাদ করলে শান্তা ফারজানা মমিন মেহেদীসহ ৩০ থেকে ৪০ জন আমাদের উপরে হামলা চালায়। পরে আহত অবস্থায় আমরা ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে আসলে সেখানেও তারা আমাদের উপরে হামলা চালানোর চেষ্টা করে। এই ঘটনায় আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। খবর পেয়ে মঞ্চ-২৪ এর ফাহিম ফারুকী কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক জানান, তারা প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে কটুক্তি এবং ধর্মকে অবমাননা করে এই নতুন বাংলাদেশে তাদেরকে ছাড় দিতে পারি না। আমরা অবস্থান করবো কোনো ধরনের অ্যাগ্রেসিভ আচরণ করব না, আমরা প্রশাসনকে সহায়তা করব। সরেজমিনে দেখা যায়, শান্তা ফারজানা এবং তাদের দলের আরেকজন সাংগঠনিক সম্পাদক আদাব মন্ডল রক্তাক্ত আহত হয়েছেন। অন্যদিকে আ ন ম আয়াশ সেও আহত অবস্থায় রয়েছেন। শান্তা ফারজানা সহ তার দলের নেতাকর্মীরা এখন পর্যন্ত জরুরি বিভাগে অবরুদ্ধ রয়েছেন, এখান থেকে বের হতে পারছেন না চিকিৎসা নিতে পাচ্ছেন না। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে। এই ঘটনায় দেড় ঘণ্টার মতো চিকিৎসা সেবা বন্ধ হওয়ার পর সাময়িকভাবে চিকিৎসা সেবা চালু রয়েছে। তবে ফের হামলা চিকিৎসাসেবা বন্ধ রয়েছে। চিকিৎসক এবং রোগীদের দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। এর সমাধানে তিনি জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন। এসএএ/বিআরইউ