মামলার প্রস্তুতি, পুলিশের ঘটনাস্থল পরিদর্শন

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

The article describes a recent (within 14 days) destructive attack using an excavator and arson, linked to BNP officials targeting an Awami League-affiliated individual, meeting the criteria for political violence.

Reported by:JugantorSamakalProthom AloCorroborated · 3 sources
17/07/26•Kantalatoli, Mirzaganj

Killed

0

Injured

0

Summary

শুক্রবার রাত মীর্জাগঞ্জের কাঁঠালতলী এলাকায় এক্সকেভেটর ব্যবহার করে একটি বাড়ি ধ্বংস, লুট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। স্থানীয় সূত্রে এটি বিএনপি সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর নির্দেশে তার ভাই শাহিন চৌধুরীর নেতৃত্বে করা মব সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

92% · severity 5

Perpetrator side

BNP

Victim side

Awami League

Other actors

মিজানুর রহমান লাভলু কাজীমো. তৌহিদুজ্জামানমো. তালেবআলতাফ হোসেন চৌধুরীশাহিন চৌধুরীশেখ মো. রাসেলসুপার আবু ইউসুফ

Affected infrastructure

residential houseexcavatorfire damage

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 17/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 21/07/26open original ↗

বাড়ি ভাঙিতে বুলডোজার / অভিযুক্তরা কেন অধরা?

মতামত বাড়ি ভাঙিতে বুলডোজার অভিযুক্তরা কেন অধরা? × সম্পাদকীয় প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬ | ০৭:১৭ | প্রিন্ট সংস্করণ - অ + পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় মাধবখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মিজানুর রহমান লাভলুর বসতবাড়ি বুলডোজার দিয়া গুঁড়াইয়া দিবার ঘটনা পুনরায় প্রমাণ করিল– দেশে মবতন্ত্র এখনও চলমান। বিশেষত ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীর স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ন্ত্রণে যেন কেহ কোথাও নাই। রবিবার সমকাল জানাইয়াছে, পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর কনিষ্ঠ ভ্রাতা শাহীন চৌধুরী এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী শুক্রবার রাত্রে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের পর বাড়িটি বুলডোজার দিয়া গুঁড়াইয়া দেয়। উপরন্তু নিরাপত্তার অভাবে ভুক্তভোগীরা রবিবার অবধি মামলাও করিতে পারেন নাই। অন্যদিকে মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই ব্যাপারে ‘কেহ মামলার জন্য থানায় আসেন নাই’ মর্মে সমকালের নিকট দায়সারা বক্তব্য দিয়াছেন। অভিযোগ বা মামলা হইলে ‘তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা’ গ্রহণের বক্তব্য কেবল সন্ত্রাসীদিগকেই উৎসাহিত করিবে। অথচ সমকালে প্রকাশিত ভুক্তভোগী পরিবারের বক্তব্য, এহেন ন্যক্কারজনক আক্রমণের আশঙ্কা হইতে তাহারা পূর্বেই প্রশাসন ও বিএনপি নেতাদের সাহায্য কামনা করিয়াছিলেন। অর্থাৎ স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের গোচরেই ঘটনাটি ঘটিয়াছে। তদুপরি ভাঙচুর প্রতিরোধে পদক্ষেপ দূরস্থান, ঘটনা ঘটিবার পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তৎপরতা দেখা যাইতেছে না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার প্রদানের অঙ্গীকার করিয়াছিল– দেশে আর মব সন্ত্রাস চলিবে না। পটুয়াখালীর ঘটনাটিই সরকারের সেই অঙ্গীকার ও ঘোষণাকে প্রথম প্রশ্নের মুখে ফেলিল, এমন নহে। তবুও স্মরণ করা যাইতে পারে, বিগত পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বাহিনীটিকে সকল প্রকার দলীয় প্রভাব উপেক্ষা করিয়া আইনানুযায়ী দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়াছিলেন। দুর্ভাগ্যবশত আলোচ্য ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর উক্ত নির্দেশের কোনো প্রতিফলন দেখা গেল না। বিএনপির নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এহেন ফৌজদারি অপরাধে সংশ্লিষ্ট হইবার অভিযোগ ইহাই প্রথম নহে। ইহার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের নিষ্ক্রিয় থাকিবার ঘটনাও নূতন নহে। গণঅভ্যুত্থানের অব্যবহিত পর হইতেই মাঠ পর্যায়ের বিএনপির নেতাকর্মী অনেকে প্রায় বিনা বাধায় এই প্রকার অপকর্ম চালাইয়া আসিতেছেন। নির্বাচনের পূর্বে বিএনপি এহেন কতিপয় ঘটনায় সাংগঠনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করিলেও ক্ষমতাসীন হইবার পর উহাও লক্ষ্য করা যাইতেছে না। কিন্তু এই অবস্থা চলিতে থাকিলে নাগরিকদের মধ্যে কেবল নিরাপত্তাহীনতাই বৃদ্ধি পাইবে না; সামগ্রিক পরিস্থিতিও নৈরাজ্যের দিকে ধাবিত হইতে পারে। অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ইত্যাদির উপরেও নেতিবাচক প্রভাব পড়িতে পারে। সমকালের প্রতিবেদনমতে, আলোচ্য বাড়ির জমির মালিকানা লইয়া বিরোধ রহিয়াছে বলিয়া বিবদমান পক্ষগুলি দাবি করিতেছে। সরকারি গণগ্রন্থাগার উক্ত জমির একাংশে মালিকানা দাবি করিয়া স্থানীয় জেলা প্রশাসনের নিকট প্রতিকার প্রত্যাশা করিয়াছে। সেই ক্ষেত্রে একমাত্র আইনি প্রক্রিয়াই বিষয়টি সুরাহা করিতে পারিত। এইখানে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের দূরতম কোনো ভূমিকা থাকিতে পারে না। অতএব মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র এক বিবৃতিতে উক্ত ঘটনাকে যথার্থই বেআইনি তৎপরতারূপে চিহ্নিত করিয়াছে। সংস্থাটি বলিয়াছে, আদালতের আদেশ বা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ব্যতীত কাহারও বাড়িঘর ভাঙিয়া ফেলা, সম্পদ লুট করা কিংবা অগ্নিসংযোগ করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনের শাসনের পরিপন্থি। সংস্থাটির এই বক্তব্যও যথার্থ– রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শ নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিকের জীবন, সম্পদ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। পটুয়াখালীর এই ঘটনা কেবল আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নহে; নাগরিক অধিকার, রাষ্ট্রীয় ন্যায্যতা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতারও বিষয়। ঘটনাটির নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত নিশ্চিত করিয়া দায়ীদের আইনের আওতায় আনয়নে সরকারের প্রতি আমরা আহ্বান জানাই। আমরা ইহাও প্রত্যাশা করি, ক্ষমতাসীন দল উহার নেতাকর্মীকে আইনানুগ আচরণে বাধ্য করিবে। সরকারও ইতোমধ্যে বহুবার ব্যক্ত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পুলিশকে দলমত নির্বিশেষে সকল অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনসংগত পদক্ষেপ গ্রহণে বাধ্য করিবে। বিষয় : সম্পাদকীয় আরও পড়ুন ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ কতদূর গড়াতে পারে আইনের শাসন বনাম ‘এবার আমাদের পালা’ পরীক্ষার ফলের সঙ্গে কেন আত্মহত্যার খবর আসে? নারীকে বিচার নয়, তাঁর জীবনকে বুঝতে হবে সর্বশেষ ‘শিক্ষক প্রয়োজনে জীবন দিয়েও শিক্ষার্থীকে রক্ষা করেন’ খুঁটিতে বেঁধে গণপিটুনি, পরিয়ে দেওয়া হয় জুতার মালা লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা রয়্যাল গ্রিনের নেতৃত্বে আবুল ও আশফাক পাটগ্রাম সীমান্তে সিমেন্টের খুঁটি স্থাপনের চেষ্টা বিএসএফের, পিছু হটল বিজিবির বাধায় জুয়া চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমান টিকিটে ছাড়, লাউঞ্জ ব্যবহারের সুবিধার উদ্যোগ দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিচয় লুকিয়ে চাকরির সুপারিশ করেন জামায়াত এমপি হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণে উদীচীর নিন্দা আরও পড়ুন ×

Source 2: Jugantor · 20/07/26open original ↗

মামলার প্রস্তুতি, পুলিশের ঘটনাস্থল পরিদর্শন

মীর্জাগঞ্জে মব সন্ত্রাস মামলার প্রস্তুতি, পুলিশের ঘটনাস্থল পরিদর্শন Advertisement বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ পটুয়াখালীর মীর্জাগঞ্জে মব সন্ত্রাস করে গভীর রাতে এক্সকেভেটর (খননযন্ত্র) দিয়ে বসতবাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়ে মালামাল লুট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। রোববার সকালে মীর্জাগঞ্জ থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি দল সেখানে পরিদর্শন করে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের মালিক মিজানুর রহমান লাভলু কাজী। তিনি ১ নম্বর মাধবখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি। রোববার তিনি বলেন, আমি সকালে গুঁড়িয়ে দেওয়ার বাড়ির পরিস্থিতি দেখে এসেছি। বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দুয়েকদিনের মধ্যে মামলা করব। শুক্রবার মধ্যরাতে পটুয়াখালী জেলার মীর্জাগঞ্জ কাঁঠালতলী এলাকায় এই মব সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর লাভলু কাজী পরিবারসহ এলাকা ছেড়ে চলে যান। এতদিন বাড়িটিতে তার বৃদ্ধ মা একাই বসবাস করতেন। ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান লাভলু কাজী বলেন, শুক্রবার রাত ২টার দিকে আমি ফোনে জানতে পারি যে বিএনপিদলীয় স্থানীয় সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর নির্দেশে তার ছোট ভাই শাহিন চৌধুরীর নেতৃত্বে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আমার বাড়ি এক্সকেভেটর দিয়ে ভেঙে ফেলা হচ্ছে। এরপর আমি কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. তালেবের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি প্রথমে নিরাপত্তার আশ্বাস দেন। তবে পরে ওই কর্মকর্তা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে না এবং পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো বক্তব্য দিতে চাই না। পরে তিনি দাবি করেন, বাড়িটি সরকারি জমিতে নির্মিত হয়েছিল এবং কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তিনি জানেন না। মীর্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল বলেন, শনিবার সকালে ঘটনাটি জানতে পেরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি, তবে তারা কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ বলেন, রোববার সকালে মির্জাগঞ্জ থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দ্রুত তাদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Source 3: Prothom Alo · 23/07/26open original ↗

পটুয়াখালীতে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি ভাঙচুর–লুটপাটের ঘটনায় থানায় মামলা না নেওয়ার অভিযোগ

পটুয়াখালীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মিজানুর রহমানের বাড়িতে লুটপাটের পর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত শনিবার দুপুরেছবি : প্রথম আলো পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মিজানুর রহমানের (লাভলু) বসতঘরে লুট ও বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। থানায় গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী মেহেরুনেচ্ছা। কাজী মিজানুর রহমান কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি। তিনি ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন। তাঁর জায়গায় ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা। উপজেলার কাঁঠালতলী বাজারসংলগ্ন উত্তর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কাজী মিজানুর রহমানের বাড়ি। গত শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে পরদিন শনিবার ভোর পর্যন্ত ওই বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়। তবে ঘটনার সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। মিজানুর রহমানের স্ত্রী মেহেরুনেচ্ছা বলেন, গত সোমবার বিকেল ও সন্ধ্যায় তিনি একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামানের কাছে যান। তিনি ওসিকে লিখিত এজাহারটি দিয়ে মামলা নথিভুক্ত করার অনুরোধ জানান। কিন্তু ওসি এজাহারের কপি নেননি। এ সময় মামলা নিতেও অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি। পরে মামলা না করেই ফিরে আসতে বাধ্য হন মেহেরুনেচ্ছা। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি তৌহিদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেহেরুনেচ্ছা আমার কাছে এসেছিলেন। তবে তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি এবং মামলা নেওয়ারও কথা বলেননি।’ মেহেরুনেচ্ছা জানান, লিখিত অভিযোগে তিনি বসতঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ছোট ভাই মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী পাশা (৫২), সাধারণ সম্পাদক পলাশ হাওলাদার, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাসিবুল গনি মনির খন্দকার (৬৫), স্থানীয় ছাত্রদল নেতা মিরাজ হোসেন ও বিএনপির কর্মী মোতাহার হোসেনের নাম উল্লেখ করেছিলেন। আরও পড়ুন পটুয়াখালীতে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি বুলডোজারে ভাঙচুর, লুটপাটের পর আগুন ১৮ জুলাই ২০২৬ সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর গ্রামের বাড়ি মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের কাঁঠালতলী গ্রামে। সেখান থেকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে মিজানুর রহমানের বসতঘর। তাঁর বাড়ি থেকে কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ির দূরত্ব ৩০ থেকে ৪০ মিটার। মেহেরুনেচ্ছা জানান, গভীর রাতে তাঁদের বসতঘরে লুটপাটের পর বুলডোজার দিয়ে ভবন গুঁড়িয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়। ভোরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ঘটনার পরদিন যোগাযোগ করা হলে বিএনপি নেতা শাহিন চৌধুরী বলেছিলেন, ‘আমি ওই দিন (শুক্রবার) ঢাকা থেকে এলাকায় ফিরেছি। তাই ঘটনার বিষয়ে কিছু জানি না।’ এ বিষয়ে পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ বলেন, ওই ঘটনায় থানা-পুলিশ মামলা নেয়নি, এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি অবগত নন। বিষয়টি জেনে মন্তব্য করা যাবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পটুয়াখালীবরিশাল বিভাগপুলিশহামলালুটপাট