যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
Why this classification
A drug dealer named Momin Mia hacked 17-year-old Jubo Dal leader Rakib Hasan to death with a machete on Thursday afternoon in Rangpur city. This is a concrete, recent killing, and the perpetrator fled the scene, so it qualifies as a violent incident.
Killed
1
Injured
0
Summary
রংপুর মহানগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় ২০২৬ সালের ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) বিকালে মাদক কারবারি মমিন মিয়া দা দিয়ে কুপিয়ে যুবদল নেতা রাকিব হাসানকে (১৭) হত্যা করে। ঘটনার পর হত্যাকারী পালিয়ে যায় এবং পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
রাকিব হাসান রংপুর মহানগরীতে রাকিব হাসান (১৭) নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে মাদককারবারি। বৃহস্পতিবার বিকালে নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর হত্যাকারী মমিন মিয়া (৪০) ঘটনাস্থলে লাশ রেখে পালিয়ে যায়। পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। নিহত রাকিব হাসান রংপুর মহানগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। নিহতের মা নূরী বেগম সাংবাদিকদের জানান, মাদককারবারি মমিনের সঙ্গে তার ছেলে রাকিবের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তিনি অভিযোগ করেন, আমার ছেলে এলাকায় মাদক কারবারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় মমিনের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। বুধবার একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এরই জেরে বৃহস্পতিবার বিকালে মমিন রিকশাযোগে মাছুয়াপাড়া এলাকা অতিক্রম করার সময় রাকিবকে দেখতে পেয়ে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই কোমর থেকে দা বের করে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় অনেক মানুষ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও আতঙ্কের কারণে কেউ এগিয়ে আসেননি। আমার ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করে মমিন বীরদর্পে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাকিব ও মমিন সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে। নিহতের বাবা আব্দুস সামাদ বলেন, আমার ছেলেকে এর আগেও একই কারণে হত্যাকারী রাকিব হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়ে পঙ্গু করে দিয়েছিল। দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে বর্তমান বাড়িতে ছিল। এ নিয়ে গত ১৪ নভেম্বর কোতোয়ালি মেট্রোপলিটন থানায় মামলা হলেও মমিন মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করেনি। রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান জানান, মাদক ব্যবসায়ী মমিনের বিরুদ্ধে রাকিবকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। তিনি আরও জানান, সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিটকে ঘটনাস্থলে ডাকা হয়েছে এবং থানা ও ডিবি পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত করছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। র্যাব-১৩ রংপুর টিমের সদস্যরাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তারা ছায়া তদন্ত শুরু করেছে।
