সাভারে মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

প্রতিবেদনটি সাভারের হেমায়েতপুরে মাদানী সুপার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা জানায়, যা ধ্বংসাত্মক কাজ (আগুন) এবং কোনো পার্টি বা রাজনৈতিক সংঘের উল্লেখ নেই; তাই এটি বৈধ হিংসা ঘটনা এবং অপরাধমূলক অগ্নিকাণ্ড হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

Reported by:Dhaka PostProthom AloCorroborated · 2 sources
14/10/26•মাদানী সুপার মার্কেট, হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড

Killed

0

Injured

0

Summary

১৪ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে মাদানী সুপার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে, তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 4

Other actors

মো. তুষার আলী

Affected infrastructure

মাদানী সুপার মার্কেট

Tags

Arson

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 14/10/26open original ↗

সাভারে মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট

সাভারের হেমায়েতপুরে মাদানী সুপার মার্কেটে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট কাজ করছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে ওই মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ট্যানারি ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার মো. তুষার আলী ঢাকা পোস্টকে বলেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকে সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে একটি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের খবর আসে। পরে ট্যানারি ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট ও সাভার ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়েছে। তবে কীভাবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। লোটন আচার্য্য/এএমকে

Source 2: Prothom Alo · 14/10/26open original ↗

ঢাকার ফুটপাতে মারধরের ঘটনায় আটক সেই যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড

ফুটপাতে মারধরের এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার ফুটপাতে এক ব্যক্তিকে মারধর করা যুবক খালিদ হাসানকে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ বুধবার দুপুরে ধানমন্ডির মীনা বাজার এলাকা থেকে খালিদকে আটক করে পুলিশ। পরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে ১৫ দিনের সাজা দিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠায়। ডিএমপির রমনা জোনের স্পেশাল মেট্রোপলিটন আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান আহমেদ আজ প্রথম আলোকে বলেন, গত সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি সাতমসজিদ রোডের বেসরকারি বাংলাদেশ আই হসপিটালের উল্টো দিকে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ ওরফে মাসুদ রানা (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর কথা স্বীকার করেছেন খালিদ হাসান। এরপর তাঁকে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার দুপুরে এক তরুণীকে (২৩) শ্লীলতাহানির অভিযোগে শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর করেন খালিদ। এক পর্যায়ে শহীদ আবদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে তাঁকে এক মাসের সাজা দিয়ে কারাগার পাঠান ঢাকা মহানগর পুলিশের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ফুটপাতে শহীদ আবদুল্লাহকে চর–থাপ্পড় মারা ও কান ধরে ওঠ–বস করানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। ভিডিওতে দেখা যায়, ঘটনাস্থলে দুই পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকলেও তাঁরা নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁদের ওই ভূমিকা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তোলেন। এ ঘটনায় আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ধানমন্ডির মীনা বাজার এলাকা থেকে খালিদ হাসানকে আটক করে পুলিশ। আর মারধরের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা ধানমন্ডি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাইকে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে তাঁর কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়। আরও পড়ুন ঢাকার ফুটপাতে মারধরের ঘটনায় যুবক আটক, দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার ৮ ঘণ্টা আগে পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে, খালিদ হাসান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গ্রাফিকস ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেন। তাঁর ভাগনিকে শ্লীলতাহানি করায় তিনি শহীদ আবদুল্লাহর ওপর চড়াও হয়েছিলেন। গতকাল ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানিয়েছিলেন, শহীদ আবদুল্লাহ মোহাম্মদপুর এলাকায় থাকেন। তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি মানসিক রোগী। এমবিবিএস পড়ার সময় তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত হন। এরপর বিয়ে হলেও তাঁর সংসার টেকেনি। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী জানিয়েছিলেন, শহীদ আবদুল্লাহ তাঁকে ‘ব্যাড টাচ’ (খারাপ স্পর্শ) করেন। কিন্তু ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের সদস্যরা তাঁকে আটক করতে অনীহা প্রকাশ করেন। তখন তিনি ফোন করে তাঁর মামাকে ডেকে আনেন। তিনি এসে শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর করেন। আরও পড়ুন ঢাকার ফুটপাতে একজনকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, ঘটনাটি আসলে কী ঘটেছিল ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ওই মারধরের জন্য আজ খালিদ হাসানের কারাদণ্ড হওয়ার পর ওই তরুণী কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেট মামাকে ১৫ দিনের জেল দিয়ে দিছে। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে কান্নাকাটি করে বলেছিলাম, আমাকে নিয়ে যান, আমার মামাকে ছেড়ে দেন। আমাকে রক্ষা করতেই তো তিনি এসেছেন। আমার জন্যই তো তিনি ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট আমার কথা শুনলেন না।’ তাঁকে রক্ষা করতে এসে এখন তাঁর স্বজন হেনস্তার শিকার হচ্ছেন উল্লেখ করে ওই তরুণী প্রশ্ন তোলেন, তাঁকে শ্লীলতাহানির ঘটনার সময় পুলিশের সদস্যরা চুপচাপ দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি ইমদাদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, এএসআই আবদুল হাইকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে তাঁর দায়িত্ব ছিল। আর পুলিশের বাকি দুই সদস্য পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টের (দাঙ্গা দমন বিভাগের)। তাঁদের ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন অপরাধ থেকে আরও পড়ুন আইন ও বিচারভাইরাল ভিডিওভিডিওফুটপাতমারধরঅপরাধ