কোনাবাড়ীতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা স্বামী পলাতক
Why this classification
This incident was classified as gender-based violence due to the domestic nature of the crime, involving a husband allegedly murdering his wife.
Killed
1
Injured
0
Summary
গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে পারিবারিক কলহের জেরে রোকেয়া (২৪) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী আরিফ পলাতক রয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
95% · severity 7
Parties involved
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
প্রথম স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যা
প্রথম স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যা গাজীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬ | ০৮:১০ | প্রিন্ট সংস্করণ প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর প্রায় তিন বছর আগে রতন মিয়াকে বিয়ে করে নতুন সংসার পাতেন পোশাক কারখানার শ্রমিক শারমিন আক্তার রুমা (৩৫)। এ বিয়ে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না রতনের প্রথম স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন। এ নিয়ে দুই সংসারে অশান্তি চরমে পৌঁছায়। এক পর্যায়ে রতন মিয়া, তার প্রথম স্ত্রী আনোয়ারা ও মেয়ে রুনা আক্তার মিলে রুমাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া চন্নাপাড়া এলাকার এ ঘটনায় র্যাব-১, র্যাব-৯ ও র্যাব-১৪-এর যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া রতন মিয়া গতকাল আদালতে এ বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে রুমাকে হত্যার কথা আদালতকে তিনি জানিয়েছেন বলে জানান শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাফর আলী খান। গত শুক্রবার রুমাকে হত্যা করা হয়। শ্রীপুর থানার এসআই মো. লাল চান মিয়া জানান, গ্রেপ্তার হওয়া রতন মিয়ার প্রথম স্ত্রী আনোয়ারা ও মেয়ে রুনা জবানবন্দি দিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করায় তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। - বিষয় : - হত্যা
শাশুড়িকে ফোন দিয়ে হুমকির পর স্ত্রীকে হত্যা
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পারিবারিক কলহের জেরে শাশুড়িকে ফোন দিয়ে হুমকির পর স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার করেছে স্বামী। রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার বান্ধাবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত নারী টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই এলাকার শুকুর আলীর মেয়ে জান্নাত বেগম (২০)। তিনি ওই গ্রামের জুনায়েদ মিয়ার স্ত্রী। এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, চার বছর আগে পারিবারিকভাবে জুনায়েদের সঙ্গে জান্নাতের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দুই বছরের একটা পুত্র সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই নানা বিষয়ে পারিবারিক কলহ চলছিল। ঘটনার দিন সকালেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে জুনায়েদ তার শাশুড়িকে ফোন করে মেয়েকে নিয়ে যেতে বলেন। অন্যথায় তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। খবর পেয়ে নিহতের বাবা শুকুর আলী জামাই বাড়িতে গিয়ে দেখেন বিছানায় মেয়ের মরদেহ পড়ে আছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহতের পিতা শুকুর আলী ঢাকা পোস্টকে বলেন, খবর পেয়ে আমার মেয়ের বাড়িতে যাই। গিয়ে দেখি আমার মেয়ের নিথর দেহ মেঝেতে পড়ে আছে। গলায় আঘাতের চিহ্ন। আমার মেয়েকে মাঝে মধ্যেই নির্মম নির্যাতন করা হতো। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরে ও গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্বামী জুনায়েদকে আটক করে আনা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা চলমান। এসএইচএ
কোনাবাড়ীতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা স্বামী পলাতক
কোনাবাড়ীতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা স্বামী পলাতক Advertisement কাশিমপুর-কোনাবাড়ী (গাজীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী আরিফ পালিয়েছে। সোমবার ভোরে পারিজাত এলাকায় হাফিজুর রহমানের ভাড়া বাসা থেকে রোকেয়া (২৪) নামে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত রোকেয়া ময়মনসিংহের ত্রিশালের হরিয়াগুনি গ্রামের তারা মিয়ার মেয়ে। তিনি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে। ওসি মো. ইফতেখার হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি শ্বাসরোধজনিত হত্যাকাণ্ড। অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
