ভিডিও করায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় পাঠানোর অভিযোগ
Why this classification
Two journalists were physically restrained with handcuffs and taken to a police station after a struggle over a mobile phone, and their photos and videos were deleted. This is a physical confrontation and coercive attack by a government official and police, not a simple arrest, so it is classified as a violent incident.
Killed
0
Injured
0
Summary
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা ভূমি কার্যালয়ে ১ এপ্রিল ২০২৬ (বুধবার) ভিডিও ধারণ করায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নূর দুই সাংবাদিক রাসেল সরকার ও আব্দুল আলিমের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এবং তাঁদের হাতকড়া পরিয়ে থানায় পাঠান। থানায় তাঁদের ছবি ও ভিডিও মুছে দিয়ে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
80% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ভিডিও করায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় পাঠানোর অভিযোগ
ভিডিও করায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় পাঠানোর অভিযোগ হ্যান্ডকাপ পরিয়ে থানায় আনা হয় সাংবাদিক আবদুল আলিম ও রাসেল সরকারকে। ছবি: সমকাল কুমিল্লা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৬ | ২১:৫৮ কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে ভিডিও করায় মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় পাঠিয়েছেন সহকারী কমিশনার ফয়সাল আল নূর। বুধবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর এর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক হলেন, দৈনিক মানবজমিনের দেবিদ্বার উপজেলা প্রতিনিধি রাসেল সরকার এবং ফেস দ্য পিপল ও স্থানীয় দৈনিক আমার শহর পত্রিকার দেবিদ্বার প্রতিনিধি আব্দুল আলিম। সাংবাদিক আব্দুল আলিমের ভাষ্য, তাঁর খালাতো বোনের নামজারি নিয়ে এক বছর ধরে ঘোরাচ্ছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নূর। বুধবার ওই নামজারির শুনানির দিন ছিল। তাঁকে তিন দিন আগে তাঁর খালাতো বোন ফোন করে উপস্থিত থাকতে বলেন। তিনি মানবজমিনের প্রতিনিধি রাসেলকে নিয়ে বেলা ১১টার দিকে ভূমি অফিসে যান। দুপুর ২টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) জিজ্ঞেস করেন ‘শুনানিটা আজ হবে কিনা’। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) উত্তেজিত হয়ে খারাপ আচরণ শুরু করেন। পকেট থেকে মোবাইল ফোন বের করে তাঁর খারাপ আচরণের ভিডিও ধারণ করেন রাসেল। এ সময় তাঁর কাছ থেকে জোর করে মোবাইল ফোন কেড়ে নিতে চাইলে বাধা দেন তিনি। এতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশকে ফোন করেন। তাঁর আদেশে তাঁকে এবং সাংবাদিক রাসেল সরকারকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। থানায় নেওয়ার পর তাঁর কাছ থেকে জোর করে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে সব ছবি এবং ভিডিও ডিলিট করে দেন। পরে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না মর্মে জোর করে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়। অভিযোগের ব্যাপারে বক্তব্য জানতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নূরকে কয়েকবার ফোন করা হলেও রিসিভ করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। চান্দিনা থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা এই ঘটনায় কোনোভাবে জড়িত নই। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যে আদেশ দিয়েছেন আমরা পুলিশ হিসেবে সেটাই পালন করেছি। বিষয়টি মীমাংসা হওয়ায় থানায় আনা দুই সাংবাদিক চলে গেছেন।’ কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলামের ভাষ্য, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। তবে পুরো ঘটনা জানতে পারেননি। তাই মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।
