বোয়ালমারীতে পাটখেতে মিলল যুবকের লাশ
Why this classification
The article reports the discovery of a young man's body in a jute field after he had been missing for two days, and police found marks of injury on his head. The death is being treated as a possible murder linked to drug use, so it is a relevant fatality within the last two weeks in Bangladesh.
Killed
1
Injured
0
Summary
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে দুদিন নিখোঁজ থাকার পর ৩ জুন ২০২৬ (বুধবার) সকালে শেখর ইউনিয়নের ভাটিপাড়া গ্রামের একটি পাটখেত থেকে তৌহিদুল ইসলাম মিয়ার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণায় লাশের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং পরিবার মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে হত্যার আশঙ্কা করছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
80% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ডাব পাড়া নিয়ে একজনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধীয় জমির নারকেল গাছ থেকে ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে চাচা ও চাচাতো ভাইদের হামলায় শ্যাম বিশ্বাস (৪০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর একটার দিকে উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের খাটরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শ্যাম বিশ্বাস কাউলিবেড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের খাটরা গ্রামের বাসিন্দা মৃত রাজেশ্বর বিশ্বাসের ছেলে। এলাকাবাসী ও ভাঙ্গা থানা সূত্রে জানা যায়, খাটরা গ্রামের মৃত রাজেশ্বর বিশ্বাসের ছেলে শ্যাম বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতিপক্ষ আপন চাচা নিখিলেশ্বর বিশ্বাস (৪৮) ও অপর চাচা মৃত ব্রজেশ্বর বিশ্বাসের ছেলে বিকাশ বিশ্বাসের দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির সীমানা সংক্রান্ত জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে বাড়ির সীমানার একটি নারকেল গাছের ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে শ্যাম বিশ্বাসের সঙ্গে তার চাচা নিখিলেশ্বর বিশ্বাস ও চাচাতো ভাই বিকাশ বিশ্বাসের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শ্যাম বিশ্বাস (৪০) ও তার মা মিনতী রানী বিশ্বাসকে (৬০) এলোপাথাড়ি মারধর ও কুপিয়ে জখম করে। আহত অবস্থায় তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শ্যাম বিশ্বাসকে মৃত ঘোষণা করেন। শ্যাম বিশ্বাসের মা মিনতী রানী বিশ্বাস বলেন, আমাদের গাছের ডাব পাড়তে উঠেছিল আমার ছেলে শ্যাম। এ সময় আমার ছোট দেবর নিখিলেশ্বর বিশ্বাস (৫০) ও মেজো দেবরের ছেলে বিকাশ বিশ্বাস (৩০) সহ দুই পরিবারের লোকজন আমার ছেলে ও আমাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। হাসপাতালে আনার পর আমার ছেলে মারা যায়। আমি ছেলের হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। শ্যামের দুটি ছেলে ছোট। ওদের কী হবে? ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা অনিক ভৌমিক বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার আগেই শ্যাম বিশ্বাসের মৃত্যু হয়। মিনতী রানী বিশ্বাসের শরীরে কোপের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামীকাল শুক্রবার (১ মে) সকালে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জড়িতদের আটকের জন্য অভিযান শুরু করেছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জহির হোসেন/এসএইচএ
বোয়ালমারীতে পাটখেতে মিলল যুবকের লাশ
নিখোঁজের দুদিন পর বোয়ালমারীতে পাটখেতে মিলল যুবকের লাশ Advertisement বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বোয়ালমারীতে নিখোঁজের দুদিন পর পাটখেত থেকে তৌহিদুল ইসলাম মিয়া নামে এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে উপজেলার শেখর ইউনিয়নের ভাটিপাড়া গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত তৌহিদুল একই এলাকার মৃত আব্দুল কাইয়ুম মিয়ার ছেলে। জানা যায়, জাহাজে লস্করের কাজ করত তৌহিদুল। গত রমজানে অসুস্থ হয়ে পড়লে বাড়ি চলে আসেন তিনি। তার সাইপ্রাস যাওয়ার কথা ছিল। ঈদের পর ভ্রমণের জন্য কুয়াকাটা গিয়েছিলেন তৌহিদুল। সোমবার ভ্রমণ শেষে সকালে বাড়ি ফেরেন তৌহিদুল। ওইদিন সন্ধ্যায় কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে বের হওয়ার পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইলও বন্ধ পাওয়া যায়। নিহতের বড় বোন চামেলি বেগম বলেন, তৌহিদ ওই সন্ধ্যায় চাচাতো ভাই ইকবাল, আকবর ও জয়দেবপুর গ্রামের বন্ধু সুমনের সঙ্গে বের হন। পরে তারা বাড়ির পাশের একটি পাটখেতে মাদক সেবন করেন বলে জানতে পেরেছি। মাদকসেবন কেন্দ্র করেই তৌহিদকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এসআই মিন্টু লস্কর জানান, প্রাথমিকভাবে লাশের মাথায় আঘাতের চিহ্ন ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালচে দাগ দেখা গেছে।
