‘সামনে ঈদ, ঘরে চাল-টাকা কিছুই নাই, কম কষ্টে চাল আনতি যাইনি’
Why this classification
A union parishad chairman is alleged to have pushed Safia Begum and grabbed her throat during an Eid rice distribution on Monday, 16 March 2026, which is a concrete physical attack within the 14-day window. The chairman denies the allegation, but the article reports a specific incident with named witnesses, not just reactions or commentary.
Killed
0
Injured
0
Summary
(১৬ মার্চ ২০২৬) ঈদ উপলক্ষে সরকারি চাল নিতে নলদি ইউনিয়ন পরিষদে গেলে সাফিয়া বেগমকে চেয়ারম্যান ধাক্কা দেন ও গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ উঠেছে। চেয়ারম্যান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
75% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
‘সামনে ঈদ, ঘরে চাল-টাকা কিছুই নাই, কম কষ্টে চাল আনতি যাইনি’
‘সামনে ঈদ, ঘরে চাল-টাকা কিছুই নাই, কম কষ্টে চাল আনতি যাইনি’ হতাশা আর দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে নড়াইলের নলদি ইউনিয়নের সাফিয়া বেগমের সমকাল নড়াইল সংবাদদাতা প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬ | ০৭:৫৮ | প্রিন্ট সংস্করণ আমার স্বামী অসুস্থ। তিন বছর ধরে ক্যান্সার রোগ হইছে। সামনে ঈদ, ঘরে চাল-টাকা কিছুই নাই। কম কষ্টের জন্যি আমি চাল আনতি যাইনি। কথাগুলো বলছিলেন, নড়াইলের নলদি ইউনিয়নের বাসিন্দা সাফিয়া বেগম (৩৪)। গত সোমবার ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি বরাদ্দের চাল নিতে নলদি ইউনিয়ন পরিষদে যান সাফিয়া বেগম। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাঁকে ধাক্কা দেন এবং এক পর্যায়ে গলা চেপে ধরেন। এতে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সাফিয়া বেগমের বাড়ি নড়াইল লোহাগড়া উপজেলার নলদি ইউনিয়নের চাকুলিয়া গ্রামে। স্বামী জাহাঙ্গীর ক্যান্সারে আক্রান্ত। অন্যের বাড়িতে কাজ করে এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে চার সদস্যের সংসার পরিচালনা করেন সাফিয়া। বড় ছেলে পারভেজ (১৭) ইটভাটায় কাজ করে এবং মেয়ে রহিমা খানম মাদ্রাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। সাফিয়া বেগম বলেন, ‘অল্প বয়সে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে অভাব অনটনের সংসার। চাল আনতে চেয়ারম্যানের কাছে গেলে শুধু দুই কেজি চাল দেয়। দুই কেজি চাল দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আমারে গলা ধরে ধাক্কা দেয়, আবারও গলা চেপে ধরে।’ প্রত্যক্ষদর্শী চাকুলিয়া গ্রামের পলি পারভিন বলেন, ‘আমাদের চাল আনতে যেতে বলা হয়েছে, আমরা গিছি। আমার সঙ্গে সাফিয়া চাল আনতে গেছেলো। মহিলাডারে চেয়ারম্যান যেভাবে গলা চাইপে ধরেছে, এটা আমরা সবাই দেখেছি। আমি প্রতিবাদ করতে গেলে আমাকেও গলা টানে ছিঁড়ে ফেলার হুমকি দেন।’ মিঠাপুর গ্রামের শহিদ শেখ বলেন, ‘খুবই অসহায় লোক সাফিয়া। অসুস্থ স্বামী নিয়ে সে খুব কষ্টে দিন পার করছে। অভাবের কারণে ১০ কেজি চালের জন্য চেয়ারম্যানের কাছে গেছে। তিনি চেয়ারম্যান হয়ে একজন মহিলা মানুষের গায়ে হাত দিলেন? এর সঠিক বিচার আমরা চাই।’ অভিযোগ অস্বীকার করে নলদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ পাখী বলেন, ‘ওই মহিলা চাল নিতে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছিল। আমি তাঁকে মাথায় হাত দিয়ে বুঝিয়েছি। তাঁকে তো আমি চিনিই না। পরে জানতে পারলাম তাঁর বাড়ি চাকুলিয়া। এটা নিয়ে কোনো ঝামেলাই হয়নি। শুধু শুধু আমার নামে এসব মিথ্যা কথা বলেছে। আর আমি চেয়ারম্যান এই ইউনিয়নের, আমি কেন মহিলা মানুষের গায়ে হাত দিতে যাব। ওই মহিলা মিথ্যা বলেছে।’ লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী কায়সার বলেন, এ বিষয়ে কেউ আমার কাছে অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - ঈদসামগ্রী
