নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে রেলওয়ের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে বিএনপি নেতাকর্মীদের রাস্তা তৈরির চেষ্টা

AI-classifiedconfidence 74%

Why this classification

This incident was classified as political violence in Netrokona. Parties reported: BNP. Reported by 1 source.

Reported by:Ajker PatrikaSingle source
08/04/26•Mohanganj Railway Station

Killed

0

Injured

0

Summary

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে রেলওয়ের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে এবং রেললাইন দখল করে অবৈধভাবে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা। ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে এই দখল ও নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

74% · severity 2

Parties involved

BNP

Tags

VandalismLand Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Ajker Patrika · 08/04/26open original ↗

মোহনগঞ্জে অসাধু উদ্দেশে রেলের প্রাচীর ভেঙে ফেলার অভিযোগ

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌর শহরে রেলওয়ের সীমানাপ্রাচীর অনুমতি ছাড়াই একাধিক স্থানে ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। প্রাচীর ভেঙে রেললাইনের ওপর দিয়েই রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা চালায় অভিযুক্তরা। খবর পেয়ে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাধা দেন।প্রাচীর ভেঙে ফেলার কারণে রেলস্টেশনের আশপাশের অংশ অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। এতে ট্রেনের ইঞ্জিন ঘুরিয়ে দিক পরিবর্তনের সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষসহ স্থানীয়রা।বুধবার (৮ এপ্রিল) মোহনগঞ্জ রেলওয়ের স্টেশনমাস্টার জহিরুল ইসলাম সীমানাপ্রাচীর ভাঙার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ স্টেশন এই অঞ্চলে রেলওয়ের শেষ প্রান্ত। এই স্টেশনের পূর্ব পাশে রেলওয়ের বেশ কয়েক একর জায়গা রয়েছে। একসময় রেলওয়ের এসব জায়গা দখল করে দোকানপাটসহ কয়েক শ অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছিল। তবে ২০২১ সালে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে তৎকালীন সরকার। পরে বিপুল বরাদ্দে সীমানাপ্রাচীর তৈরি করে জায়গাটি সুরক্ষিত করা হয়। পাশাপাশি স্টেশনের উন্নয়ন ও নতুন আরেকটি প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ করা হয়। এ ছাড়া যান চলাচলের সুবিধার্থে সীমানাপ্রাচীর ঘেঁষে থাকা আঞ্চলিক মহাসড়কটি প্রশস্ত করা হয়। স্থানীয়রা জানান, রেলের সীমানাপ্রাচীরের ভেতর দিয়ে রাস্তা হলে দুই পাশে অসংখ্য দোকান তৈরি করে ভাড়া দিয়ে বিপুল টাকা আয় করার চেষ্টা চালাচ্ছে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা। ধীরে ধীরে পরে পুরো জায়গাটাই দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা তাদের। এর ফলে ভবিষ্যতে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনায় স্টেশনের সৌন্দর্য নষ্ট ও সম্পদ বেদখল হওয়ার আশঙ্কা করছে অনেকেই। পাশাপাশি রেললাইনের ওপর দিয়ে অনুমোদনহীন চলাচলে ট্রেনের যাত্রীসহ সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।এদিকে অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা দাবি করেছেন, নির্ধারিত ওই স্থানটিতে অতীতে একটি রাস্তা ছিল। বিগত স্বৈরাচার সরকার অপরিকল্পিতভাবে সেই রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। এতে সড়কে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। মানুষের ভোগান্তি লাঘবে তাই তাঁরা আগের সড়কটি উন্মুক্ত করতে চান। ভেঙে ফেলা রেলওয়ের সীমানা প্রাচীর। ছবি: আজকের পত্রিকাএ বিষয়ে মোহনগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম (ভিপি) বলেন, ‘আমরা অবৈধভাবে কোনো কিছু করার পক্ষে নই। জনস্বার্থে এখান দিয়ে রাস্তা করার দরকার হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে করা হবে। আমাদের কিছু নেতা-কর্মী এসব করতে চেয়েছিল। তারা দেয়ালের ভাঙা অংশে সুরকিও ফেলেছিল। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) সঙ্গে নিয়ে গিয়ে এসব বন্ধ করে দিয়েছি। সঠিক প্রয়োজন তুলে ধরে সংসদ সদস্যের ডিও লেটার নিয়ে অনুমতি সাপেক্ষে রাস্তাটি উন্মোচনের চেষ্টা করা হবে।’মোহনগঞ্জের স্টেশনমাস্টার জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘অনুমতি ছাড়াই সপ্তাহখানেক আগে প্রথমে একাধিক স্থানে সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়। খবর পেয়ে আমরা বাধা দিই। গতকাল আবারও সুরকি ফেলে দখল শুরু করেছিল কিছু লোক। প্রশাসনকে জানানো হলে আজকে উপজেলা প্রশাসন গিয়ে তাদের বাধা দেয়। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত ওই রাস্তা যদি রেললাইনের ওপর দিয়ে যায়, তাহলে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতির দরকার। কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিলে রেলওয়ের ওই ক্রসিংয়ে গেটম্যানের ব্যবস্থাও করবে। অন্যথায় ট্রেনের ইঞ্জিন ঘোরানোর সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।বিষয়টি নিয়ে ময়মনসিংহ রেলওয়ের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, ‘অনুমতি ছাড়া এভাবে রেলওয়ের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ফেলা অবৈধ। রাস্তা করা হোক আর যা-ই করা হোক, এই বিষয়ে রেলওয়ের অনুমোদন লাগবে। খবর পেয়ে কয়েক দিন আগে আমরা প্রাচীর ভাঙা ও জায়গা দখলের কাজে বাধা দিয়েছি। শুনেছি আজ (৮ এপ্রিল) আবারও সুরকি ফেলে দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’