দুই যুবককে হয়রানির অভিযোগ তুলে পুলিশ সদস্যদের মারধর
Why this classification
Residents physically beat a police sub-inspector and a constable on a railway line in Narayanganj on 15 March 2026, injuring the constable's head and looting their phones and wallet. This is a concrete, recent, real-world physical attack in Bangladesh, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
2
Summary
নারায়ণগঞ্জে রোববার (১৫ মার্চ ২০২৬) বিকেলে স্থানীয় জনতা হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে এসআই মিজানুর রহমান ও কনস্টেবল আরিফকে মারধর করে এবং তাদের মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। এই হামলায় কনস্টেবল আরিফের মাথা ফেটে যায় এবং এসআই মিজানের পোশাক ছিঁড়ে যায়।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
দুই যুবককে হয়রানির অভিযোগ তুলে পুলিশ সদস্যদের মারধর
দুই যুবককে হয়রানির অভিযোগ তুলে পুলিশ সদস্যদের মারধর ফাইল ছবি নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬ | ০৫:২৬ নারায়ণগঞ্জে পুলিশের এক কর্মকর্তা ও কনস্টেবলকে মারধর করেছে স্থানীয় জনতা। গতকাল রোববার বিকেল ৫টার দিকে গলাচিপা ও আলমখান লেনের মাঝামাঝি রেললাইন থানকাপড় মার্কেটের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এসআই মিজানুর রহমান পুলিশের পোশাক পরা ছিলেন এবং কনস্টেবল আরিফ ছিলেন সাদা পোশাকে। মারধরকারীদের অভিযোগ, এই পুলিশ কর্মকর্তা দুই দিন আগেও এক ব্যক্তিকে ধরে মাদক মামলায় চালান দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করেছেন। রেললাইন এলাকার মানুষ রেলপুলিশের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ। রোববার দুই যুবককে ধরে হয়রানি করার অভিযোগ তুলে তাদের মারধর করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একজন সোর্সকে সঙ্গে নিয়ে হোসিয়ারী কর্মচারী রমজান ও তাঁর সহযোগী একজনকে আটক করে। সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে হাতকড়া লাগানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ওই দুই যুবকের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে এসআই মিজানসহ তাঁর সোর্সকে আটক করে। এ সময় পরিচয় জানতে চাইলে সোর্স নিজেকে র্যাবের লোক বলে পরিচয় দেয়। স্থানীয় লোকজন থানকাপড়ের একটি অফিসে নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসা করলে দুজনকে আটকের বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি। তাই এলাকাবাসী তাদের ভুয়া পুলিশ আখ্যা দিয়ে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে এসআই মিজানুর রহমান ও তাঁর সঙ্গে থাকা কনস্টেবল অফিস থেকে বেরিয়ে দৌড় দেন। এ সময় পেছন পেছন দৌড়ে তাদের মারধর করেন স্থানীয়রা। মাদকসেবনের অভিযোগে আটক রমজান হোসেন জানান, তিনি একটি কারখানায় ওয়াশিং প্লান্টে কাজ করেন। তাঁর এক সহকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে মার্কেটে আসেন কেনাকাটা করতে। মার্কেটে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে রেললাইনের ফাঁকা জায়গায় বসেছিলেন। এ সময় পুলিশ তাদের দুজনকে আটক করে। অটোরিকশায় তুলে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তারা চিৎকার শুরু করেন। এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দেখতে পান পুলিশের ওয়াকিটকি সোর্সের কাছে। সোর্সের কাছে পুলিশের ওয়াকিটকি কেন জিজ্ঞাসা করলে সোর্স নিজেকে র্যাব বলে পরিচয় দেন। স্থানীয়রা র্যাবের কর্মকর্তাকে ফোন দেওয়ার কথা বললে তিনি কোনো কর্মকর্তার নম্বরে কল দিতে পারেননি। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাদের চাঁদাবাজ বলে মারধর শুরু করেন। নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল হালিম জানান, নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান ও কনস্টেবল আরিফ শহরের উকিলপাড়া রেললাইন এলাকায় টহলে যান। এ সময় উকিলপাড়া রেললাইন এলাকায় দুই যুবক মাদক সেবন করছিলেন। এসআই মিজানুর রহমান ও কনস্টেবল আরিফ মাদকসেবী দুই যুবককে ধরে অটোরিকশায় তোলার সময় স্থানীয় লোকজন এসে পুলিশকে ধরে মারধর করে। মারধরে কনস্টেল আরিফের মাথা ফেটে গেছে এবং এসআই মিজানের পুলিশের পোশাক ছিঁড়ে গেছে। তাদের দুজনকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নিয়েছে হামলাকারীরা। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদীর ভাষ্য, মামলার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশকে যারা মারধর করছে ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। - বিষয় : - পুলিশ
