ফতুল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গণপিটুনিতে আহত হিরুর মৃত্যু
Why this classification
A crowd of local residents severely beat a 22-year-old man in Fatullah, Narayanganj, after he was accused of raping a six-year-old child. He died on 28 May after six days of treatment at Dhaka Medical College Hospital, so this is a real, recent, fatal attack within Bangladesh.
Killed
1
Injured
0
Summary
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ২২ মে ছয় বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে উত্তেজিত এলাকাবাসী হিরু (২২)-কে তার বাড়ি থেকে ধরে এনে গণপিটুনি দেয়। ছয় দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৮ মে রাতে তার মৃত্যু হয়।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
95% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ফতুল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গণপিটুনিতে আহত হিরুর মৃত্যু
ফতুল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গণপিটুনিতে আহত হিরুর মৃত্যু Advertisement ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গণপিটুনিতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন হিরুর মৃত্যু হয়েছে। ছয় দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন। নিহত হিরু (২২) ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়নের মনির হোসেনের ছেলে। এর আগে গত ২২ মে বিকালে ছয় বছর বয়সি এক শিশুকে বিস্কুট কেনার জন্য ২০ টাকা দিয়ে পাটক্ষেতে নিয়ে বন্ধু সোহেলের সহযোগিতায় ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত এলাকাবাসী হিরুকে তার বাড়ি থেকে ধরে এনে গণপিটুনি দেয়। পরে অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যরা এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় হিরুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনার পরদিন শিশুর মা বাদী হয়ে হিরু ও তার বন্ধু সোহেলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই দিন সোহেল থানায় আত্মসমর্পণ করেন। থানা পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, হিরুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল। মৃত্যুর পর তার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
