নোয়াখালীতে ভাঙচুর ও শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে ছাত্রদলের তিন নেতাকে বহিষ্কার
Why this classification
This incident was classified as political violence in Noakhali. Parties reported: BNP. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 2 sources.
Killed
0
Injured
1
Summary
২০২৬ সালের ২৯ এপ্রিল নোয়াখালী সরকারি কলেজে চাঁদা না পেয়ে শিক্ষকদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত এবং অধ্যক্ষের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এই ঘটনায় ছাত্রদলের তিন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং একজনের পদ স্থগিত করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
74% · severity 4
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
নোয়াখালীতে ভাঙচুর ও শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে ছাত্রদলের তিন নেতাকে বহিষ্কার
নোয়াখালী সরকারি কলেজে ভাঙচুরের ঘটনার পর ঘটনাস্থলে যায় পুলিশফাইল ছবি নোয়াখালী সরকারি কলেজে শিক্ষকদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা ও অধ্যক্ষের কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগে ছাত্রদলের তিন নেতাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলামের সাংগঠনিক পদ দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া কলেজ শাখার সাবেক সভাপতিকেও কারণ দর্শানোর নেটিশ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের অনুমোদনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে তিন নেতাকে বহিষ্কার ও সভাপতির পদ স্থগিতের কথা উল্লেখ রয়েছে। বহিষ্কার হওয়া নেতারা হলেন কলেজ ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মুর্শিদুর রহমান রায়হান, সহসভাপতি আক্তারুজ্জামান ও সহসাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেন। পাশাপাশি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলামের সাংগঠনিক পদ দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া আরেক বিজ্ঞপ্তিতে সাবেক সভাপতি আকবর হোসেনকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, সে বিষয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীর উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। এর আগে গতকাল বুধবার দুপুরে ছাত্রদলের নেতাদের বিরুদ্ধে কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর এবং শিক্ষকদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ তোলে শিক্ষক পরিষদ। পরিষদের অভিযোগ, উন্নয়নকাজ ও পরীক্ষার ফি–সংক্রান্ত বিষয়ে চাঁদা না দেওয়ায় কিছুদিন ধরে ছাত্রদলের কয়েক নেতা-কর্মী কলেজে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছিলেন। ঘটনার সময় অধ্যক্ষসহ কয়েকজন শিক্ষক একটি কক্ষে বসে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। এ সময় ছাত্রদলের একদল নেতা-কর্মী কক্ষে ঢুকে গালাগাল শুরু করেন। পরে তাঁরা শিক্ষকদের খাবারের টেবিল থেকে উঠে যেতে বাধ্য করেন। এ ঘটনার একপর্যায়ে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুনশাদুর রহমানকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। তাঁর শার্টের বোতাম ছিঁড়ে ফেলা হয়। ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। আরও পড়ুন নোয়াখালী সরকারি কলেজে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে শিক্ষক লাঞ্ছনা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ২৯ এপ্রিল ২০২৬ জানতে চাইলে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ বি এম সানা উল্লাহ বলেন, ‘চাঁদা না দেওয়ায় তারা কিছুদিন ধরে বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে আসছিল। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি (পদ স্থগিত) রাশেদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ভুল–বোঝাবুঝি থেকে তর্কের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে এক শিক্ষার্থী ক্ষুব্ধ হয়ে ফুলের টব ও একটি গ্লাস ভাঙচুর করে। এর সঙ্গে ছাত্রদলের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।’ জানতে চাইলে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কর্মবিরতি স্থগিত এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে ঘোষিত কর্মবিরতি স্থগিত করেছে নোয়াখালী সরকারি কলেজ শিক্ষক পরিষদ। ফলে আজ সকাল থেকেই কলেজের সব বিভাগে স্বাভাবিকভাবে পাঠদান চালু রয়েছে বলে জানিয়েছেন একাধিক শিক্ষক। জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ বি এম সানা উল্লাহ বলেন, ‘ছাত্ররা আমাদের প্রাণ। নিজেদের ক্ষতি স্বীকার করে হলেও তাদের শিক্ষাজীবন ব্যাহত করতে চাই না। তাই আপাতত কর্মবিরতি স্থগিত করা হয়েছে। দুপুরে শিক্ষক পরিষদের সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন হামলানোয়াখালীছাত্রদলঅপরাধচট্টগ্রাম বিভাগ
নোয়াখালী সরকারি কলেজে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে শিক্ষক লাঞ্ছনা ও ভাঙচুরের অভিযোগ
নোয়াখালী সরকারি কলেজে ভাঙচুরের ঘটনার পর ঘটনাস্থলে যায় পুলিশছবি: সংগৃহীত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন স্নাতক পরীক্ষা চলাকালে নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় শিক্ষকদের গালমন্দ, নাজেহাল ও শারীরিক লাঞ্ছনার ঘটনাও ঘটে। আজ বুধবার বেলা সোয়া দুইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষক পরিষদের অভিযোগ, ভাঙচুরের সময় অধ্যক্ষের কার্যালয়ের একটি কক্ষে বসে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন অধ্যক্ষসহ কয়েকজন শিক্ষক। এ সময় কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলামসহ একদল নেতা-কর্মী কার্যালয়ে ঢুকে তাঁদের গালমন্দ করেন এবং খাবারের টেবিল থেকে উঠে যেতে বাধ্য করেন। এ সময় বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুনশাদুর রহমানকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে তাঁর শার্টের বোতাম ছিঁড়ে ফেলা হয়। ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শিক্ষক পরিষদের জরুরি সভায় বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান স্নাতক পরীক্ষা কর্মবিরতির আওতার বাইরে থাকবে। শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, ভাঙচুরে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি ও কলেজ ছাত্রদলের বর্তমান কমিটি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। প্রয়োজনে মানববন্ধনের কর্মসূচিও দেওয়া হবে। কলেজ কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, বিভিন্ন উন্নয়নকাজ ও পরীক্ষার ফি আদায়ের ক্ষেত্রে চাঁদা না দেওয়ায় কিছুদিন ধরে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মী কলেজে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে আসছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, শিক্ষকদের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ করায় তাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হচ্ছে। আজ বিকেলে কলেজে গিয়ে দেখা যায়, অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে ভাঙা ফুলের টব পড়ে আছে। ভেতরে ভাঙা পানির মগ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। শিক্ষকদের জন্য আনা খাবার প্লেটে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের অবস্থান করতে দেখা গেছে। একই সঙ্গে পুলিশও অবস্থান নেয়। শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আফছার বলেন, ‘দুপুরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ বি এম সানা উল্লাহর কক্ষে আমরা খাবার খাচ্ছিলাম। এ সময় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা এসে ভাঙচুর চালায় এবং আমাদের গালমন্দ করে ও হুমকি দেয়।’ শিক্ষক পরিষদের জরুরি সভায় বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ঘোষণা করা হয়ছবি: সংগৃহীত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ বি এম সানা উল্লাহ বলেন, ‘চাঁদা না দেওয়ায় কিছুদিন ধরে তাঁরা নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে আসছিলেন। আজ তা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমরা বিষয়টি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও বিএনপির স্থানীয় নেতাদের জানাব।’ ক্যাম্পাসে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি। সেখানে কলেজ ছাত্রদলের সহসভাপতি আক্তারুজ্জামান বিশাল প্রথম আলোকে বলেন, ভাঙচুরের ঘটনায় ছাত্রদলের কোনো নেতা-কর্মী জড়িত নন। চাঁদা দাবির অভিযোগও ভিত্তিহীন। শিক্ষকদের অনিয়ম ঢাকতেই এসব অভিযোগ করা হচ্ছে। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিক্ষকেরা খাওয়ার সময় আমি সেখানে গিয়ে অধ্যক্ষকে উদ্দেশ করে বলেছিলাম, স্যার একা একা না খেয়ে আমাদের তো দাওয়াত দিতে পারতেন। বলতেই একজন শিক্ষক “রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র শেখ হাসিনা করেছে, তোমাদের তারেক রহমান দুই মাসে কী করেছে, আমরা তো দেখছি,’ ইত্যাদি বলায় এ নিয়ে তর্কাতর্কি হয়। একই সময় এক ছাত্র স্নাতক শ্রেণির শ্রেণিকক্ষ খুলে দেওয়ার কথা বলতেই আরেক শিক্ষক দুর্ব্যবহার করেন। তখন ওই ছাত্র ক্ষুব্ধ হয়ে ফুলের টব ও একটি গ্লাস ভাঙচুর করে। এর সঙ্গে ছাত্রদলের কোনো সম্পর্ক নেই।’ সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন হামলানোয়াখালীছাত্রদলচট্টগ্রামভাঙচুরচট্টগ্রাম বিভাগ
