ঈদে নাতনিকে দেখতে না আসায় নির্যাতন, যা করলেন গৃহবধূ

AI-classifiedconfidence 88%

Why this classification

This is a single, dated incident in Feni in which a 19-year-old married woman was physically beaten by her husband and in-laws, and she later died by hanging herself. Although the death itself was a suicide, it was preceded by a deliberate physical assault by identified family members, so it is counted as domestic violence rather than an excluded suicide.

Reported by:JugantorSingle source
22/03/26•আমিরাবাদ ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রাম (সোনাগাজী)

Killed

1

Injured

0

Summary

ফেনীর সোনাগাজীতে ২০২৬ সালের ২২ মার্চ (রোববার) রাতে ঈদে নানার বাড়ি থেকে কেউ নাতনিকে দেখতে না আসায় স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ি মিলে গৃহবধূ মাইমুনা আক্তার রিয়াকে শারীরিক নির্যাতন করেন। নির্যাতন সইতে না পেরে তিনি নিজের শয়নকক্ষে ওড়না দিয়ে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন এবং মৃতের বাবা থানায় মামলা করেছেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

88% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Maimuna Akter Riya (victim, গৃহবধূ)Arif Hossain Tarek (husband)Md. Alam (father-in-law)Sharifa Khatun (mother-in-law)Md. Ibrahim (victim's father, complainant)OC Md. Kamrul Islam, Sonagazi Model Police Station

Tags

Domestic ViolenceDowry Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 23/03/26open original ↗

ঈদে নাতনিকে দেখতে না আসায় নির্যাতন, যা করলেন গৃহবধূ

ঈদে নাতনিকে দেখতে না আসায় নির্যাতন, যা করলেন গৃহবধূ Advertisement সোনাগাজী (ফেনী) দক্ষিণ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম ফেনীর সোনাগাজীতে ঈদ উপলক্ষে নানার বাড়ি থেকে কেউ নাতনিকে দেখতে না আসায় মাইমুনা আক্তার রিয়া (১৯) নামে এক গৃহবধূকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে। নির্যাতনের অভিমান সইতে না পেরে ওই গৃহবধূ ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। রোববার (২২ মার্চ) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের ফজলুল হকের নতুন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মৃতের পিতা মো. ইব্রাহীম বাদী হয়ে গৃহবধূর স্বামী আরিফ হোসেন তারেক, তার পিতা মো. আলম ও মাতা শরীফা খাতুনকে আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের মীর্জা আলী বাড়ির রাজমিস্ত্রি মো. ইব্রাহীমের কন্যা মাইমুনা আক্তার রিয়াকে ভালোবেসে পরিবারের অজান্তে বিয়ে করেন তারেক। তারেক সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের মধ্যম আহমদপুর গ্রামের ফজলুল হকের নতুন বাড়ির মো.আলমের ছেলে। ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল তাদের বিয়ে হয়। তাদের ৮ মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তারেক বেকার হওয়ায় বিভিন্ন সময় শ্বশুরবাড়ি থেকে নগদ অর্থ ও বিভিন্ন উপঢৌকন এনে দিতে রিয়াকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত তারেক ও তার পরিবারের লোকজন। তাদের দাবি মোতাবেক নগদ অর্থ ও বিভিন্ন উপঢৌকনও দিতেন রিয়ার পরিবার। কিন্তু পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মেয়েকে নানা ইব্রাহীমসহ নানার বাড়ি থেকে কেউ দেখতে না আসায় রিয়ার সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত হন স্বামী তার পরিবারের লোকজন। এক পর্যায়ে স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ি মিলে ২২ মার্চ রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রিয়ার ওপর শারীরিক নির্যাতন করেন। নির্যাতন সইতে না পেরে স্বামীর বাড়িতে নিজের শয়ন কক্ষে আড়ার সঙ্গে ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে রিয়া আত্মহত্যা করেন। রাত ১১টার দিকে রিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো. কামরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।