কোম্পানীগঞ্জে অনুমতি ছাড়াই স্কুলের গাছ বিক্রি

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article reports a concrete incident of unauthorized tree sale and cutting (vandalism) by a youth league leader within the last 14 days in Bangladesh, meeting the criteria for relevant violence, thus it is marked as political violence in the decision trace.

Reported by:JugantorSingle source
22/07/26•Shahjadpur High School, Sirajpur Union

Killed

0

Injured

0

Summary

সিরাজপুর ইউনিয়নের যুবদল নেতা অনুমতি ছাড়া স্কুলের গাছ বিক্রি করে এবং গাছগুলো কেটে নেয়। প্রধান শিক্ষক ও যুবদল নেতা এই অবৈধ কাজের জন্য অভিযোগে আনা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 3

Perpetrator side

Awami League

Victim side

Locals

Other actors

Shah AlamShahid Ulah Shahid

Affected infrastructure

school trees

Tags

Robbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 02/08/26open original ↗

কোম্পানীগঞ্জে অনুমতি ছাড়াই স্কুলের গাছ বিক্রি

কোম্পানীগঞ্জে অনুমতি ছাড়াই স্কুলের গাছ বিক্রি Advertisement কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর ইউনিয়নের শাহজাদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫-৭টি মূল্যবান গাছ বিধি বহির্ভূতভাবে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সিরাজপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি শহীদ উল্যাহ শহীদের কাছে ওই গাছগুলো বিক্রির করেন, প্রধান শিক্ষক শাহ আলম। জানা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলম প্রতিষ্ঠানের গাছ বিক্রির সরকারি কোনো নীতিমালা অনুসরণ না করে বিক্রি করে দেন। গত ২২ জুলাই বিক্রি করা গাছের মূল্য জমা না দিয়ে গাছগুলো যুবদল নেতা শহীদ কেটে নিয়ে যায়। সরকারি বিধি মোতাবেক বন বিভাগের মূল্য নির্ধারণ, অনুমতি, কোটেশান আহ্বান, পরিচালনা কমিটির মিটিং ও রেজুলেশনে না এনে সভাপতির স্বাক্ষর বিহীন বিধি বহির্ভূতভাবে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক গাছগুলো বিক্রি করে দেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। প্রধান শিক্ষক শাহ আলম প্রতিষ্ঠানের গাছ বিক্রির ক্ষেত্রে সরকারি বিধি অনুসরণ না করার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, কিছু ভুল ভ্রান্তি হয়েছে। বিক্রির সিদ্ধান্ত হলেও ক্রেতা যুবদল নেতা শহীদ নির্ধারিত মূল্য ৭ হাজার টাকা পরিশোধ না করে স্কুল বন্ধ থাকা অবস্থায় গাছগুলো কেটে নিয়ে যায়। স্কুল খোলার পর গাছগুলো কেটে নেওয়ার ঘটনা আমি দেখলে যুবদল নেতা শহীদ উল্যাহ শহীদকে স্কুলে ডেকে আনি।