বাবা মারামারি থামিয়ে দেওয়ায় মেয়ের ওপর হামলার অভিযোগ
Why this classification
This is a specific, recent attack in which a group of about six people, led by Rafiq Sheikh, assaulted a 10-year-old girl and her aunt. Sheikh struck the child on the forehead with a wooden baton, causing a serious head wound and heavy bleeding, and the aunt also needed first aid. The attack was carried out out of anger over a family dispute, and the incident took place on 16 April 2026.
Killed
0
Injured
2
Summary
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার কুটিরচর মধ্যপাড়ায় ২০২৬ সালের ১৬ এপ্রিল সকালে দুই পরিবারের বিরোধের জেরে রফিক শেখ ও তার সহযোগীরা দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রিতু ও তার খালাকে হামলা করে। কাঠের বাটামের আঘাতে রিতুর কপাল গুরুতরভাবে ফেটে যায় এবং তাকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
৫ বছরের ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ চাচাদের বিরুদ্ধে
৫ বছরের ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ চাচাদের বিরুদ্ধে ছবি: সমকাল শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ | ১৬:৫৭ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মাহতাব হোসেন হৃদয় নামের ৫ বছর বয়সী এক শিশুকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে আপন চাচাদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গালা ইউনিয়নের মার্জান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাহতাব হোসেন হৃদয় ফারুক হোসেনের ছেলে। নিহত হৃদয়ের বাবা ফারুক হোসেন এবং স্বজনেরা জানান, শাহজাদপুর উপজেলার গালা ইউনিয়নের মার্জান গ্রামের মৃত হাতেমের ছেলে হামেদ আলী বাড়িতে টয়লেট নির্মাণ করার জন্য ফারুক হোসেনের গোয়ালঘর ঘেঁষে মাটি ফেলার সময় নিষেধ করলে দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এসময় হামেদের পক্ষ নিয়ে তার অন্য ভাই পেশকার, আশকার, হাকিম এবং মোক্তার লাঠিসোঁটা এবং চাপাতি নিয়ে এগিয়ে গেলে সন্তানকে কোলে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন ফারুক হোসেন। পরে হামেদ চাপাতি দিয়ে কোপানো শুরু করলে ফারুকের কোল থেকে সন্তান হৃদয় হোসেন মাটিতে পড়ে যায়। দৌড়ে ফারুক হোসেন পালাতে পারলেও ৫ বছর বয়সী ভাতিজা মাহতাব হোসেন হৃদয়কে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে তার চাচারা। প্রতিবেশীরা আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়। এদিকে মাহতাব হোসেন হৃদয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন অভিযুক্ত হামেদ, পেশকার, আশকার, মোক্তার ও হাকিম। এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. নাজমুল কাদের জানান, খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেছে।নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। - বিষয় : - সিরাজগঞ্জ - শাহজাদপুর - কুপিয়ে হত্যা
বাবা মারামারি থামিয়ে দেওয়ায় মেয়ের ওপর হামলার অভিযোগ
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় দুই পরিবারের মারামারি থামিয়ে দেওয়ার জেরে এক শিশু শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। কাঠের বাটাম দিয়ে আঘাত করে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী তাসফিয়া আক্তার রিতুর কপাল ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে উপজেলার কুটিরচর মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত একই গ্রামের মো. রফিক শেখ ওরফে হুটা। জানা গেছে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুই শিশু বাচ্চার মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের বড়দের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ওই সময় ভুক্তভোগী তাসফিয়া আক্তার রিতুর বাবা মো. আনোয়ার হোসেন এবং তার নানি আকলিমা খাতুন মারামারি থামিয়ে দেন। সংঘর্ষটি ছিল রফিক শেখের পরিবার ও অন্য একটি পরিবারের মধ্যে। তবে মারামারি থামিয়ে দেওয়ায় রফিক শেখের পরিবার প্রতিপক্ষের ওপর আক্রমণ চালাতে ব্যর্থ হয় এবং এতে তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেই ক্ষোভ থেকেই বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে আনোয়ার হোসেনের ওপর রাগ খাটাতে তার ১০ বছর বয়সী মেয়ে রিতুর ওপর হামলা চালানো হয়। সেদিন সকালে রিতুর খালা মোছা. আখি খাতুন তাকে নিয়ে স্কুলে যাচ্ছিলেন। সকাল আনুমানিক ৭টা ৪০ মিনিটে তারা রফিক শেখের বাড়ির সামনে পৌঁছালে অভিযুক্তরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। একপর্যায়ে রফিক শেখের নেতৃত্বে প্রায় ৬ জন মিলে রিতু ও তার খালা আখির ওপর হামলা চালায়। এ সময় রফিক শেখ কাঠের বাটাম দিয়ে ছোট শিশু রিতুর কপালে আঘাত করলে তার কপালের মাঝখানে গুরুতর জখম হয় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। অন্যদিকে খালা আখি খাতুন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। শিশুটির খালা মোছা. আখি খাতুন বলেন, আমার মা ও রিতুর বাবা আনোয়ার হোসেন মারামারি থামিয়ে দিয়েছিল। এই ক্ষোভ থেকে আমাদের ওপর রফিক সেখ হামলা করেছেন। ছোট শিশু বাচ্চাটির কপাল একদম ফেটে গিয়েছে। আমরা এর বিচার চাই। শিশুটির বাবা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, মারামারি থামিয়ে দিয়েই বড় অপরাধ করে ফেলেছি। আমার মেয়েটা দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। মেয়েটা মেধাবী, তার রোল এক। পুরো কপালটা ফাটিয়েছে। তাদের রাগ ছিল, আমার ওপরে হামলা করতো। শিশু বাচ্চাটির এমন ক্ষতি কিভাবে করল? আমি এর বিচার চাই। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রফিক শেখ ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে ভদ্রঘাট ২নম্বর ওয়ার্ড এর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. ইয়াকূব বলেন, আমরা ঘটনা শোনার পরেই হাসপাতালে মেয়েটিকে দেখতে গিয়েছিলাম। অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়েছিলাম, সেও পলাতক আছে। আমরা বলেছি, মেয়ের চিকিৎসা করাও। যতদূর করানো যায়। আমরা সেটা করব। কামারখন্দ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলী ঢাকা পোস্টকে বলেন, ঘটনাটি আপনার মাধ্যমে শুনলাম৷ পরিবার অভিযোগ দিলে, আমরা আন্তরিকতার সাথে বিষয়টি দেখব। নাজমুল হাসান/এসএইচএ
