সাংবাদিকদের ওপর নোবিপ্রবি ছাত্রদলের হামলা
Why this classification
The incident involved a physical attack on journalists by members of Chhatra Dal, a political student organization.
Killed
0
Injured
3
Summary
২০২৬ সালের ১৮ আগস্ট নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর প্রতিবাদে বুধবার সাংবাদিকরা মানববন্ধন করেন এবং উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Journalists
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সালাম হল এলাকায় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেনের অনুসারীদের সঙ্গে সিনিয়র সহসভাপতি সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীদের বিরোধকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ উঠেছে, সংঘর্ষের সময় সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীরা বহিরাগতদের নিয়ে হলে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালান। এ সময় নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীদের সালাম হলের রুমে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া সালাম হল ও মালেক হলের বিভিন্ন কক্ষেও ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গেছে। পরে সালাম হল প্রাঙ্গণ থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পক্ষের নেতাকর্মীরা একজোট হয়ে সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীদের ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া অডিটোরিয়াম এলাকা হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দুই পক্ষ সংঘর্ষ ও মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হন। ঘটনার পর ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা কাজ করছেন। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আহতদের খোঁজ নেওয়ার পর উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এখানে আছেন। পরিস্থিতি এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে। আমরা অতিদ্রুত এ ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব। প্রসঙ্গত, এর আগে সোমবার দিবাগত রাতেও ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে মালেক হল ও পকেট গেট-সংলগ্ন এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জের ধরেই মঙ্গলবার দুপুরে ফের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এএমকে
সাংবাদিকদের ওপর নোবিপ্রবি ছাত্রদলের হামলা
সাংবাদিকদের ওপর নোবিপ্রবি ছাত্রদলের হামলা প্রতিবাদে মানববন্ধন Advertisement নোবিপ্রবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ছাত্রদল কর্তৃক সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হেনস্তার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নোবিপ্রবিতে কর্মরত সাংবাদিকদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনের পর জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন সাংবাদিকরা। এশিয়া পোস্টের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি তৌফিক আল মাহমুদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে ক্যাম্পাসে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে মঙ্গলবার ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মীর দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয়ে কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি সাদমান রাকিন, মানবজমিনের মাহী ছিদ্দীকী সিয়াম এবং প্রতিদিনের সংবাদের মেহেদী হাসানের ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানান ক্যাম্পাস সাংবাদিকরা। আমার দেশের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নাহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব-উভয়পক্ষই যদি সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করত, তাহলে পরিস্থিতি এতদূর গড়াত না বলে আমরা মনে করি। এক্ষেত্রে এটি তাদের সাংগঠনিক ও দলীয় ব্যর্থতা।
