খুলনায় সাবরেজিস্ট্রারকে তুলে নেওয়ার ঘটনায় তোলপাড়
Why this classification
A group of four to five men forcibly took the sub-registrar from his office gate, pulled him from a rickshaw, and forced him onto a motorcycle. This is a physical, forcible attack on a person linked to a gang, so it is classified as violence, though the motive is unclear and no injuries are reported.
Killed
0
Injured
0
Summary
খুলনা সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সাবরেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মণ্ডলকে ৭ অক্টোবর ২০২৬ দুপুরে অফিসের গেটের সামনে থেকে ৪-৫ জনের একটি দল রিকশায় তুলে নিয়ে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে নদীর ঘাটের দিকে নিয়ে যায়। প্রায় আধা ঘণ্টা পর তিনি একাই অফিসে ফিরে আসেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
70% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
খুলনায় নানীকে গলা কেটে, দুই নাতিকে শ্বাসরোধে হত্যা
খুলনায় নানীকে গলা কেটে, দুই নাতিকে শ্বাসরোধে হত্যা প্রতীকী ছবি খুলনা ব্যুরো প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬ | ২২:৫৮ খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানা এলাকায় নানীকে গলা কেটে ও দুই নাতিকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার বিকেলে সোনাডাঙ্গা থানার দারুল আমান মসজিদ রোডের শরিফুল ইসলামের বাড়ি থেকে মরদেহ তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মা ফাতেমা বেগমকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। তার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল ইসলাম পলাতক। পুলিশের পাশাপাশি সিবিআই, র্যাব ও সিআইডির টিম ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে। নিহতরা হলেন- নানী বেবী বেগম (৫৫) এবং দুই নাতি মোস্তাকিম (৪) ও শামীম (১৩)। পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানান, চার বছর আগে প্রথম স্বামী মাসুম বেপারী ও ফাতেমা বেগমের ডিভোর্স হয়। পরে ফাতেমা রফিকুল ইসলাম নামে এক ট্রাকচালককে বিয়ে করেন। প্রথম পক্ষের সন্তান শামীম ও মুস্তাকিম তার মায়ের সঙ্গে বসবাস করছিল। এ নিয়ে প্রায়ই রফিকুল ও ফাতেমার মধ্যে ঝগড়া হতো। তারা জানান, ফাতেমা বেগমের খালা শনিবার বিকেলে ওই বাড়িতে বেড়াতে যান। দরজা তালাবদ্ধ এবং ভেতর থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে বুঝতে পেরে তিনি ৯৯৯-এ কল করেন এবং স্থানীয়দের বিষয়টি জানান। স্থানীয়রা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে খাটের নিচে বেবি বেগমের এবং ট্রাংকের ওপরে শামীমের মরদেহ দেখতে পান। পরে সিআইডির সদস্যরা ঘরের ওয়ারড্রবের ভেতর থেকে মুস্তাকিমের মরদেহ উদ্ধার করে। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফাতেমা বেগম উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, তার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল প্রথম পক্ষের সন্তানদের ভালো চোখে দেখতো না। শনিবার সকালে বাইরে থেকে তালা দিয়ে রফিকুল কাজে চলে যায়। ঘুম থেকে উঠে তিনি মা ও দুই সন্তানকে না দেখে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করছিলেন। তখন তার খালা বাড়িতে বেড়াতে আসেন। সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক বিরোধের এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাদের জন্য শিশুদের মাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আর রফিকুলের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে। - বিষয় : - খুলনা - হত্যা - গলা কেটে হত্যা - শ্বাসরোধে হত্যা
খুলনার রূপসা ও দিঘলিয়া: দুই খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার নেই, নিরাপত্তা শঙ্কা
চরমপন্থী সংগঠনের নেতা নাসিম হত্যা মামলায় দুই কারণ মাথায় নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। ছেলে খুনের মামলার বাদী বাবাকেও গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়নি। দেড় মাসের মাথায় ছেলর পর বাবাকেও হত্যার ঘটনায় আতঙ্কে পরিবার।
খুলনায় সাবরেজিস্ট্রারকে তুলে নেওয়ার ঘটনায় তোলপাড়
খুলনায় সাবরেজিস্ট্রারকে তুলে নেওয়ার ঘটনায় তোলপাড় Advertisement খুলনা ব্যুরো প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ খুলনা সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সাবরেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মণ্ডলকে কর্মস্থল থেকে বের হওয়ার পর দিনে-দুপুরে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সহকর্মী, দলিল লেখক ও পুলিশ তল্লাশিতে নামার প্রায় আধা ঘণ্টা পর তিনি নিজে একাই অফিসে ফিরে আসেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো দুপুর ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে লাঞ্চে যাওয়ার জন্য অফিস থেকে বের হন তন্ময়। গেটের সামনে থেকে ৪-৫ জন লোকের একটি টিম তাকে একটি রিকশায় তুলে নেয়। সদর দলিল লেখক সমিতির সহসভাপতি বাহাউদ্দীন জানান, ঘটনাটি জানতে পেরে তারা পিছু ধাওয়া করেন। পথিমধ্যে এক নারী জানান, রিকশা থেকে নামিয়ে তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নদীর ঘাটের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। মোটরসাইকেলে নেওয়ার সময় কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে খুলনার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী লিটনের মতো একজনকে দেখা গেছে। সন্ত্রাসী লিটন নগরীর মোস্ট ওয়ান্টেড গ্রেনেড বাবুর লোক বলে জানা যায়। সাবরেজিস্ট্রি অফিসের আরেক কর্মচারী মোহাম্মদ ফারুক হোসেন জানান, বের হওয়ার মুহূর্তে হট্টগোল শুনে অফিসে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। ৯৯৯-এ কল পেয়ে খুলনা সদর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) টিম সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত শুরু করে। অবশ্য আধা ঘণ্টা পর রহস্যজনকভাবে অফিসে ফিরে আসেন ওই সাবরেজিস্ট্রার।
