রামেকে পুলিশ সদস্যের মায়ের মৃত্যু, নার্সের সঙ্গে হাতাহাতি
Why this classification
This is a single, concrete incident in which a police constable and a hospital nurse physically fought at the Rajshahi Medical College Hospital, with slaps and punches reported. It is a physical clash, not a statement or reaction, and it happened on Monday, 27 April 2026, which is within the recent window. No deaths or injuries from the fight itself were reported.
Killed
0
Injured
0
Summary
(২০২৬-০৪-২৭) রাত সাড়ে ৯টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মায়ের চিকিৎসা নিয়ে বিরোধের জেরে পুলিশ কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম সিনিয়র স্টাফ নার্স ও ব্রাদার রাকিব আহম্মেদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ান। মায়ের মৃত্যুর পর ঘটা এই ঘটনায় পরে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
রামেকে পুলিশ সদস্যের মায়ের মৃত্যু, নার্সের সঙ্গে হাতাহাতি
রামেকে পুলিশ সদস্যের মায়ের মৃত্যু, নার্সের সঙ্গে হাতাহাতি Advertisement রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল। ফাইল ছবি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স ও পুলিশের কনস্টেবলের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের অর্থোসার্জারি ইউনিট-২ এর ডেন্টাল বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম তার বৃদ্ধা মা নূরেসা বেগমকে ভর্তি করেছিলেন। তিনি দাঁতের সমস্যায় ভুগছিলেন। হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই তিনি মারা যান। কনস্টেবল আমিনুল ইসলামের অভিযোগ, তার মায়ের চিকিৎসায় অবহেলা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত ব্রাদার রাকিব আহম্মেদ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কনস্টেবল আমিনুল মহানগরীর শাহমখদুম থানায় কর্মরত। বাড়ি নাটোর সদরের দিঘাপতিয়ায়। দুজনের হাতাহাতির পর অন্য নার্স ও ব্রাদাররা ছুটে যান। পুলিশ কনস্টেবল আমিনুলকে আটকে রেখে হাসপাতাল পুলিশ বক্সে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা তাকে নিয়ে যান। এরপর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আসেন। হাসপাতাল পরিচালকের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তারা বিষয়টির মীমাংসা করেন। পরে মধ্যরাতে মায়ের লাশ নিয়ে বাড়ি যান পুলিশ কনস্টেবল। যোগাযোগ করা হলে কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম বলেন, আমার মায়ের দাঁতের সমস্যা। চোয়াল বসে মুখ বাঁকা হয়ে গিয়েছিল। আমি সাড়ে ৮টার দিকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাই। সেখান থেকে সরাসরি অপারেশন থিয়েটারে দেয়। সেখানে নেওয়ার পর ডাক্তার বললেন এটা তার কাজ না। তিনি পাঠিয়ে দিলেন ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি বলেন, সেখানে গিয়ে নার্সদের বললাম শুধু মুখটা সোজা করে দেন। চিকিৎসা পরে হবে; কিন্তু তারাও বলেন যে- এটা তাদের কাজ না। অনেকক্ষণ পর ব্রাদার রাকিব আসেন। তিনিও বলেন যে, এটা তিনি পারবেন না। তখন আমি বলি, পারবেন না তো দায়িত্ব ছেড়ে দেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে হাতাহাতি। এরপর ৩০-৪০ জন এসে আমাকে আটকে রেখে পুলিশ ডাকে। তবে পুলিশ সদস্য প্রথমেই ঘুসি মেরেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাদার রাকিব আহম্মেদ। তিনি বলেন, আমি গিয়ে দেখি রোগীর পালস নেই। আমি বুঝেছি তিনি মারা গেছেন, কিন্তু ঘোষণা দেওয়া আমার কাজ না। তাই রোগী রিসিভ না করে বলি অপারেশন থিয়েটারের যে ডাক্তার পাঠিয়েছেন, সেখানেই নিয়ে যান। এই কথা বলতেই তিনি আমাকে প্রথমে দুটি বক্সিং এবং পরে আমার কানের ওপর আরও দুটি থাপ্পড় দেন। তখন আমি তাকে আটকে রেখে বলি, আমার কী দোষ, সেটা আমাকে বলে যান। পরে পুলিশ-আনসার আসে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ওই ঘটনায় হাসপাতাল পরিচালক ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গিয়ে মীমাংসা করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে মামলা করার কথা বলছিল। তখন মামলা থেকে বাঁচতে পুলিশ কনস্টেবল আমিনুল দুঃখ প্রকাশ করেন। পরে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, তার বিরুদ্ধে হাসপাতালের পক্ষ থেকে পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে তারা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবেন। এখন যেন তাকে মায়ের লাশ নিয়ে যেতে দেওয়া হয়। এতে রাজি হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনার জেরে মঙ্গলবার সিনিয়র স্টাফ নার্স রাকিব আহম্মেদ মহানগর পুলিশের কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, তিনি ছুটিতে আছেন। কিছু জানেন না। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকেএম মাসুদ-উল ইসলামকে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি। রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গাজিউর রহমান এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। শাহমখদুম থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, মায়ের চিকিৎসার জন্য আমিনুল কয়েক জায়গায় ঘুরেছেন। মায়ের মৃত্যুর পর হাতাহাতি করেছেন। এটা তার ঠিক হয়নি। এখানে দুপক্ষেরই দোষ আছে। আমিনুল যেহেতু পুলিশ সদস্য, তার বিরুদ্ধে পুলিশ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবে।
