স্ত্রীর সামনে প্রস্রাবের প্রতিবাদ করায় স্বামীকে প্রকাশ্যে হত্যা

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

ঘটনাটি একটি সুনির্দিষ্ট সহিংসতার ঘটনা, যেখানে ২০২৬ সালের ৭ জুন খুলনার পাইকগাছায় হাসান সরদার নামে এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে দফায় দফায় নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে হত্যার বিবরণ, অস্ত্র (হাতুড়ি, ইট) এবং মৃত্যুর কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, তাই এটি সহিংসতার ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Reported by:JugantorSingle source
07/06/26•পাইকগাছা

Killed

1

Injured

0

Summary

খুলনার পাইকগাছায় স্ত্রীর সামনে প্রস্রাবের প্রতিবাদ করায় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়কের নেতৃত্বে একদল লোক হাসান সরদারকে প্রকাশ্যে দফায় দফায় নির্যাতন করে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের চাচা ১০ জনের নামে থানায় এজাহার দাখিল করেছেন।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

95% · severity 10

Perpetrator side

BNPLocals

Victim side

Locals

Other actors

নাজমুল হুদা মিন্টুইবাদাত গাজীমনিরুল ইসলামকুদ্দুস গাজীকবির সরদারজহুরুল ইসলামআজহারুল গাজীইয়াসিন সরদারপলাশ সরদারশুকুর আলী

Tags

LynchingVigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP, Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 07/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 08/06/26open original ↗

স্ত্রীর সামনে প্রস্রাবের প্রতিবাদ করায় স্বামীকে প্রকাশ্যে হত্যা

স্ত্রীর সামনে প্রস্রাবের প্রতিবাদ করায় স্বামীকে প্রকাশ্যে হত্যা Advertisement পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১০:১৫ পিএম স্ত্রীর সামনে প্রস্রাব করার প্রতিবাদ করায় খুলনার পাইকগাছায় প্রকাশ্যে স্বামী হাসান সরদারকে (৩৫) দফায় দফায় নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের চাচা সিরাজুল বাদী হয়ে পাইকগাছা থানায় ১০ জনের নামে এজাহার দাখিল করেছেন। নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার বিকাল ৫টার দিকে হাসনের স্ত্রীর সামনে স্থানীয় খালেক গাজীর ছেলে কুদ্দুস গাজী প্রস্রাব করতে বসে। এর প্রতিবাদ করেন হাসান সরদার। এ ঘটনায় পাইকগাছা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক নামজুল হুদা মিন্টুর নেতৃত্বে প্রকাশ্য জনসম্মুখে মারপিট করে তাকে আহত করে। এর এক থেকে দেড় ঘণ্টা পরে একটু সুস্থ হলে আবারও নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে বেহুঁশ হয়ে পড়েন হাসান সরদার। জ্ঞান ফিরলে আবারও হাতুড়ি, ইট, দরজার হাক দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। এশার নামাজের পরে আবারও মারপিট করে তকে নসিমনে দড়ি দিয়ে পশুর মতো বেঁধে মিন্টুসহ তার সঙ্গীরা হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নয়ন কুমার সরকার তার চিকিৎসার প্রস্তুতি নিতে থাকেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। নিহতের মাথার পেছনে মগজ বের করা ছিল, কপাল ও চোয়ালে পেরেক ফুটানোর ছিদ্র ছিল, বাম চোখ খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল, চার হাত-পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে- এমনটি জানালেন নিহতের ভাইজি অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মীম আক্তার, চাচা সিরাজুলসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা। কেউ ছবি উঠাতে গেলে বা ঠেকাতে গেলে তাদেরও মারপিট করা হয়েছে বলে জানান উপস্থিত সবাই। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন তারা হলেন- পাইকগাছা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক স্থানীয় নাজমুল হুদা মিন্টু, ইবাদাত গাজী, মনিরুল ইসলাম, কুদ্দুস গাজী, কবির সরদার, জহুরুল ইসলাম, আজহারুল গাজী, ইয়াসিন সরদার, পলাশ সরদার ও শুকুর আলী। এ বিষয়ে নাজমুল হুদা মিন্টু বলেন, নিহত হাসান সরদার একজন খারাপ প্রকৃতির লোক। জনগণ গণধোলাই দিয়ে তাকে হত্যা করেছেন। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। তবে তাকে চিকিৎসার জন্য নসিমনে করে হাসপাতালে নিয়ে গেছিলাম। পাইকগাছা থানার এসআই আ. আজিজ বলেন, আমি লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছি। নিহতের মাথা মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিহতের চাচা সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ১০ জনের নামে এজাহার দাখিল করেছেন। এ বিষয়ে পাইকগাছা থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, অভিযোগ দাখিল হয়েছে শুনেছি। আমি খুলনায় আছি। সন্ধ্যার দিকে থানায় পৌঁছার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লাশ ময়নাতদন্তে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।