শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 96%

Why this classification

প্রবন্ধে বর্ণিত ঘটনা একটি স্থানীয় যুবকের দ্বারা কাঠের বাটাম দিয়ে মারধর করে মৃত্যুদণ্ডে পরিণত হওয়া (শারীরিক আক্রমণ ও মৃত্যু) যা হিংসাত্মক আক্রমণ হিসেবে স্বীকৃত। তাই এটি বৈধ হিংসা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

Reported by:SamakalAjker PatrikaDhaka PostJugantorProthom AloCorroborated · 5 sources
14/10/26•গোবিন্দপুর গ্রাম

Killed

1

Injured

0

Summary

চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গায় স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদে ইমদাদুল হককে নাইস কাঠের বাটাম দিয়ে আঘাত করে মারধর করে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি ২০২৬-১০-১৪ তারিখে ঘটেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

96% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Imdadul HekNaisউজ্জ্বল হোসেনরাকিবুল ইসলাম

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (5 sources)

Source 1: Samakal · 15/10/26open original ↗

শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ইমদাদুল হক আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | ০০:৫৬ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ইমদাদুল হক (২৩) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার রাত নয়টার দিকে পৌর এলাকার গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নাইস (২০) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নিহত ইমদাদুল হক আলমডাঙ্গা উপজেলার নওদা বন্ডবিল গ্রামের রেজাউল হকের ছেলে। অভিযুক্ত নাইস গোবিন্দপুর গ্রামের মজনু রহমানের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করা নিয়ে ইমদাদুলের সঙ্গে নাইসের আগে একাধিকবার কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। বুধবার রাতে নাইসের পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানাতে তাদের বাড়িতে যান ইমদাদুল। এ সময় নাইসের সঙ্গে তার বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নাইস কাঠের বাটাম দিয়ে ইমদাদুলের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে গুরুতর আহত হন ইমদাদুল। পরে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শী উজ্জ্বল হোসেন বলেন, বিদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছিলেন ইমদাদুল। বুধবার রাত নয়টার দিকে তিনি নাইসের বাড়িতে যান। সেখানে নাইসের বাবা-মাকে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার বিষয়টি জানাতে চেয়েছিলেন। এ সময় নাইস ঘর থেকে কাঠের বাটাম এনে ইমদাদুলের মাথা ও শরীরে আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে অভিযান চালিয়ে লালব্রিজ এলাকা থেকে অভিযুক্ত নাইসকে আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত করে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - চুয়াডাঙ্গা

Source 2: Ajker Patrika · 15/10/26open original ↗

চায়ের আড্ডায় বাগ্‌বিতণ্ডা, কিশোরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে যুবক কারাগারে

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমদাদুল হক (১৭) নামের এক কিশোরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নাইস (২০) খন্দকারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌরসভার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত এমদাদুল হক উপজেলার নওদাবন্ডবিল গ্রামের রেজাউল হকের ছেলে। অভিযুক্ত নাইস খন্দকার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার মজনু খন্দকারের ছেলে। আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, রাতে একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন এমদাদুল। এ সময় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে নাইসের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নাইস তাঁকে মারতে গেলে এমদাদুল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। কিছু দূর যাওয়ার পর তিনি পড়ে গেলে হাতের কাছে থাকা লাঠি দিয়ে তার মাথায় সজোরে আঘাত করেন নাইস। এতে এমদাদুল গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ওসি রাকিবুল ইসলাম আরও বলেন, এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নাইস খন্দকারকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Source 3: Dhaka Post · 15/10/26open original ↗

বন্ধুর বাটামের আঘাতে যুবকের মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বন্ধুর বাটামের আঘাতে ইমদাদুল হক (২২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা রেজাউল করিমের দায়ের করা হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি নাইস খন্দকারকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে আলমডাঙ্গার গোবিন্দপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইমদাদুল হক আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার নওদাবন্ডবিল গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে। অভিযুক্ত নাইস খন্দকার একই এলাকার মৃত মজনু খন্দকারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার রাতে গোবিন্দপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন ইমদাদুল ও নাইস। সেখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বন্ধুর আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে নাইসের মায়ের কাছে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নেন ইমদাদুল। নাইসকে রাস্তায় দাড় করিয়ে রেখে তিনি তার বাড়িতে যান এবং ছেলের আচরণ নিয়ে মায়ের কাছে অভিযোগ করেন। এ সময় দুজনের মধ্যে আবারও বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে নাইস কাঠের বাটাম হাতে নিয়ে ইমদাদুলকে ধাওয়া করেন। পালানোর সময় ইমদাদুল বাড়ির ভেতরে পড়ে গেলে তার মাথায় বাটাম দিয়ে আঘাত করেন নাইস। এতে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকেন ইমদাদুল। দীর্ঘ সময় ইমদাদুল বাড়ি থেকে বের না হওয়ায় স্বজনেরা তার খোঁজ করতে যান। পরে বাড়ির ভেতরে টিউবওয়েল ও ঘরের মাঝখানে বেড়ার পাশে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তারা। সেখান থেকে উদ্ধার করে তাকে প্রথমে আলমডাঙ্গার ফাতেমা ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন স্বজনেরা। তবে পথেই খাজানগর এলাকায় তার মৃত্যু হয়। তবে অভিযুক্ত নাইসের মায়ের ভাষ্য, ইমদাদুল তার বাড়িতে এসে ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইমদাদুল একটি লাঠি দিয়ে নাইসকে আঘাত করে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি পড়ে গেলে নাইস তার মাথায় বাটাম দিয়ে আঘাত করেন। ঘটনার পর নাইস বাড়ি ছেড়ে লালব্রিজ এলাকায় চলে যান। সেখানে স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাকে দেখতে পেয়ে আটক করার চেষ্টা করেন। পরে তিনি পাশের বধ্যভূমির দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধরে মারধর করেন তারা। এরপর স্থানীয়রা তাকে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। স্থানীয়রা জানান, ইমদাদুল বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কয়েক দিন আগে তিনি ঢাকায় গিয়েছিলেন। ফ্লাইট না হওয়ায় মঙ্গলবার বাড়িতে ফিরে আসেন। তাদের দাবি, নাইস কোনো কাজ করতেন না এবং তার মেজাজ ছিল উগ্র। এদিকে নিহতের বাবা রেজাউল করিম বাদী হয়ে নাইস খন্দকারকে একমাত্র আসামি করে আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শীতল বিশ্বাস বলেন, ইয়ারকির ছলে শুরু হওয়া কথা কাটাকাটি থেকে সৃষ্ট বিরোধের জেরে নাইস বাটাম দিয়ে ইমদাদুলের মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থানে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে স্থানীয় ক্লিনিকে নেন। পরে কুষ্টিয়ায় নেওয়ার পথে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন এবং আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আফজালুল হক/আরএআর

Source 4: Jugantor · 15/10/26open original ↗

স্কুলছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, প্রতিবাদ করায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা

স্কুলছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, প্রতিবাদ করায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা. চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ইমদাদুল হক (২৩) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

Source 5: Prothom Alo · 15/10/26open original ↗

‘মায়ের কাছে অভিযোগ দিলি ক্যানে’ বলেই বাটাম দিয়ে মাথায় আঘাত, প্রাণ গেল তরুণের

ইমদাদুল হকছবি: সংগৃহীত চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ছাত্রীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাটাম দিয়ে আঘাত করে এক তরুণকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আরেক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার রাতে ৯টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার গোবিন্দপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত তরুণের নাম ইমদাদুল হক (২২)। তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলার নওদা বন্ডবিল গ্রামের রেজাউল হকের ছেলে। অভিযুক্ত নাইস খন্দকার (২০) নামের ওই তরুণকে স্থানীয় লোকজন গতকাল রাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। নাইস একই উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মজনুর রহমানের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্কুলগামী ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় গোবিন্দপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি চায়ের দোকানে ইমদাদুলের সঙ্গে নাইসের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে নাইসের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মায়ের কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেন ইমদাদুল। অভিযোগ দিয়ে ফেরার পথে নাইস ‘মায়ের কাছে অভিযোগ দিলি ক্যানে’ বলে ক্ষিপ্ত হয়ে কাঠের বাটাম দিয়ে ইমদাদুলের মাথায় আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। নাইস সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যান। এ ঘটনার পর নাইস এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়া চেষ্টা করছিলেন। পরে আলমডাঙ্গা শহরের লালব্রিজ এলাকায় স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাঁকে আটক করেন। একপর্যায়ে তাঁকে পিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্থানীয় লোকজন আহত ইমদাদুলকে প্রথমে একটি স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। পথে তাঁর মৃত্যু হয়। এদিকে ঘটনার পর নাইস এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়া চেষ্টা করছিলেন। পরে আলমডাঙ্গা শহরের লালব্রিজ এলাকায় স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাঁকে আটক করেন। একপর্যায়ে তাঁকে পিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে ইমদাদুলের বাবা রেজাউল হক বাদী হয়ে মামলা করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, এ মামলায় নাইসকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন আলমডাঙ্গানিহতঅপরাধখুলনা বিভাগচুয়াডাঙ্গাহত্যা